“পানিকে যে পাত্রেই রাখেন না কেন,ঠিকই বসে যাবে।। আমিও না ঠিক পানির মতই যেকারো সাথে মিশে যেতে পারি,খাপ খাইয়ে নিতে পারি যেকোন পরিবেশে।। পানিকে আপনি ছুঁতে পারবেন যতবার খুশি,যতক্ষন আপনার ইচ্ছে,কিন্তু আটকে রাখতে পারবেন না হাতের মুঠোয়,নিজের পথ সে নিজেই খুঁজে নিবে।। আমিও আপনার যতই আপন হই না কেন,আমার জীবনের সিদ্ধান্ত আমিই নেবো,আমি তাই করবো যা আমার ভালোলাগে,যা আমার কাছে উচিত মনে হয়,আমাকে বাধা দেয়ার কোন ক্ষমতা আপনার নেই।।খুব পছন্দ করি নিজের পথ নিজে খুঁজে নিতে,যত নতুন আর ঝুকিঁপূর্ণ পথ,আমার ততই পছন্দের”- কথাগুলো নিজের সম্পর্কে লিখে দিয়েছেন ফেসবুকে নিজের পরিচয়ে। মানুষটির নাম আনিকা মাসনুন তোরফা। সাইকোলজি নিয়ে পড়ছেন,থাকবেন এবং ধারন করবেন।

কথার মাঝে একসময় বললেন “ভালোবাসতে ভালোবাসেন” কাছের মানুষগুলোর জন্য সব করতে প্রস্তুত তিনিই বলছিলেন এখনো তিনি অনেক চাইল্ডিশ,ইমোশনাল,পসেসিভ…….

আমার আবেগের জায়গাগুলো একটু বেশিই বোঝেন বাবা

লিখেছেন...admin...এপ্রিল 4, 2016 , 9:14 পূর্বাহ্ন

ani

খোশগল্প.কম: কেমন আছেন?

আনিকা: ভালো, আপনি?

খোশগল্প.কম: জি ভালো। সাইকোলজি নিয়ে পড়ার ইচ্ছে নাকি অনেক আগে থেকে; সেটা কেনো?

আনিকা: সাইকোলজি নিয়ে পড়ার ইচ্ছেটা অনেকটা ঝোঁকের বসেই। বলতে গেলে অনেক ছোটবেলা থেকেই মানুষের গল্প শুনতে ভালো লাগতো। আর জানি না কেন মানুষজন আমাকে খুব বিশ্বাস করেই গভীর আগ্রহ নিয়ে জীবনের কথা,সুখ দুঃখের কথা, আশা আর স্বপ্নের কথাগুলো বলতো। ‘ছুটিরদিনে’তে ‘ঘরমন জানালা’ টাও খুব আগ্রহ নিয়ে পড়তাম। আর হলিক্রস কলেজে পড়ার সময় ৪র্থ বিষয় হিসেবে সাইকোলজি নিয়েছিলাম,ভালো লাগতো,তবে বেশিরভাগই ছিল theory based..মূল ভালোবাসা জন্মালো আমাদের প্রিন্সিপাল সিস্টার শিখা গমেজ এর ক্লাস করে। সিস্টার আমাদের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ পড়াতেন,আমি মুগ্ধ হয়ে তাঁর কথা শুনতাম, একেকটা লাইন পড়াতেন আর মানব মনের জটিল ইচ্ছা আর আচরণগুলো এত সুন্দর করে ব্যাখ্যা করতেন!আমার মনে হতো আমিও এইভাবে সব আচরণ আর এর কারণ গুলো জানতে চাই।

খোশগল্প.কম: তাহলে তো আবেগের বসেই বলা চলে…..

