ফখরুল হাসান, পড়ছেন বুয়েটে । তার মতে, “একটা মানুষকে চোখ বন্ধ করে বা অল্প সময়েই ভালো বলে দেওয়া উচিৎ নয়। মানুষ কে চেনা যায় যখন তার স্বার্থ নিয়ে টান পড়ে। সে যদি আমার বিপক্ষে থাকে তখন তাকে আরও ভালো ভাবে চিনা যায়” ।

আমি সবসময়ই অবজার্ভ করে চলি

লিখেছেন...admin...জুন 22, 2016 , 4:35 পূর্বাহ্ন

fk

খোশগল্প.কম: তুমি এখন মেকানিক্যাল এ পড়ছো, ছোটবেলা থেকেই কি ম্যাকানিকাল এ পড়ার ইচ্ছা ছিল?

ফখরুল: না, ছিল না। তবে বুয়েটে পড়ার ফ্যাসিনেশন আসছে, আমার ছোটভাই ম্যাথ অলিম্পিয়াড এ বুয়েটের হলে  আসছিল। আমার বড় ভাইও বুয়েটে পড়ত। আমার ছোটভাই বলল, বুয়েটে তো ফুটবল দেখলাম, তুই বুয়েটে ফুটবলে ভালো করতে পারবি। তারপর বুয়েটের মাঠ দেখে ভালো লাগছিল। তারপর থেকেই বুয়েটের প্রতি ভালো লাগা। আমি আসলে চেয়েছিলাম সিএসই পড়তে, কিন্তু পেলাম ম্যাকানিকাল। যদিও ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে সিএস ই পেয়েছিলাম। ঐখানে চলে যাব ভাবছিলাম, কিন্তু পরে এখানে ভর্তি হয়ে গেলাম।

খোশগল্প.কম: ফুটবল খেলার জন্য তোমার বুয়েটে পড়ার ইচ্ছা ছিল?

ফখরুল: বলা যায় অনেকটা।

খোশগল্প.কম: তুমি  অন্য জায়গায়ও তো পেতে?

ফখরুল: বুয়েটের মাঠ, হল লাইফ । সবকিছু মিলিয়ে বুয়েটের ক্যাম্পাসের প্রতি একটা টান ছিল।

খোশগল্প.কম: ফুটবল খেলার সাথে তোমার সম্পৃক্ততা কিভাবে?

ফখরুল: স্কুলে ক্রিকেট খেলার সময় ব্যাটিং নিয়ে সমস্যা হত, দেখা যেত সবাই ব্যাটিং পেত না। কিন্তু ফুটবল খেলার সময় সবাই একসাথে খেলতে পারতাম। ঐখান থেকেই ফুটবল খেলা শুরু। তারপর কলেজে খেলতাম সারাদিন, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে ক্লাস হত না। আমাদের ব্যাচে অনেক প্লেয়ার ছিল। আমরা আন্ডারগ্রাউন্ডে টুর্নামেন্ট খেলতাম। আমার ছোটভাই ছিল এক ইয়ারের জুনিয়ার, ওর বন্ধুদের সাথেও খেলতাম। পড়ালেখা বাদ দিয়ে মানুষজন আমাকে ফুটবল খেলার জন্যই বেশি চিনত।

খোশগল্প.কম: বুয়েটের ম্যাচে আমরা তোমার সাফল্য দেখতে পাই। তুমি কি কখনও ফুটবলকে পেশা  হিসেবে নেওয়ার কথা ভেবেছ?

ফখরুল: চিন্তা করছিলাম, কিন্তু যখনই এটার জন্য এপ্রোচ করতে গেছি, কাছের মানুষ বা যাদের কাছে সাজেশনের জন্য গিয়েছিলাম। তারা সবাই বলতেন, বুয়েটের কারিকুলাম এর সাথে পেশাগত ফুটবল খেলা মানিয়ে নিতে কষ্ট হবে। তারপর আর যাওয়া হল না, কোন লিংকও পাই নি যাওয়ার। আমার এখনও ইচ্ছা আছে পেশাদার ফুটবল খেলার। বুয়েটের মারুফ স্যার আছেন, বাংলাদেশের ন্যাশনাল টিমের কোচ ছিল। উয়েফা লাইসেন্স প্রাপ্ত। উনি বুয়েট টিমের প্রাকটিস করিয়েছিলেন, কিন্তু এখন ও সাহস হয়নি কথাটা বলার।

খোশগল্প.কম: তুমি শুধু ফুটবল না, গিটারিস্ট হিসেবেও বেশ পরিপক্ব। এখানে তোমার যাত্রা  কিভাবে হল?

