তাসাউফ-বিন-ফারুক, কাজ করছেন অন্যরকম গ্রুপের মানব-সম্পদ বিভাগে, তুমুল আগ্রহ নিত্য নতুন গ্যাজেট নিয়ে।পরিকল্পনামাফিক কাজ না করলেও জীবনের কোন এক সময় ‘ওল্ড হোম’ বা ‘চাইল্ড হোম’ তৈরির পরিকল্পনা রেখেছেন।

আরেকটা স্বপ্ন ছিলো নাসাতে চাকরি করার

লিখেছেন...admin...জানুয়ারী 12, 2016 , 9:57 পূর্বাহ্ন

10295386_10203754072556455_6115543350344528840_o

খোশগল্প.কম: কি নিয়ে ব্যাস্ত আছেন?

তাসাউফ: এই মুহুর্তে স্পেসিফিক কিছু নিয়ে ব্যাস্ত না, মাঝখানে দেড়’মাস ব্যাস্ত ছিলাম ‘অদম্য বাংলাদেশ’ ইস্যুটা নিয়ে।এখন একটু রিল্যাক্স আছি।

 

খোশগল্প.কম: অন্যরকমে আপনার কাজ কি?

তাসাউফ:আমার কাজ হচ্ছে মুলত হিউম্যান রিসোর্স নিয়ে, তো এই জিনিসগুলাই দেখি।যেমন রিক্রুটমেন্ট, পারফরম্যান্স, ইনক্রিমেন্ট এগুলাই।

 

খোশগল্প.কম: এখানে আছেন কতদিন থেকে?

তাসাউফ:পারমান্যান্টলি জয়েন করেছি ২০১৩ এর জানুয়ারি তে।এর আগে ১২ এর অক্টোবরে ইন্টার্ন হিসেবে ঢুকি, ‘ব্র্যাক ব্যাংকে’ ইন্টার্ন করি মিনটাইম বাসায় বসে অন্যরকম এর কাজ করতাম।পরে ফুল টাইমে জয়েন।

 

খোশগল্প.কম: আপনার পড়ার বিষয়বস্তু আর এখনকার কাজ কি সামঞ্জস্যপূর্ণ?

তাসাউফ:না।আমি বিবিএ করেছি, বিবিএ তে হিউম্যান রিসোর্স আছে বাট মেজর হচ্ছে ফিন্যান্স, কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফিন্যান্স এ আসলে গৎবাঁধা কাজ, আমি যত উপরের লেভেলে যাই না কেন অল্প কিছু কাজের বাইরে নতুন করে করার মত কিছু নাই আসলে।তাই কাজের ক্ষেত্রটা ফিন্যান্স হয় নাই।

 

খোশগল্প.কম: ফিন্যান্স পছন্দের বিষয় না?

তাসাউফ:ফিন্যান্স ভালো লাগতো কিন্তু ঐ যে বললাম স্পেসিফিক কাজের বাইরে যাওয়ার মত বা নতুন কিছু করার মত তেমন একটা সুযোগ নাই।কাজের ক্ষেত্র ব্যাংক, ফিন্যান্সিয়াল কোম্পানি এগুলাই।আমি যখন ব্রাক ব্যাংক ইন্টার্ন করতে শুরু করি খেয়াল করলাম যে আমার আসলে নিত্য নতুন করার মত কিছু নাই, যত উপরেই যাই কাজের পরিধি খুব একটা বাড়ছে না।কাজ শুরু করার ২/৩ বছরের মাথায় প্রমোশন পেলেও কাজের রেস্পন্সিবিলিটি তেমন একটা চেইঞ্জ হচ্ছে না, এটা আমার জন্য বিরক্তিকর।তখন আমি দেড় মাসের মাথায় রিজাইন করি, তারা এটা এক্সেপ্ট করে নাই, তারপর আমি দশ দিন বাকি থাকতে ইনফরমালি চলে আসি, অনেক পরে যেয়ে কাগজ জমা দিয়ে চলে আসি।

 

খোশগল্প.কম: ওখানে বোরিং লাগতো, এখানে?