আনিকা: তাতো অবশ্যই.. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বি ইউনিটে যখন চান্স পেলাম,সাবজেক্ট চয়েসের সময় ১ম চয়েস দিলাম সাইকোলজি,অন্য যেকোনটাই দেয়ার যোগ্যতা আমার ছিল,তবুও..বাবা মা কিছু না বললেও আত্মীয়রা বলতে লাগলো “কেন এটা পড়বা?চাকরি পাবা না। ব্লা ব্লা ব্লা।” কারো কথাই কানে তুলিনি তখন। সাইকোলজিই তখন আমার একমাত্র স্বপ্ন!!!

খোশগল্প.কম: “কেন এটা পড়বা,চাকরী পাবা না” এই ব্যাপারগুলো ঢা.বি তে সাইকোলজির ৫০ বছর পরেও কি ফেস করতে হয়?

আনিকা: সেটা তো কম বেশি সব সাবজেক্টেই ফেস করতে হয়। আর সাইকোলজি তো আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অনেকটাই differently perceived subject. এখানে এখনো কেউ সাইকোলজিস্টের কাছে গেছে শুনলে লোকে বলে – সে পাগল। লোকজন তো সাইকোলজিস্টকেও পাগল বলতে ছাড়ে না। এগুলো দেখে চোখ সয়ে গেছে। তবে হ্যাঁ,প্রেক্ষাপট পাল্টাচ্ছে। এখন তো স্কুল কলেজগুলোতেও সাইকোলজিস্ট নিয়োগের কথা বলা হচ্ছে,অনেক জায়গায় করাও হচ্ছে..আমরা যত ব্যস্ত জীবনে চলে যাচ্ছি,ততোটাই সাইকোলজিস্টের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। আর অনেক ক্ষেত্রেই বাঁকা চোখে তাকানোটাও কমে গিয়ে সেখানে সম্মান দেখতে পাচ্ছি।

খোশগল্প.কম: তাহলে বলা যায় ভবিষ্যতে নামের পাশে “সাইকোলজিস্ট” লিখার ইচ্ছা শতভাগ….

আনিকা: ইনশাআল্লাহ!!!

খোশগল্প.কম: সাইকোলজির কোন সেক্টরটায় কাজ করার ইচ্ছে বেশি?

আনিকা: কাউন্সেলিং এ যাওয়ার ইচ্ছা আছে। ওই যে বললাম, গল্প শুনতে ভালো লাগে!

খোশগল্প.কম: কাউন্সিলিং মানে গল্প শোনা বা করা?

আনিকা: ঠিক গল্প শোনা না বলে বলা যায় যে,যখন একটা মানুষের সাথে সেশনে বসবো,সে তার কষ্টের কথাগুলো বা তার অনুভূতিগুলো শেয়ার করবে,তখন তাকে judge করতে পারবো না ঠিকই, কিন্তু কীভাবে তার সমস্যাগুলো নিয়ে আগাবো সেটা analysis করতে তো তার মনের কথা গুলো শুনতে হবে। শুনবো তার কথা,তার জীবনের কথা। আর সেই মানুষটা যখন একটা সময়ে বলবে, “এখন আমি অনেক ভালো আছি!” আমার ভাবতেও শিহরণ লাগে যে আমি তখন কতোটা খুশি হবো!একটা মানুষের দুঃখের বোঝা একটু হলেও কমাতে পারা,এরচেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে?!

খোশগল্প.কম: একটা মানুষ হঠাৎ তার কথাগুলো একজনকে কেনো বলবেন? এখানে তো অনেক ব্যাপার আছে যেমন প্রাইভেসি,কম্ফোর্ট,ইনভাইরনমেন্ট। তাই না?

আনিকা: তা তো অবশ্যই আছে। সেই environment টা তো আমাকেই তৈরি করে দিতে হবে তাকে, যেন সে আমাকে বিশ্বাস করতে পারে,আমাকে আপন ভাবতে পারে,তাকে বলতে হবে যে আমাদের মধ্যের কথাগুলো একেবারেই confidential থাকবে। তারপর যদি সে মনে করে যে আমি তাকে সাহায্য করতে পারি,আমাকে কথাগুলো বলে সে হালকা হতে পারে ,তখনই সে কথা বলা শুরু করবে।

খোশগল্প.কম: ব্যাপারটা তাহলে ইন্টারেস্টিং বলুন…..