ফখরুল: আমার ছোটবোন এক্ষেএে আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে, ওর কো কারিকুলার একটিভিতে আগ্রহ আছে। মিউজিকের প্রতি ওর একটা আগ্রহ ছিল। তখন চিটাগাং ইউনিভার্সিটিতে পড়তও। গিটার, বাঁশি ছিল আমাদের বাসায়। বাসায় গিটার ছিল , তার ফ্রেন্ডরা এসে বাসায় গিটার বাজাত। এইচএস সির পর আমি গিটার শেখা শুরু করি। চিটাগাঙের একটা ভাই ছিল, নাসিম ভাই নামে, তার কাছ থেকেই গিটার শিখেছিলাম।

খোশগল্প.কম: জেনারেলি কো কারিকুলার একটিভিতে ফ্যামিলির অনেক বাধা আসে, তোমার ক্ষেত্রে কি এরকম টাই হয়েছে?

ফখরুল: পড়ালেখার দিকটা ঠিক রাখলে আম্মু আব্বু আর বাধা দিত না। আমি ফুটবল খেলতাম আম্মু জানত, কিন্তু স্কুল-কলেজ বাদ দিয়ে ফুটবল খেলি নাকি এত মাথা ব্যথা তার ছিল না। সে আমাকে যথেষ্ট স্বাধীনতা দিছে, আমি ফুটবল খেলে সে স্বাধীনতা কাজে লাগাইছি। এছাড়া মানুষজন এই স্বাধীনতা পেয়ে নষ্ট হয়ে যায়, আমাদের কপাল ভালো আমরা এত স্বাধীনতা পেয়েও বিগড়ে যাই নি।

খোশগল্প.কম: এসব কর্মকাণ্ডের দিকে ফোকাস হইলে কি সিজিপিএ কমে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে?

ফখরুল: না, ক্ষতি হওয়ায় কোন কারণ নাই। আমাদের সাথে অনেকেই খেলেন যাদের সিজিপিএ ঠিক আছে। সাকিব তার ডিপার্টমেন্ট  এ এখনও এক থেকে চারের মধ্যে আছে। ডিকো ভাই, উসামা স্যার বুয়েট টিমে খেলতেন আবার হল ফুটবলে খেলতেন। তারা এসব কিছুর পরও সিজিপিএ  ঠিক রেখেছিলেন। এক্ষেএে ডিটারমিনেশন দরকার।

খোশগল্প.কম: ফুটবল একটা সময়ে বেশ জনপ্রিয় ছিল, এখন ভালো রকমের ভাটা পড়েছে। তোমার কি মনে হয়  দর্শক প্রিয়তার জায়গাটা পুনরুদ্ধার সম্ভব?

ফখরুল: হ্যাঁ সম্ভব। বাংলাদেশের ক্রিকেট টিম আন্তর্জাতিক খেলতে পারছে বলে এত জনপ্রিয়তা। ফুটবল খেলারও জনপ্রিয়তা আছে। হলে রীতিমত এলক্লাসিকোর সময় মারামারি লেগে যায় ২ পক্ষ নিয়ে। বাংলাদেশের ফুটবল টিম অনেকদিন ধরে কিছু দিতে পারছে না বলে আগ্রহ টা কমে আসছে। ফুটবলের স্ট্রাকচারটা ভালো না, সুযোগ-সুবিধা নেই। যদি বাফুফে ইচ্ছা করে ফুটবলের জনপ্রিয়তা আনতে চায়, তাহলে পারবে ।

খোশগল্প.কম: তুমি পার্সোনালি কী মনে কর, স্ট্রাকচারে  কী রকমের চেঞ্জ দরকার?

ফখরুল: বুয়েটের টিমে যারা খেলছে, আমি পার্সোনালি বিশ্বাস করি ন্যাশনাল টিমে খেলার যোগ্যতা তাদের আছে। কিন্তু তাদের প্রফেশনালি খেলার কোন ইচ্ছা নেই। ক্রিকেট খেলার জন্য অভিভাবকেরা বাচ্চাদের ধরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু ফুটবলের প্রতি কারো আগ্রহ নাই। আগ্রহটা তৈরি করতে হবে ছোটবেলা থেকে। বড় হলে ভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে কেউ যাবে না প্রফেশনাল ফুটবল খেলা শিখতে। আমার মতে একেবারে রুট লেভেল থেকে কাজ করা উচিৎ, একেবারে বাচ্চাদের নিয়ে।

খোশগল্প.কম: তোমার হল লাইফ কেমন যাচ্ছে?

ফখরুল: ভালো ই যাচ্ছে।

খোশগল্প.কম: হল নিয়ে অনেকেরই অনেক রকমের অনুযোগ থাকে, সে ক্ষেত্রে তোমার মতে হলের কি কি পরিবর্তনযোগ্য ?

