মোঃ আমিমুল এহসান, পেশায় একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার । একজন উদ্যেক্তা ও বটে।সবকিছু মিলিয়ে জীবনের পরিকল্পনা, সুখে থাকতে চান, সবাই কে সুখে রাখতে চান । বাকি গল্প টা তার কাছ থেকেই শুনব ।

একসময় ভাবতাম বিদেশ গিয়ে থাকব, পরে গিয়েছিলাম; ভালো লাগে নি

লিখেছেন...admin...ফেব্রুয়ারী 25, 2016 , 4:42 পূর্বাহ্ন

chunnu

খোশগল্প.কম: প্রথমে পুরো নাম জানতে চাইব

আমিমুল: মোঃ আমিমুল এহসান ।

খোশগল্প.কম: তাহলে আপনাকে চুন্নু নামে কেন ডাকে ?

আমিমুল: আমার জন্মের সময় চুন্নু নামে একজন ফুটবলার ছিল নামকরা, আমার আপা আমার ২ বছরের বড় ছিলেন । তিনি বোধহয় যে কোন ভাবে নাম টা জেনেছেন, আপার বোধহয় নাম ভালো লাগছিল । তারপর আপা এই নাম রেখে দিলেন, তারপর থেকেই সেই নামে ডাকা হচ্ছে ।

খোশগল্প.কম: এখন কি সবাই আপনাকে চুন্নু নামে চিনে ?

আমিমুল: আমার যারা পূর্ব পরিচিত তারা চুন্নু নামে ডাকে, কিন্তু প্রফেশনাল লাইফে সবাই এহসান নামে ডাকে।

খোশগল্প.কম: আপনার পরিচয় জানতে চাইলে, কিভাবে নিজের পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন ?

আমিমুল: আমি বলব, আমি আমিমুল এহসান । পেশা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং । বাড়ি ঘর বানাই বলতে চেষ্টা করি ।আর ও বেশী কিছু বলতে গেলে, আমার স্ত্রী ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। আমাদের ২ বাচ্চা আছে, একটা মেয়ে, একটা ছেলে । মেয়ের চার বছর স্কুলে যায় আর ছেলেটা মাত্র ২ মাস বয়স । আমি আগে চাকরী করতাম, চাকরী ছেড়ে দিয়ে এখন একটা ডিজাইন ফার্ম দিয়েছি । প্রায়ই একবছর হল কাজ করতেছি । আর মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য হল, জাইকা, স্কয়ার গ্রুপ সহ কয়েকটা মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানির কাজ করেছে ।

খোশগল্প.কম: জব ছেড়ে দিয়ে নিজে করার চিন্তা আসল কিভাবে ?

আমিমুল: আমি প্রথম একটা ইউনিভার্সিটিতে কিছুদিন টিচিং করেছিলাম, তারপর একটা ডিজাইন ফার্মে কিছুদিন । এরপর শান্তা রিয়েল স্টেট এ প্রায়ই চার বছর  কাজ করলাম । ডিজাইনের প্রতি ভালো লাগা ছিল আগ থেকেই, ভাবলাম ভিন্ন ভাবে কিছু করার চেষ্টা করা যায় । সেখান থেকেই শুরু করলাম ।

খোশগল্প.কম: অন্য কোথায় কাজ করা আর নিজের অফিসে কাজ করার মধ্যে পার্থক্য কি ?

আমিমুল: আমার কাছে মনে হয়, লোড টা বাসায় নিয়ে আসা লাগে না তেমন । কাজ করলাম ঐখানটার ঐখানে শেষ । একটা স্বাভাবিক গতিতে কাজ করলে একটা সময় অফিসে উন্নতি হবে । আর নিজের এখানে কাজ করার ইচ্ছা হল আমার অনেক স্বাধীনতা থাকে । যে কোন জায়গায় কাজ করা যায়, যতটুকু লোড নিতে ইচ্ছা হল ঠিক ততটুকুই করা যায় ।এখানে অনেক অপশন আছে, কাজ ভালো না লাগলে ছেড়ে দেওয়া যায় । বিভিন্ন জনের সাথে দেখা, অনেকের সাথে দেখা হয় । ব্যাসিক্যালি জানার অপশনটাই বেশী, আমরা ইঞ্জিনিয়ার তো, আমাদের যতদিন যাবে আমাদের অভিজ্ঞতা বাড়বে, আমরা শিখব, এপ্লিকেশন টাও বাড়বে ।

খোশগল্প.কম: আপনি কোন্ ব্যাচ ছিলেন ?