তাসাউফ:আমি যখন এখানে শুরু করলাম HR ডিপার্টমেন্ট তখন এতটা গোছানো ছিল না, সো আমার করার মত অনেক কিছু ছিলো, বোরিং তো পরের ব্যাপার বরং ইন্টারেস্টিং পাচ্ছি।

 

খোশগল্প.কম: এখনও?

তাসাউফ:হ্যা, কারণ এখনো করার মত অনেক কিছু আছে।HR এ যারা কাজ করবে, বিশেষ করে অন্যরকমে যারা কাজ করবে তাদের জন্য নতুন নতুন বিষয়ের কখনো অভাব হবে না।এখানে ট্রায়াল চলতেই থাকে, সো বোর হওয়ার সুযোগ নাই বরং মজা পাবে।

 

খোশগল্প.কম: তাহলে কি মজার মধ্যে কাজ খুঁজছেন নাকি কাজের মধ্যে মজা?

তাসাউফ:না, মজার মধ্যেই কাজ খুঁজি।কাজের মধ্যে মজা খুঁজতে গেলে আগে আমাকে কাজে যেতে হবে তারপর সেখান থেকে মজা খুঁজে নিতে হবে।এটা ডিফিকাল্ট।

 

খোশগল্প.কম: এভাবে কি কুলিয়ে উঠা সম্ভব?

তাসাউফ:কুলিয়ে উঠতে না পারার কোন কারণ নাই।আগেই বলেছি HR ডিপার্টমেন্ট আমার পছন্দ, আর এখানে সব সময়ই ট্রায়াল, পারফরম্যান্স এগুলা হতেই থাকে, তো ২০-৩০ বছরের আগে বোর হওয়ার পসিবিলিটি নাই।আমি এর বাইরে CSR  নিয়েও মাঝে মাঝে কিছু কাজ করি, সো সেখানেও নতুনত্ব পাই।

 

খোশগল্প.কম: তাহলে কি দাঁড়ায় কাজ আর আনন্দ আসলে দুটো বিপরীত বিষয়?

তাসাউফ:কাজ আর আনন্দ সাংঘর্ষিক না।যে যে বিষয়ে প্যাশনেট সে বিষয়ে কাজ করলে আনন্দ সব সময়ই পাওয়া যায়।

 

খোশগল্প.কম: এই মূহুর্তে যেটা করছেন সেটা কি দায়িত্ব নাকি প্যাশন থেকে?

তাসাউফ:প্যাশন থেকে।

 

খোশগল্প.কম: বই পড়েন?

তাসাউফ:না, বলার মত তেমন রীডার আমি না।এখানে যেমন সবাই অনেক বই পড়ে, ওরকম না।স্কুল লেভেলে পাঠ্যপুস্তকের বাইরে আমার কোন বই পড়া হয় নি।জীবনের লম্বা একটা সময় বই না পড়েই কাটিয়েছি।ইউনিভার্সিটিতে উঠার পর কিছু পড়েছি, জবে ঢোকার পর থেকে একেবারেই পড়া হয় নি।

 

খোশগল্প.কম: তাহলে আপনার জন্য ইন্সপিরেশন এর জায়গা কোনটা?