আনিকা: আর আসলে ঠিক যতটা interesting মনে হয়,ততোটাই challenging ও। কারণ সাইকোলজিস্টের কাছে কেউ আনন্দের কথা বলতে আসে না।জীবনের দুঃখগুলো,হতাশাগুলো,আর সমস্যাগুলোর কথা বলতেই কিন্তু আসে। অনেক সময় তাদের কাহিনীগুলো এতটাই depressing হয় যে psychologist এর নিজেরই কষ্ট হয়, depressed লাগে, after all আমরাও তো মানুষ! সেই অবস্থায় নিজেকে সামলে নিয়ে,তাকে সাহস দেয়া, it’s a really tough task!!

খোশগল্প.কম: এতো গেলো অন্যরা,নিজের হতাশা গুলো কমানো হয় কিভাবে?

আনিকা: প্রথমত চেষ্টা করি situation টাকে মেনে নিতে,ঠান্ডা মাথায় সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করি, মাথা ঠান্ডা রাখাটা খুবই কষ্টের কাজ!কাছের কিছু মানুষ আছে,তাদের সাথে শেয়ার করি,হালকা লাগে। আর হ্যাঁ,অবশ্যই আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই,যেন তিনি আমাকে আরও ধৈর্য্য দেন; কষ্ট সহ্য করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেন। আর খুব বেশি হতাশার সময় কান্না করলে হালকা লাগে!

খোশগল্প.কম: ফ্রেন্ডদের কাছেতো তাহলে আপনি নির্ভরতার জায়গা…….

আনিকা: মনে তো হয়।ওরা জানে আমি কখনোই ওদের আগেই judge করে ফেলি না,পুরো কথাটা আগে শুনি,উপদেশ দেই না,সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করি,আর আমি চেষ্টা করি নিজের সবটা দিয়ে ওদের সাহায্য করতে,খুব  ভালোবাসি ওদের,ওরা বোঝে..আর এজন্যই মনে হয় যে কোন কথা নির্দ্বিধায় আমাকে বলে ফেলে!!

খোশগল্প.কম: পড়াশুনার বাহিরে আর কি নিয়ে ব্যস্ত থাকা হয়?

আনিকা: পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত থাকি মাঝে মাঝে।অন্য কাজই বেশি। ভলান্টারি কাজ করি খুব। বেশ কিছু সাইকোলজি রিলেটেড কাজও করি। আর আড্ডা দিতে,ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসি,ভালোবাসি বই পড়তে,মুভি দেখতে,পরিবারের সবার সাথে সময় কাটাতে। রান্না করতে খুব ভালোবাসি,ছুটির দিনগুলোতে চেষ্টা করি ভিন্নধর্মী কিছু রান্না করে বাসার সবাইকে খাওয়াতে, আমার বাবা আমার রান্নার সবচেয়ে বড় ভক্ত।

খোশগল্প.কম: “বাবা” মানুষটিই হয়তো এমন…..

আনিকা: সে তো অবশ্যই..আমার যত ভুল,বাবা কোনদিন সেগুলোকে ভুল ভাবেন নি,নিজে এগিয়ে এসে শুধরে দিয়েছেন..বাবার যখন ম্যাট্রিক পরীক্ষার রেজাল্ট দেয়,তখন আমার দাদী চলে যান না ফেরার দেশে। আমার জন্মের পরে বাবা কেঁদেছিলেন, বলেছিলেন- “আমার মা ফিরে এসেছে!” আমার চেহারায়ও তিনি তাঁর মায়ের সাথে মিল খুঁজে ফেরেন। আমার রান্না খারাপ হলে সব একাই খেয়েফেলেন অন্যরা খাওয়ার আগেই,আর বলেন “বেশিই মজা ছিল,sorry তোমাদের জন্য রাখতে পারলাম না।” আমার আবেগের জায়গাগুলো একটু বেশিই বোঝেন বাবা!!

