সামিয়া রহমান ,ক্লাস সিক্স থেকেই বানাচ্ছেন শর্ট ফিল্ম ।ফিল্ম মেকিং কে শখ হিসেবে রাখলেও স্বপ্ন দেখেন , একদিন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অস্কার জিতুক । ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য ফিল্ম নিয়ে পুরষ্কার ও অর্জন ।

আমার স্টার হওয়ার কোন ইচ্ছা নাই, কিন্তু স্টার বানানোর ইচ্ছা আছে

লিখেছেন...admin...এপ্রিল 12, 2016 , 8:47 পূর্বাহ্ন

sy

খোশগল্প.কম: কেমন আছ?

সামিয়া: এইতো ভালোই।

খোশগল্প.কম: এখন কি নিয়ে ব্যস্ততা যাচ্ছে তোমার?

সামিয়া: আমি এইচ এস সি ক্যান্ডিডেট তো,  বুঝতেই পারো একজন এইচ এস সি ক্যান্ডিডেটের কি রকম অবস্থা থাকতে পারে। পড়াশোনা, পরীক্ষা এসব নিয়েই যাচ্ছে।

খোশগল্প.কম: পড়াশোনার বাইরে তুমি তো অনেক কো-কারিকুলাম একটিভিতে জড়িত, সে গুলো কি কি ?

সামিয়া: আমি যখন সিক্সে ছিলাম, তখন শিশু একাডেমী থেকে একটা ওয়ার্কশপ হয়েছিল, ”চিলড্রেন ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন প্রোগাম প্রোডাকশন ওয়ার্কশপ”। ২০০৯ এ ওটা ছিল সেকেন্ড ব্যাচ। আমি ওখানে ইন্টার্ভিউ দেই, ওরা সেখান থেকে ২৮ জনকে সিলেক্ট করে, তার মধ্যে আমি ছিলাম । সেখানে ১০০ ঘন্টার একটা ওয়ার্কশপ হয়, সপ্তাহে ২ দিন করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত।  ফিল্মের নানা বিষয় যেমন স্কিপ্টিং, ক্যামেরার কাজের লেন্স এগুলো সব কিছুর উপর একটা ডিটেলস কোর্স হয়। এই কোর্সের পর আমাদেরকে ৪ টা গ্রুপে ভাগ করা হয়। প্রতিটা গ্রুপ একটা করে ফিল্ম বানাবে। ফিল্মের টপিকস সহ সবকিছুই আমাদের গ্রুপের করতে হবে। তো ঐখান থেকেই আমার ফিল্ম ঢুকার শুরু । ঐটাই ছিল আমাদের প্রথম ফিল্ম। এটার প্রিমিয়ার ও হয়েছিল শিশু একাডেমীতে। পর্দায় যখন নিজেদের বানানো ফিল্ম দেখলাম, সেটার অনুভূতি অন্যরকম ছিল। এরপরই আস্তে আস্তে আমার ফিল্মের প্রতি আগ্রহ বাড়তে লাগল। মানুষ কিভাবে ক্যামেরার পিছনে কাজ করে, কিভাবে ফিল্ম বানায় এসব বুঝার পরে আমি নিজেই ফিল্ম বানাই। শিশু একাডেমীর কোর্স তো শেষ, ঐখান থেকে তো আর হবে না। তারপর আমি  সিটিএফবি চিলড্রেন টিভি ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ- সেখানে যাই, ওনারা আমাদের ক্যামেরা, ট্রাইপোড এগুলো সাপোর্ট দিত। যেহেতু আমরা সবাই নতুন ছিলাম, কারোরই ক্যামেরা বা ট্রাইপোড ছিল না। আমরা সিটিএফবি র কাছ থেকে ক্যামেরা, ট্রাইপোড নিয়ে নিজেরা সিনেমা বানাতাম। তারপর সেকেন্ড ফিল্ম যেটা বানাই সেটার জন্য সিটিএফবি থেকে সব গ্যাজেটের হেল্প নেই, আর আমাদের সিটিএফবি  গ্রুপের সবার হেল্প নিয়ে ”এ+প্লাস” নামে একটা সিনেমা বানাই। এটা ২০১১ সালে ফিল্ম ফেস্টিভালে ৪র্থ প্রাইজ পায়। প্রথম বার জমা দিয়ে ৪র্থ পুরস্কার পাওয়ার পর মানুষজন আমাকে ইনকারেজ করতে শুরু করল। আমারও ফিল্ম নিয়ে আগ্রহ বেড়ে গেল। যেহেতু আমি ৪র্থ পুরস্কার পেয়েছি তাই ভাবলাম এটা হয়তো কিছু একটা ছিল, তাই পুরস্কার পেয়েছি। তাই আমি চিন্তা করলাম এটা কন্টিনিউ করব। এরপর আস্তে আস্তে আমি পরের বছরও ফিল্ম বানিয়ে জমা দেই। ফেস্টিভালের ৭ম আসরেও আমার একটা মুভি পুরস্কার পায় ”ইনানিমেট”।  সেখান থেকেই ফিল্ম মেকিংয়ের উপর ভালোবাসা তৈরি হয়। আমি স্কুলেও বিভিন্ন একটিভিতে জড়িত ছিলাম। এছাড়াও ক্লাস নাইন এ আমি স্কুলের এসিস্টেন্ট হেড গার্ল ছিলাম, ১০ এ গিয়ে আমি হেড গার্ল হই। হেড গার্ল হওয়ায় স্কুলের সব অনুষ্ঠানের অর্গানাইজের দায়িত্ব আমার করতে হত। বিভিন্ন অনুষ্ঠান অর্গানাইজ করে আমার অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। এছাড়া আমি স্কুলে স্কাউটিং করতাম, ৭ম শ্রেণী থেকে স্কুলে স্কাউটিং শুরু করেছি। স্কাউটিং এর সব কয়টা ধাপ কমপ্লিট করে প্রেসিডেন্ট স্কাউট এওয়ার্ড পেয়েছিলাম।