তাসাউফ:ওয়েল, ইন্সপিরেশন এর জায়গা পরে বলি।আমার লাইফে একটা ট্রাজেডি আছে।স্টুডেন্ট লাইফে আমি কখনোই ভালো ছাত্র ছিলাম না, ভালো করা তো দূরে থাক বাজে স্টুডেন্ট ছিলাম।আর আমার সিনিয়র-জুনিয়র কাজিনরা ছিলো মারাত্নক ধরনের ভালো ছাত্র-ছাত্রী, স্ট্যান্ড করা পর্যায়ে।তাদের মাঝে পড়ে আমি ছিলাম পিষ্ঠপ্রায়।তো ইন্সপিরেশন এর কথা যদি বলি তো এক সময় রিয়েলাইজ করলাম এরকম ভাবে অবহেলিত হওয়া যাবে না, কিছু একটা করতে হবে।তখন যেটা শুরু করলাম বই পড়া।তো বঞ্ছনা থেকেই ইন্সপিরেশন টা আসছে।

আর আরেকটা বিষয় হচ্ছে আমার একটা কাজিন আছে, বলা যায় আমি ওর ফলোয়ার, করে খাওয়ার জন্য অনেক কিছুই করে, এর বাইরেও অনেক কিছু করে, ও ইউনিভার্সিটিতে পড়ায়, একটা সফটওয়্যার কোম্পানীতে ম্যানেজার বাট ফলোয়ার এই কারণে সে এর বাইরেও অনেক কিছু করে।সে খুব স্মার্ট ধরনের লোক, ঘোরাঘুরি করে, ফিশিং এ যায়, আড্ডা দেয়, খুব ইন্সপায়ারিং কথা বলে, ইম্পোর্ট্যান্ট বিষয় হচ্ছে তার মধ্যে নূন্যতম প্রাউড বলি ভাব বলি কোনটাই ফিল করে না।সে বলার মত অনেক কিছু আছে বাট কখনো প্রকাশ করে না।এই জিনিসটা আমাকে খুব ইন্সপায়ার করে একটা মানুষ এই লেভেলে যাওয়ার পরও খুব সিম্পল লাইফ থাকার চেষ্টা করে।

 

খোশগল্প.কম: ক্যারিয়ার বা কাজ নিয়ে কখন থেকে কিভাবে ভাবতে শুরু করেন?

তাসাউফ:যখন ইউনিভার্সিটিতে পড়ছি তখন বিভিন্ন অর্গানাইজেশন সম্পর্কে জানছিলাম, তখন ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবতে শুরু করলাম, তখন থেকেই আমার মধ্যে চিন্তা আমি গভর্ণমেন্ট জব করব না, কারণ হচ্ছে ওখানে বোরিংনেসটা খুব বেশি, দায়িত্ব বেশি, সময় ধরে ছকে বাঁধা কাজ।

 

খোশগল্প.কম: বেসরকারী চাকরি গুলোও তো এরকম ৯-৬ টার, এটা কি খুব বেশি ইন্টারেস্টিং ?

তাসাউফ:আমি অন্য কর্পোরেট গুলার সাথে কম্পেয়ার করে বলি, অন্যরকম বেস্ট এটা বলছি না বাট যে কর্পোরেট কানুন লাইক স্যুট-টাই-শ্যু পড়ে আসতে হবে, একদম কাঁটায় কাঁটায় ৯টায় আসতে হবে, স্যার বা বস সম্বোধন করতে হবে এই জিনিসগুলা আমার জন্যে বেশি বিরক্তিকর, সেই তুলনায় আমি এখানে পাঞ্জাবি, স্যান্ডেল, টি-শার্ট পড়ে আসতে পারি সো আমাকে এটা খুব বেশী বদার করে না।

 

খোশগল্প.কম: শুধু এইটুকুই প্রেফার করার কারণ ?

তাসাউফ:প্রেফারেন্স এর কারণ হচ্ছে আমি আশে-পাশে বন্ধুবৎসল পরিবেশে থাকাটা পছন্দ করি।এখানে যেমনটা আছে।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে অন্যরকম হচ্ছে এমন একটা জায়গা এখানে কেউ যদি কোন ড্রীম নিয়ে আসে যে আমি এই সেক্টরে কাজ করতে চাই বা আমি প্যাশনেট সে এখানে সেই বিষয়েই কাজ করতে পারবে, এটা এটা অন্যরকমের এর একটা বড় বিষয়।

 

খোশগল্প.কম: আপনার স্বপ্ন ছিলো কোন?