ফখরুল: আমি রশিদ হলে থাকি। প্রথম কয়দিন গণরুমে ছিলাম। তারপর সিট পেয়ে যাই। রশিদ হলে সবাই ভালো। সিনিয়র জুনিয়রদের সম্পর্কও বেশ ভালো।

খোশগল্প.কম: চিটাগাঙের স্কুল-কলেজের এমন কোন ফিলোসফি যা তোমার এখনও কাজে লাগছে?

ফখরুল: একটা মানু কে চোখ বন্ধ করে বা অল্প সময়েই ভালো বলে দেওয়া উচিৎ নয়। মানুষ কে চেনা যায় যখন তার স্বার্থ নিয়ে টান পড়ে। সে যদি আমার বিপক্ষে থাকে তখন তাকে আরও ভালো ভাবে চিনা যায় ।

খোশগল্প.কম: তুমি বললে, ”মানুষ চেনা যায়, স্বার্থে”। তুমি কি এ ক্ষেত্রে প্রতারিত বা বিশ্বাসঘাতকতার পেক্ষিতে একথা বলছ?

ফখরুল: আমার লাইফে কখনও এমন কিছু ঘটে নাই। আমি সবসময়ই অবজার্ভ করে চলি । চুপচাপ থাকার একটা সুবিধা হচ্ছে ফ্রেন্ডরা এসে অনেক কিছু বলত। সেখান থেকে অনেক কিছু শিখেছি ।

খোশগল্প.কম: তোমার মত যারা কথা কম বলে, তাদেরকে অনেকেই সুবিধাবাদী বলে থাকেন, তুমি কী  মনে কর এক্ষেত্রে?

ফখরুল: ব্যাপারটা সত্য না, যারা আমার সাথে মিশে তারা জানে আমি কতটা খোলামেলা, ফ্রেন্ডলি, লেইম?  তারপরও অনেকে কিছু বলে এটা ব্যাপার নাহ।

খোশগল্প.কম: তোমার ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা কি?

ফখরুল: আমি না করত পারি না । আমাকে যদি কেউ এসে কিছু বলে, আমার খুব অসুবিধা হয়ে যাবে এমনকিছুতেও আমি না বরতে পারি না।

খোশগল্প.কম: তাহলে কি তুমি আবেগপ্রবণ?

ফখরুল: হুম, কিন্তু মানুষজনকে দেখানোর মত না। আমার কাছের মানুষজন জানে আমি কতটা আবেগপ্রবণ।

খোশগল্প.কম: তুমি একবার শাহবাগে একটা খারাপ কাজে বাঁধা দিতে গিয়ে নিজেও আহত হয়েছিলে, ঘটনাটা কি ছিল?

ফখরুল: ১/১ বা ১/২ তে।আমি সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলাম। দেখলাম  একটা মেয়েকে কয়েকটা ছেলে ডিস্টার্ব করতে ছিল। তখন আমি কাছে গিয়ে প্রতিবাদ করলে তারা আমার সাথেও তর্কাতর্কি করে। এক পর্যায়ে আমি সাইকেল থেকে পড়ে যাই এবং হাত কিছুটা ছিলে যায়।

খোশগল্প.কম: এই যে প্রতিবাদ করার প্রবণতা এটা কি স্কুল লাইফ থেকেই ছিল?

ফখরুল: না, আমি স্কুল লাইফে খুব লাজুক ছিলাম, কথা অনেক কম বলতাম। তবে চাইতাম অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে। কিন্তু করতে পারতাম না বলে এটা নিজকে খুব ভোগাত। তারপর ভার্সিটি তে উঠে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করছি। বেশ কয়েক জায়গায় করেছিও। তারপর এক্সপিরিয়েন্স এর জন্য নিজের মানসিকতা আরও শক্ত হয়েছে।

খোশগল্প.কম: তুমি কি স্বার্থপর?

ফখরুল: না, এটা আমি বলতে পারি আমি মোটেও স্বার্থপর না।

খোশগল্প.কম: কিন্তু মানুষের মধ্যে তো বাই-বর্ন  স্বার্থপর হয়?

ফখরুল: মানুষ স্বার্থপর হবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমি নিজের স্বার্থের জন্য অন্যের লেজে পাড়া  দিয়ে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করব না।  এই নীতি তে আমি না।

খোশগল্প.কম: তোমার এথিকস গ্রো করার পিছনে কোন মানুষের অবদান আছে?