খোশগল্প.কম: তোমার ফিল্মের গল্পগুলোর কনসেপ্ট সম্পর্কে আমাদের কিছু বল।

সামিয়া: ফিল্মের কনসেপ্ট ফিল্ম বানাব বলে বসে বসে চিন্তা করে পাইনি। আমি যখন যেই কাজই করতাম আমার মাথায় যা আসত আমি তা লিখে রাখতাম। আমি একটা ফিল্ম বানিয়েছিলাম ” ইনানিমেট ” এটা আমি আমার এস এস সি পরীক্ষার ২ দিন আগে শুটিং করেছিলাম। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৪/৫ দিন আগে আমার মাথায় কনসেপ্ট এসেছিল। আমি বসে ছিলাম, তখন অনেকগুলো পুতুল দেখে কনসেপ্টটা মাথায় আসে। যতকাজ করি কাজের মধ্যে যত কনসেপ্ট আসে তা লিখে রাখি।

খোশগল্প.কম: তোমার এই মুভি গুলো কাস্ট করল কারা?

সামিয়া: আমার বিভিন্ন ফ্রেন্ড সার্কেল যারা আছে তারা। সিটিএফবি, শিশু একাডেমীর ফিল্ম মেকিং কোর্সের গ্রুপ মেম্বাররা, যারাই আমার বন্ধু ছিল তারাই হেল্প করত, তারাই অভিনয় করত। এমনকি আমার ফিল্মে আমার মাও মায়ের চরিএে অভিনয় করেছিল।

খোশগল্প.কম: শুটিং করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

সামিয়া: আমি যখন শিশু একাডেমীর সঙ্গে ছিলাম বড়রা তখন অনেক হেল্প করত। তখন অনেক ছোট ছিলাম বলে সবকিছু ঐভাবে করতে পারিনি। কিন্তু আমি যখন নিজে বানানো শুরু করলাম তখন আমি বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম। আমার এ+ মুভিতে একটা দৃশ্য ছিল, একটা ছেলে অজ্ঞান হয়ে ট্রেনের মধ্যে পড়ে যাবে, তারপর সবাই তাকে জড়ো হয়ে দেখবে। ছেলেটার ঐ অভিনয়টা এতই রিয়েল ছিল যে ,ও যখন ট্রেনে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়,  মানুষ তখন সত্যি সত্যি ভাবছে ও অজ্ঞান হয়ে গেছে। আমরা কিছু করি নাই দূর থেকে শুধু ক্যামেরা দিয়ে শুট করছিলাম । লোকজন ওকে ট্রেন থেকে নামিয়ে নিজেরাই জড়ো হয়ে ওকে দেখেছিল। আমার আর একটা ফিল্মে বাচ্চাদের নিয়ে একটা শুটিং ছিল। সব ফাইভ, এইটের বাচ্চা ছিল। ওরা যখন ক্রিকেট খেলছিল আমিও ওদের সঙ্গে  খেলছিলাম।

খোশগল্প.কম: তোমার এ+ মুভির গল্প টা কি ছিল ?