তাসাউফ:ছোটবেলায় আমার কখনোই জেদ ছিলো না কোন কিছু হওয়ার প্রতি।

হ্যা, ক্যারিয়ার নিয়ে যখন ভাবতে শুরু করি তখন থেকে একটা জিনিস স্বপ্ন দেখতাম, আমি হয়তো এক সময় নিজে কোন একটা কোম্পানি লিড করবো এজ এ সিইও।

 

খোশগল্প.কম: আগ্রহের বিষয় কি কি?

তাসাউফ:আগ্রহের এর জায়গা অনেক কিছু নিয়ে।যেমন গ্যাজেট নিয়ে, টেকনলজি নিয়ে।নতুন কোন টেকনলজি আসলো I want test it, আমার ঐটা থাকতেই হবে এমন না বাট আমি টেস্ট করতে চাই।ধারে নিয়ে হলেও ইউজ করে দেখতে চাই।গাড়ির প্রতি আছে বাট ওরকম মেজর কিছু না।

 

খোশগল্প.কম: ধর্ম আর বিজ্ঞান কী মনে হয়? সাংঘর্ষিক?

তাসাউফ:ধর্ম আর বিজ্ঞান বিষয়টা মোটেও সাংঘর্ষিক না।একজন কেউ মতামত দিলো আমাকে সেটা মেনে নিতে হবে এমন তো না।ধর্ম বিষয়টা বিশ্বাস এর উপর।আমি যে ধর্ম টা পাচ্ছি ঐটা বিলিভ করি তাইলেই তো হইলো।ধর্ম টা আমাদের মধ্যে আগে আসে কারণ বাই বর্ন আমরা এটাকে পাচ্ছি।হতে পারে আমি হিন্দু পরিবারে জন্ম নিয়েছি এর মধ্যে যেটা পালন করা উচিত মনে হবে সেটাই করবে, সেক্ষেত্রে সেটাকে যে পারফেক্ট মনে করবে।

 

খোশগল্প.কম: পারফেক্ট বোঝার জন্য তো সব ধর্মকেই জানতে হবে, আপনি পড়েছেন সব ধর্ম?

তাসাউফ:না আমি পড়ি নাই। আমি মুসলিম ফ্যামিলিতে জন্মেছি, আমি ওইটাই পালন করছি পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে বাট আমি যেটা করতে চাই যে এই ধর্মেই আমি অনেক কিছু জানি না, আমি সেটা জেনে তারপর ভালোমত পালন করতে চাই।আর আমার মনে হয় নিজের ধর্ম ভালোভাবে পালন করার জন্য অন্য ধর্মটাও জানা প্রয়োজন, তাতে মনে হয় নিজের ধর্মটা স্ট্রং হয়।

 

খোশগল্প.কম: আমরা কি আসলে বড় হতে চাই নাকি অন্যকে নিজের চাইতে ছোট অবস্থানে দেখতে চাই?

তাসাউফ:আমার কছে ফিলোসফিটা ভিন্ন, আমি বড় হতে চাই, অন্যকে নিচে দেখতে চাই এগুলার মধ্যে পার্থক্য আছে।ইন্টেনশনালি যদি আমি অন্যকে নীচু অবস্থানে দেখতে চাই, ইন ফ্যাক্ট  আমরা সবাই ঐভাবেই চাই।তবে সবাই যে বিষয়টা উপভোগ করে এমন না, বাট ক্রিমিনাল থিঙ্কিং টা প্রাকটিস করি, আমি বড় হবো, অন্যকে হতে দিবো না, ৯০% ই এরকম।

 

খোশগল্প.কম: আপনি কোনটা?

তাসাউফ:এখনো শিওর হই নাই।নিজের জাজমেন্ট করা আসলে মুস্কিল।ঐরকম এনভায়রনমেন্ট না হওয়া পর্যন্ত বলাটা ডিফিকাল্ট।

 

খোশগল্প.কম: ক্রাইসিস মানুষকে ডিসকারেজ করে নাকি ম্যাচিউর করে?