ফখরুল: আমার মনে হয় ছোট ভাইয়ার, আমরা ২ জন মারামারি করতাম। কিন্তু স্কুলে আসার পর আর মারামারি হয় নাই। আমরা একই স্কুল-কলেজে পড়েছি, তখন আমাদের মধ্যে একটা আলাদা ধরনের সম্পর্ক হয়। আমার অনেক কথাবার্তা বলতাম। অনেক জ্ঞানগর্ভ আলোচনা হত। আমি এর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতাম ও আমার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখত।  তো এভাবে আমার মধ্যে এথিকস গ্রো করে।

খোশগল্প.কম: তোমার আইডল কে?

ফখরুল: আমি কখনোই কারো মত হতে চাই না। একসময় ছোটবেলায় জাফর ইকবাল স্যারকে পছন্দ করতাম, তখন তারমত হতে চাইতাম। এখন আসলে কারো মত হওয়ায় ইচ্ছা নাই। আশেপাশের মানুষকে দেখে অনেক অনুপ্রাণিত হই। অনেক সিনিয়র ও জুনিয়র আছে যারা অনেক কিছু করে, যেটা আমার মধ্যে নাই  এদের দেখে ও অনুপ্রেরিত হই।

খোশগল্প.কম: গল্পের বই পড়?

ফখরুল: হুম, জাফর ইকবাল স্যারের সব বই পড়েছি। তবে এটা একটা আফসোস যে স্যারের সাথে ছবি তোলা হয় নাই।

খোশগল্প.কম: ম্যাথ অলিম্পিয়াডের সাথে তোমার সম্পর্ক কিভাবে?

ফখরুল: আমার বড় ভাই ম্যাথ অলিম্পিয়াড দিত, তখন সে পুরস্কার পাইছে। তার থেকে দেখেই ম্যাথ অলিম্পিয়াডে যাওয়া। প্রথম প্রথম কোন পুরস্কার পেতাম না। সবসময়ই  দিয়ে আসতাম ম্যাথ অলিম্পিয়াড। ম্যাথ অলিম্পিয়াড আমার জীবনে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ম্যাথ অলিম্পিয়াডের জন্য আমি সলভিং করা শিখছি। আমি বিশ্বাস করি সলভিং করা একটু মানুষকে মানুষ হিসাবে উন্নত করে, স্মার্ট করে। এখন একাডেমিক মেম্বার হিসাবে যুক্ত আছি।

খোশগল্প.কম: ম্যাথ অলিম্পিয়াড, ফুটবল, গিটার আর কোনো কারিকুলার একটিভিতে যুক্ত আছ?

ফখরুল: না ।

খোশগল্প.কম: মানুষ হিসাবে অপূর্ণতা  কী?

ফখরুল: আমি এক্সট্রোভার্ট হইতে পারি নাই। মানুষ কাছের মানুষ, বন্ধু-বান্ধবের অনেক খেয়াল রাখতে পারে আমি এইটা কখনোই পারি নাই। এটা নিজের কাছে খারাপ লাগে। কেন এত খামখেয়ালী স্বভাবের। বন্ধুরা প্রায়ই অনেক ইমোশনাল কথা বলে। অনেক চেষ্টা করছি কিন্তু পাল্টাতে পারিনি। এটা পাল্টাতে পারলে ভালো হত।

খোশগল্প.কম: তোমার ফিউচার প্লান কি, সবকিছু নিয়ে?

ফখরুল: আমি ঠিক করতেছি, এখন তো ২/২ তে পড়ি। আমি এখন সার্চ করতেছি কি কি করা যায়, কি কি স্কোপ আছে সেগুলো নিয়ে। ৩/১ গিয়ে ডিসিশন নিব কোনদিকে যাব? পিএচডি বাইরে গিয়ে করব নাকি সেটা নিয়ে অনেক কনফিউজড। আমাদের ফ্যামিলি অনেক বড়। আমরা ৫ ভাই বোন। বড় ভাই এখন বাইরে আছে, প্রোপারলি আমি শেষ করতে করতে ভাইয়া চলে আসবে। বড়রাই ডিসিশন নিবে আমি কি করব। দেশ আর জাতির কথা বলতে গেলে অনেক কিছু করার আছে। বললেই কিছু করা যায় না দেশের জন্য, আমার যতটুকু করার আছে আমি ততটুকুই করব। বিদেশ গিয়ে থাকার ব্যাপারে আমি কখনোই বিশ্বাসী না। দেশের একটা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউশনে আমাকে ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে গড়ে তোলা হচ্ছে, তার জন্য দেশের অনেক খরচ হচ্ছে । চেষ্টা করব দেশের জন্য কিছু করার। কিন্তু এখনও ঠিক করিনি কি করব। সময় সুযোগ পেলে করব ।

 

 

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

মতামত