সামিয়া: এখনকার শিক্ষা ব্যবস্থায় যে অবস্থা, গোল্ডেন এ+ পেতেই হবে, না পেলে হয়তো পুরো জীবন বৃথা, না হলে খোটা শুনতে হবে। এই জিনিসটা যার উপর চাপ দেওয়া হচ্ছে, তার উপরে কি পরিমাণ প্রভাব পড়তে পারে সেই জিনিসটা নিয়েই এই ফিল্মটা।

খোশগল্প.কম: ফিল্ম মেকিং এ আদর্শ মনে কর কাকে?

সামিয়া: ফিল্ম মেকিং এর আদর্শ অনেক আছে। আমি প্রথমে যার কাছ থেকে ট্রেনিং নিয়েছিলাম, আমিনুল ইসলাম খোকন ভাইয়া। উনাকে দেখে আমি ফিল্ম মেকিং এর উপর অনেক বেশি আগ্রহ হয়েছিল। উনি আমার একজন অনুপ্রেরণার উৎস হিসাবে মনে করি। এছাড়া তারেক মাসুদ, সত্যজিৎ রায়, স্টিভেন স্পিলবার্গ উনাদের আমার আইডল মনে হয়।

খোশগল্প.কম: ভবিষ্যতে কি ফিল্ম  মেকিং নিয়ে করার ইচ্ছা আছে?

সামিয়া: ফিল্ম মেকিংটাকে আসলে আমি পেশা হিসাবে নিতে চাই না। ফিল্ম মেকিং নিয়ে ঐরকম পড়াশোনা না করে আমি আসলে নিতে চাই না। আমি হবি হিসাবে রাখব, কিন্তু ফিল্ম মেকিংটা সবসময় আমার সাথে থাকবে। নিজের চিন্তাভাবনাই ফিল্ম মেকিং এ আনব। এটা নিয়ে এমনি কোন আলাদা পড়াশোনার চিন্তা করিনি। মাথায় যা আসবে বানাব, কিন্তু আমার সবসময় ইচ্ছা আমি ছোটদের নিয়ে কাজ করব সবসময়।

খোশগল্প.কম: ফিল্ম বানানোর ক্ষেত্রে কোন জিনিসটাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া উচিৎ, কনসেপ্ট নাকি বাণিজ্যক?

সামিয়া: টেকনিক্যাল দিকটা হয়তো সবাই শিখে নিতে পারে টিউটোরিয়াল দেখে। কিন্তু যে মেসেজটা দিবে সেটা যদি ভুল হয়?  তাই সে দিক থেকে কনসেপ্টটাকে বেশি মূল্য দেওয়া উচিৎ। কনসেপ্ট এর পাশাপাশি প্রেজেন্টেশনটাকে গুরুত্ব দিতে হবে। অনেক ভালো কনসেপ্ট হয়তো প্রেজেন্টেশন এর জন্য ফিল্মটা ভালো হয় না। তাই কনসেপ্টের পাশাপাশি প্রেজেন্টেশন এর দিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ।

খোশগল্প.কম: যখন ফিল্ম মেকিংয়ের সময় পরিবার থেকে কতটা সহায়তা পেয়েছ?

সামিয়া: আমি বুঝতে পারিনি, আমার পরিবার আমাকে এতটা সহায়তা করবে ফিল্ম মেকিং এ।

আমার আব্বুই আসলে ফিল্ম মেকিং কোর্সটাতে যোগদান করতে বলেছিল। আমার সবকয়টি ফিল্মের সময় আম্মু আমার সাথে ছিল, আমার আম্মু প্রত্যেকটা ফিল্মে মায়ের চরিএে অভিনয় করেছে। এ ক্ষেত্রে আমি পরিবারের সম্পূর্ণ সহায়তা পেয়েছি।

খোশগল্প.কম: তোমার মত যারা ফিল্ম মেকিং এ আসতে চায়, তুমি তাদেরকে কি রকম সাজেশান দিতে চাও?

সামিয়া: ফিল্ম মেকিং জিনিসটা সৃজনশীল জিনিস, আমাদের দেশের মানুষরা যত সৃজনশীল হবে তত ভালো হবে। যারা আসতে চায় আমি তাদের আসতে বলব এবং বাংলাদেশের ফিল্মের যেই অবস্থা সেটার জন্য যেন কাজ করে। যেন অস্কার ও বড় বড় পুরুস্কার গুলো জিতে নিতে পারে।

খোশগল্প.কম: দেশ বা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ফিল্ম বানানোর কোন ইচ্ছা কি আছে?