আমিমুল: আমি বুয়েটের ২০০০ ব্যাচ ছিলাম ।

খোশগল্প.কম: যখন পড়তেন তখন কি ভাবতেন, কি করবেন ?

আমিমুল: একসময় ভাবতাম বিদেশ গিয়ে থাকব, পরে গিয়েছিলাম ভালো লাগে নি । চলে আসলাম তারপর ।

খোশগল্প.কম: ইঞ্জিনিয়ার ইন্সটিউশনের বেশিরভাগ ছাত্রদের একটা ট্রেন্ড থাকে যে বিদেশে চলে যায়; এটা নিয়ে কি বলবেন ?

আমিমুল: আমাদের দেশে আসলে মেধার প্রকৃত মূল্য দেওয়া হয় না, যারা  এখানে পড়তে আসে তারা আসলে বাছাইকৃত ছেলে-মেয়ে । তাদের স্বপ্ন থাকে পড়ালেখা শেষ করে অনেক কিছু করবে, কিন্তু মার্কেটে গেলে দেখা যায় মার্কেট টা নিয়ন্ত্রণ করছে অন্য পেশার মানুষজন । যারা টাকা পয়সা কম দেয়, মূল্যায়ান করে না । যার ফলে সবাই বাইরে যায়, বাইরে গেলে বুঝতে পারে যে কাজের স্কোপটাও ভালো, টাকাও ভালো পাওয়া যায় । সোশ্যাল স্ট্যাটাসটাও ভালো, আমাদের দেশে তো পড়ালেখা আর সোশ্যাল স্ট্যাটাসের মধ্যে মিল নাই ।

খোশগল্প.কম:আপনি কি পি এইচ ডি করতে গিয়েছিলেন ?

আমিমুল: না আমার একটা পোস্ট গ্র্যাজুয়েট করতে,আমি ছিলাম ইউকে তে । ঐটা করেই চলে আসছি ।

খোশগল্প.কম: চলে আসলেন কেন ?

আমিমুল: থাকি নাই অনেক কারণে, তখন একটা ইস্যু ছিল বিয়ে নিয়ে । তাছাড়া আমি প্রতিদিন আমার বাবা-মায়ের মুখ দেখতে চাই, ভাইবোন, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চাই ।আমার কাছে আমার পরিবারের আলাদা ভ্যালু আছে, সব ভ্যালু এড করে মনে হল যে আমার থাকার চেয়ে চলে আসাই ভালো । তারপর চলে আসলাম ।

খোশগল্প.কম: আসার পরে কোন নূন্যতম কোন আক্ষেপ হয় নাই ?

আমিমুল: কিছু কিছু জায়গায় আছে । মানুষগুলো নিয়ম মানে না, সিরিয়াল মানে না । আমলাতান্ত্রিক ঝামেলা অনেক, দুর্নীতি তো আছেই, জ্যাম টা অনেক বেশী । অনেক দিন হয়ে গেছে তো তাই অনেক টা সয়ে গেছে ।

খোশগল্প.কম: আগে কাজের ক্ষেত্রে কি ঝামেলা হত আর এখন উদ্যেক্তা হওয়ার পর কি কি ঝামেলা পোহাতে হয় ?