তাসাউফ:ক্রাইসিসে মানুষ পড়লে অইটাকে উতরালে মানুষ ম্যাচুরিটি এচিভ করে, আদারওয়াইজ না। আর এটা মানুষকে সাময়িক ভাবে ডিস্কারেজ করলেও ইট’স আ অপরচ্যুনিটি।যে ছেলেটা বদ্ধ পরিবেশে বড় হচ্ছে আর যে বাইরের খোলামেলা পরিবেশে বড় হচ্ছে তারপর তাদের যখন বয়স ৩০ এটা খুবই স্পষ্ট যে কে তাদের মধ্যে ম্যাচিউর।বাইরে থাকা ছেলেটার জন্য বাইরে থাকাটা ক্রাইসিস।বাট তাকে এই জিনিসটা ম্যাচিউর করছে, যদি না সে ভেঙ্গে পড়ে।আমার ইউনিভার্সিটি লাইফে ঘটা ভিন্ন ভিন্ন ক্রাইসিস আমাকে পরিণত করেছে।যার ফলে এখন কোন প্রব্লেমে পড়লে সেটা ওভারকাম করতে পারি।

 

খোশগল্প.কম: মানুষ হিসেবে জন্ম নিয়ে আমাদের ফিলোসফি কি হওয়া উচিত বলে আপনার মনে হয়?

তাসাউফ:এক এক জনের জন্মাবার হেতু টা এক এক রকম, এই জিনিসটা আমার মধ্যে বেশ কিছুদিন হলো গ্রো করেছে যেটা আগে ছিলো না, মানুষের জন্য কিছু করবো, আমি নির্দিষ্ট সময় পর মারা যাবো বাট একটা কিছু করে যাই যেটা আমাকে মানুষের মধ্যে রাখবে, এটাই ফিলোসফি হওয়া উচিত।

 

খোশগল্প.কম: কোন পরিকল্পনা আছে সামনে?

তাসাউফ:আমার লাইফ অত গোছানো না, আমি গুছিয়ে পরিকল্পনা করে সামনে আগাই না। টার্গেট সেট করি দ্যান ঐটা চেষ্টা করি।আর দেরীতে হলেও আমার একটা ভিলেজ মত বা ওল্ড প্লাস চাইল্ড হোম করার ইচ্ছা আছে।এটা লম্বা প্লান।

 

খোশগল্প.কম: প্রফেশনালি?

তাসাউফ:প্রফেশনালি কাজ গুছিয়ে করতে চাই, আর ওরকম কোন প্লান নাই।ঐ যে বললাম গুছিয়ে করি না।

 

খোশগল্প.কম: এই অবস্থানে বসে রিগ্রেট ফিল করেন কিছু নিয়ে?

তাসাউফ:হ্যা আফসোস হয়, আগের যে সময় গুলা ‘উইদাউট এনি প্রোডাক্টিভিটি’ কাটিয়ে এসছি ফেরত পাওয়ার আফসোস হয়, এখন যেমন বুঝতে পারছি তখন যদি ভাবতাম তাহলে হয়তো জিনিগুলা হারাতাম না, কিছু একটা হইতাম বা এখনকার চাইতে ভালো কোথাও থাকতে পারতাম।আরেকটা স্বপ্ন ছিলো নাসাতে চাকরি করার, আফসোস হয় পড়ালেখা করলে হয়তো কয়েকটা ট্রাই করতে পারতাম।

 

খোশগল্প.কম: লেখালেখি করেন বা আগ্রহ আছে?

তাসাউফ:লেখালেখির আগ্রহ ছিলো না, এখন ইদানিং টুকটাক লিখালিখি করতে ইচ্ছে হয়, পার্সোনাল ডায়েরীতে লিখি।

 

 

 

 

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

মতামত