খোশগল্প.কম: বাবার মনের মতো করে গড়ে উঠছেন তাহলে?

আনিকা: চেষ্টা করছি।জানি না কতটুকু পারবো..বাবার অনেক স্বপ্ন আমাদের তিন ভাইবোন কে নিয়ে।বাবা আর মা সারাজীবন অনেক কষ্ট করেছেন,আমাদের জন্য,পরিবারের (নানাবাড়ি+দাদুবাড়ি) জন্য। আমার মায়ের মত পরিশ্রমী মহিলা আমি খুব কম দেখেছি জীবনে,চাকরি আর সংসার একসাথে এত সুন্দর করে maintain করা সহজ কাজ না!

খোশগল্প.কম: মা চাকুরী করায় কিছু কি সমস্যা হয়েছে?

আনিকা: সমস্যা বলতে মাকে তো সবসময় কাছে পেতাম না। অন্য বাচ্চারা যখন সারাদিন আচলের নিচে বসে থাকতো, তখন আমাকে আমার ছোট ভাইবোনের দেখাশুনা করতে হত..অনেক ছোটবেলাতেই আমরা বড় হয়ে গিয়েছিলাম..তবে মা খুব চেষ্টা করতেন আমাদের যেন কোন কষ্ট না হয় তার ব্যবস্থা করতে,খুব কষ্ট করতেন তিনি। আমাদের কষ্ট একটা তাঁকে মিস করতাম,যখন তখন কাছে পেতাম না।

খোশগল্প.কম: ছোটবেলার কথা তবে কিছু শুনি….

আনিকা: আমার ছোটবেলার খুব বড় একটা সময় কেটেছে নানাবাড়িতে। মা-বাবা চাকরির কারনে অন্যখানে থাকতেন। ছোট ভাইবোন রা খুবই ছোট ছিল বলে তাদের সাথেই থাকতো। আমি ছিলাম আমার নানুমনির প্রাণপাখি। আমার হাতেখড়ি নানার হাতে হলেও ‘অ আ ক খ’ শিখিয়েছেন নানুমনি (আমার নানি)..আমার মধ্যে মানবীয় যত গুনাবলী তার সিংহভাগ তাঁর থেকেই পাওয়া..একান্নবর্তী পরিবারে কাটে আমার ছোটবেলাটা।মামা- মামি,খালারা, কাজিনরা সবাই মিলে থাকতাম, নানা – নানুমনি, সবার চোখের মনি ছিলাম আমি। আমার মামা- খালাদের খেলার পুতুল ছিলাম। মাঝে মাঝে মনে হয় আমি যতটা একরোখা,তা এইভাবে সবার ভালোবাসা পেয়ে পেয়েই!!

খোশগল্প.কম: নিজেকে নিয়ে ভাবনা তবে কতখানি?

আনিকা: নিজেকে নিয়ে ভাবি তো।নিজের আচরণ গুলো নিয়ে ভাবি,কী করলাম?কেন করলাম? কী করলে better হত!!আমার নিজের personality type নিয়েও ভাবি!!

খোশগল্প.কম: নিজেকে judge করার কথা বলছেন?

আনিকা: হ্যাঁ!!নিজেকে অনেক বেশি judge করি। অন্যকেউ আমার কারনে কষ্ট পাক,সেটা আমি চাই না।তাই খুব বেশি চিন্তা করি আমার আচরণগুলো নিয়ে। চেষ্টা করি প্রতিদিনকে better করতে,নিজেকে প্রতিদিন better মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে।

খোশগল্প.কম: তাহলে নিজের কাছে নিজের জবাবদিহিতা অনেক গুরুত্বপূর্ন বলছেন। তবে হরহামেশাই যে ক্রাইম গুলো চলছে তারা তো তবে নিজেকে নিয়েই চিন্তিত না….