আমিমুল: আমি আসলে বেশী দিন শুরু করি নাই, ঝামেলা হচ্ছে কমুনিকেশন এ । মানুষগুলো এক একজন এক এক জায়গা থেকে যোগাযোগ করতে চায় । মাঝে মাঝে আর্কিটেক্ট দের সাথে মিলে না, আমি যা চাই তা হয়তো তার সাথে মিলে না । ওয়ার্কাররা কাজে স্কিলড না, যার ফলে কাজে কোয়ালিটি আসে না । তাদের কাজের সেফটি নাই, লুঙ্গি পরে কাজে আসে । প্রায়ই তারা ব্যথা পায়, ইনজুরড হয়, তবু ও তারা সেফটি বেল্ট পরবে না, সেফটি জুতা পরবে না, হাজার বার বললে ও না । বেশির ভাগ বিল্ডিং তো রাজমিস্ত্রির কথা শুনে প্লান  করা হয় । যদি বলা হয় এখানে রড একটু কম লাগবে তাহলে কমাইয়া নেয়, কিন্তু যদি আবার বলা হয় রড আর ও লাগবে তখন বলে, ইঞ্জিনিয়ার কি না বুঝে করছে । মানে টাকা বাঁচানোর কাজ করে । একটা বিল্ডিং এর কাজ ২০ হাজার টাকা হোক এর ২ লক্ষ টাকা ই হোক না কেন, ক্লায়েন্ট মনে করে আমাদের কিনে ফেলছেন । এমন কি রাত ৩ টায় ফোন করে বলে, ভাই এখন তো বৃস্টি হয় কাল সকালে কি ঢালাই হবে?

খোশগল্প.কম: আসলে সমস্যা টা কোথায় ?

আমিমুল: আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই বুঝে বিল্ডিং করা খুব সহজ, সবাই বুঝে রড লাগে, সিমেন্ট লাগে, পানি দেওয়া লাগে । এগুলা সবাই বুঝে কিন্তু কতদিন লাগবে আরও কি কি লাগবে তা জানে না । নন প্রফেশনাল যারা তারাই আসলে সমস্যা টা বাড়িয়ে দেন । এগুলিই সমস্যা ।

খোশগল্প.কম: যখন স্কুলে বা কলেজে পড়তেন তখন কি ইঞ্জিনিয়ারিং এর কথা মাথায় রেখে পড়ালেখা করতেন ?

আমিমুল: আমার প্রথমই ইচ্ছা ছিল মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হব, জাহাজে জাহাজে ঘুরব, অনেক মজা হবে । পেশাটা একটু ভিন্ন । এটা ৮/৯ এ পড়ার সময়কার কথা । আমার বাবাও সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ছিল । আমি তখন ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ই বুঝতাম ।ভাবতাম শিপে শিপে থাকব, খুব মজা হবে ।

খোশগল্প.কম: মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের কথা মাথায় আসল কি করে, বই পড়ে ?

আমিমুল:না, নানা রকম প্রোগ্রামে দেখতাম তাদের, তখন ২ একজন ছিল তাদরে কথা শুনে শুনে এভাবে ।  আস্তে আস্তে যখন বুঝতে থাকলাম, তখন থেকে দেখতাম বাবা নানা রকম ব্রীজ, এয়ারপোর্টের কাজ করে । বাবা রোডস এন্ড হাইওয়েতে ছিলেন । তারপর থেকে । এরপর বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় ইলেকট্রিকাল আর সি.এস.ই ছাড়া অন্য সব সাবজেক্ট পাইতাম । আমার এক চাচা আবার বুয়েটের টিচার ছিলেন, তার কাছে গেলাম । সে বললো, দেশে থাকতে চাইলে সিভিল নিতে পার । তারপর সিভিল নিয়েই পড়া শুরু করলাম ।

খোশগল্প.কম: ছাত্রজীবনে থাকার সময় পার্ট টাইম কিছু করতেন ?

আমিমুল: খেলাধুলা করতাম প্রচুর, কালচারাল প্রোগ্রাম করতাম, রক্তদাতা সংগঠন বাঁধনে কাজ করতাম । আমি হল-প্রেসিডেন্ট ছিলাম বাঁধনের ।

খোশগল্প.কম: রাজনীতিতে জড়ান নাই ?

আমিমুল: না, ঐদিকে আমার আগ্রহ ছিল না ।

খোশগল্প.কম: বুয়েটে কি রাজনীতির প্রভাব টা আছে ঐরকম ?

আমিমুল: ছিল, অত বেশী না। আমাদের সময় বিএনপি ক্ষমতায় ছিল । তখন শিবিরের সভাপতি, ছাত্রলীগের সভাপতি, বিএনপির ছেলেরা সবাই মিলে একসাথে আড্ডা দিতাম । ঐ রকম কোন দলের সমস্যা ছিল না । আমি রাজনীতি করতাম না, কিন্তু নানা রকম কালচারাল প্রোগ্রামের জন্য এদের সবার সাথে কথাবার্তা হত, এখনও এদের সাথে ভালো রিলেশন আছে ।

খোশগল্প.কম: আপনার ব্যাচের সবার সাথে মিলিয়ে আপনার অবস্থানটা কেমন দেখেন ?