সামিয়া: হ্যাঁ, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ফিল্ম বানানোর ইচ্ছা আমার অনেক আগে থেকেই আছে। ফিল্ম বানানোর জন্য যে টাকা-পয়সা দরকার তা আমি ছোট বলে এখন সম্ভব না। হয়তো বড় হলে ইচ্ছা আছে করার।

খোশগল্প.কম: কোনটা বেশি ইনজয় কর, ডিরেকশন দেওয়া নাকি অভিনয় করা?

সামিয়া: অবশ্যই ডিরেকশন। আমার স্টার হওয়ায় কোন ইচ্ছা নাই, কিন্তু স্টার বানানোর ইচ্ছা আছে।

খোশগল্প.কম: তোমার পরবর্তী ফিল্ম আমরা কবে দেখতে পাব?

সামিয়া: ইনশাআল্লাহ এইচ এস সির এডমিশনের পর। আমার মাথায় এখন ও অনেক কিছু ঘুরছে, ইচ্ছা করে বানাই বানাই। অনেক কস্টে নিজকে প্রতিরোধ করি। ভালো কোথাও একটা আগে ভর্তি হয়ে নেই, তারপর যত-ইচ্ছা বানানো যাবে।

খোশগল্প.কম: এটা কখনও কি মনে হয় নি, ফিল্ম মেকিং নিয়ে পড়াশোনা করলে এটা নিয়ে আরও ভালো কিছু করা যাবে?

সামিয়া: আমি আমার আশেপাশে যাদেরকে দেখছি এরা বেশিরভাগ ফিল্মের সমালোচক। আমি যাদেরকে দেখেছি বা চিনি, যেমন মোরশেদুল ইসলাম স্যার উনি ফার্মেসীতে পড়েছিলেন, তারেক মাসুদ স্যার উনি মাদ্রাসায় পড়েছিলেন। তাদের দেখে আমার মনে হয় উনারা অন্য সাবজেক্টে পড়েও কেমন করে এত বিষয়ে তুলে ধরেছেন। আমি যদি ২ টা জিনিস নিয়ে পড়াশোনা করি তাহলে তাহলে বেশি কিছু জানব। ফিল্ম মেকিং নিয়ে এমনিতেই আমার আগ্রহ আছে, আমি যদি অন্য সাবজেক্ট নিয়ে পড়ি তাহলে ঐ সাবজেক্ট সম্পর্কেও জানতে পারব। আমি চাচ্ছি না এগুলোর টেকনিক্যাল নিয়ে পড়তে। এটা সৃজনশীল একটা কাজ। অবশ্যই এটা পড়ে আসা জরুরী, যেহেতু এটা আমার হবি, প্রফেশন হিসেবে নিব না। তাই আমি চাই নিজের মত করে বানাতে। ফিল্ম মেকিং পড়লে হয়তো অনেক কিছু করতে পারব না। আমি নিজের মত করে বানাতে চাই।

খোশগল্প.কম: ফিল্ম মেকিং এ তোমার সবচেয়ে বড় পাওয়া কি?

সামিয়া: যখন আশেপাশের মানুষ আমাকে দেখলে ফিল্ম মেকার বলে, আমাদের একটা চাপ্টার ছিল ফিল্ম মেকিং নিয়ে, তখন টিচাররা বলত এইটা সামিয়ার সাবজেক্ট। আশেপাশের মানুষ যখন এগুলো বলে তখন শুনতে ভালো লাগে। মানুষ যখন আমার ফিল্ম দেখে বলে ভালো লাগছে, এটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া ।

খোশগল্প.কম: তুমি তো গতবার সিএফএস এ জুড়ি ছিলে, এর অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু বল।

সামিয়া: আমরা ৫ জন জুড়ি ছিলাম। আমাদের সবারই মোটামুটি ফিল্ম সম্পর্কে ধারণা ছিল। ফিল্মের জাজমেন্ট করতে অনেক কষ্ট হয়েছিল। কারণ আমাদের এক একজনের এক একটা পছন্দ হয়েছিল, আমরা অনেক স্ক্রিনিং এর পর আলাদা আলাদা ভাবে দেখার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম। আর অভিজ্ঞতাটা অনেক ভালো ছিল।

খোশগল্প.কম: ফিল্ম বানানোর জন্য যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল?

সামিয়া: টেকনিক্যাল সমস্যা বেশি ছিল। আমাদের ফিল্ম বানানোর জন্য আমরা খুব কম প্রডিউস করতে পারতাম। যেমন মাঝেমধ্যে আমাদের লাইটের দরকার হত, কিন্তু লাইট তো আমাদের ভাড়া করে আনা সম্ভব হত না। এসব টেকনিক্যাল সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম।

খোশগল্প.কম: ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?

সামিয়া: ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়া আর ফিল্ম বানিয়ে যাওয়া।

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

মতামত