আনিকা: আসলে তাদের কথাটা এত সহজে বলে দিতে পারছিনা। আমার কাছে অন্যকে সামান্যতম কষ্ট না দেওয়াটাও যতটা গুরুত্বপূর্ণ,তাদের কাছে হয়তো সেটার কোন মূল্যই নেই।জানি না তারা কোন এঙ্গেল থেকে চিন্তা করেন,জানি না তনুরা যখন চিৎকার করে তখন তাদের কানে সেই আওয়াজ আদৌ পৌছায় কিনা!!হয় তো না,হয়তো নিজের কাছে জবাবদিহি করলে কোন ক্রাইমই হত না,বা হলেও তারা আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতো নিজের ভুল বুঝতে পেরে,কিংবা আত্নসমর্পণ করতে ভয় পেলেও পরবর্তীতে আর কখনো কোন ক্রাইম করতো না।

খোশগল্প.কম: তনুরা কি তাহলে সবসময় অনিরাপদ?

আনিকা: যতদিন এই মানুষ নামের নরপশুদের চিন্তাটা এমন আছে,ততদিন কি নিরাপত্তা পাওয়া সম্ভব?! নিজেদেরকেই নিজের জন্য লড়াই করে যেতে হবে ততদিন। তবে আমি আশা করি,কোন একদিন এই নরপশুগুলো আর থাকবে না..আমি আমার সন্তানকে শিক্ষা দেবো নারীকে সম্মান করতে,আপনি দিবেন,অনেকেই দিবে। আস্তে আস্তে একদিন এই পশুদের সংখ্যা শূন্যতে নেমে আসবে।

খোশগল্প.কম: শুধু শিক্ষাই দায়ী?সমাজব্যবস্থা??

আনিকা: এই শিক্ষাটা মনের..সমাজব্যবস্থাকে আর কত দিন দোষারোপ করবো?!হ্যাঁ সমাজব্যবস্থা ত্রুটিহীন নয়।তবে এই সমাজেই তো আমি,আপনি আছি,তাই না?আমরা ছাড়াও আরও অনেকেই আছেন যারা নারীকে সম্মান করেন। তাদের এই সম্মানের কারণ তাদের স্বশিক্ষা,তাদের নৈতিকতা..তাদের মত করে যখন বাকি ৫জন মানুষও ভাবতে পারবে,তখন আর এভাবে তনুদের ঘৃণার ভার পৃথিবীকে বইতে হবে না।

খোশগল্প.কম: ভালো বলেছেন।তবে একটি ব্যাপারে এই প্রথম এতো ফোকাস(সামাজিক সাইট,মানবন্ধন) এমনটা কিন্তু আগে হয়নি।ব্যাপারগুলো ইতিবাচক বলাই যায়….

আনিকা: হ্যাঁ সেটাই।

খোশগল্প.কম: যা হোক। সবশেষে সংক্ষেপে নিজেকে নিয়ে কিছু বলুন।

আনিকা: নিজেকে নিয়ে কী আর বলবো? জীবনে খুব ছোট ছোট কিছু আশা,নিজেকে নিয়ে,পরিবার নিয়ে,কাছের মানুষগুলোকে নিয়ে। পরিবার আর বন্ধুদের খুব খুব ভালোবাসি,সবসময় তাদের কীভাবে happy রাখা যায় সেই চেষ্টাই করি। ইচ্ছা আছে সাইকোলজি নিয়ে খুব বড় কিছু করার,মানুষের আরও কাছে গিয়ে তাদের কষ্টের ভাগ নেয়ার,বাবা মায়ের স্বপ্নগুলো পূরন করার.. দোয়া করবেন আমার জন্য।যেন এই স্বপ্নগুলো পূরন করতে পারি,যেন ভালো মানুষ হতে পারি।

 

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

মতামত