আমিমুল: আমি আসলে কম্পেয়ারটা করি না । আমি যতটুকু চাই, অতটুকু পাইলেই আমি খুশী । যারা পড়বে বলে বাইরে গেছে তারা মাস্টার্স করে পি এইচ ডি করছে , কেউ কেউ আবার চাকরী করছে। ওরা ওদের ঐ স্ট্যাটাস অনুযায়ী চাকরী করতে আছে। আমি দেশে আছি, কেউ কেউ আবার সরকারী চাকরী করছে ।

খোশগল্প.কম: আমাদের দেশে সরকারী চাকরীর তো একটা আলাদা ভ্যালু আছে, সরকারী চাকরী নিয়ে ভাবেন নি ?

আমিমুল: আমার বাবা রোডস এন্ড হাইওয়ে তে ছিলেন, আমার চাচা পিডিবি তে ছিলেন । আমার তেমন একটা আগ্রহ ছিল না সরকারী চাকরীর । আমাদের সময় তখন খুব একটা ভালো সেলারি ছিল না সরকারী চাকরীতে, এখন কিছু বাড়ছে । এখানে কাজগুলো একটু বেশী হয়ে গেছে ।

খোশগল্প.কম: তাহলে আপনি উদ্যোক্তা হয়ে ভালো আছেন ?

আমিমুল: হুম ভালো আছি, অন্তত নিজের স্বাধীনতা আছে কাজ করার । ইচ্ছা হল কাজ করলাম, না হলে না করলাম । দেখা যাক কতদূর নিয়ে নেওয়া যায় ।

খোশগল্প.কম: আপনার এখনকার পরিকল্পনা কি নিজের ফার্ম নিয়ে ?

আমিমুল: পরিকল্পনা হচ্ছে, আমি তো ডিজাইনে আছি ব্যাসিক্যালি । ডিজাইনে তো অনেক কাজ করা যায়, কিন্তু ইকোনমিক্যাল গ্রোথটা খুব একটা ভালো না । আমরা কিছু কাজ করতে চাই যেমন, রেড টু ফিট । রেড টু ফিট হল পুরোন যে সব বিল্ডিং গুলো ভূমিকম্প বা নানা রকম ঝুঁকির মুখে আছে ঐ সব বিল্ডিং নিয়ে কাজ করা । এখানে কাজটাও ভালো, টাকা পয়সাও আছে । কন্সট্রাকশন বিজনেস এ প্রফিট মার্জিন কম, কিন্তু স্টাডি বিজনেস, কোন লস নাই । তবে ডেভলোপাররা বিজনেস টা নষ্ট করে ফেলছে বেশী লাভের আশায় । ডেভলোপার বিজনেস এ যাওয়ার ইচ্ছা নাই তেমন একটা ।তবে কোয়ালিটি ইনশিউর করার কাজ টা ভালো লাগে ।আমেরিকান এম্বাসির  সাইক্লোন সেন্টার গুলোর কোয়ালিটি ইনশিউর করার কাজটা পাওয়ার চেষ্টায় আছি । এগুলা হলে ইঞ্জিনিয়ারিংটাও প্রাকটিস থাকে, টাকা ও ভালো ।

খোশগল্প.কম: বই পড়া হয় ?

আমিমুল: আগে অনেক পড়তাম, এখন হয় না । তবে কাজ রিলেটেড কিছু পড়া হয় । সর্বশেষ অনেক দিন আগে পড়েছি ।

খোশগল্প.কম: সবকিছু মিলিয়ে পরিকল্পনা কি ?

আমিমুল: আমি সুখে থাকতে চাই,সবাই কে নিয়ে সুখে থাকতে চাই ।

খোশগল্প.কম: এমন কিছু কাজ যা আমি করে যেতে চাই ?

আমিমুল: আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং প্র্যাকটিস প্রোপার না আসলে ।ভালো ইঞ্জিনিয়ার যারা আছেন, শহিদুল্লাহ স্যার, বসুনিয়া স্যার, বারী ভাই, ফুখরুল আমিন স্যার ওনারা বেশ ভালো কাজ করেন । আমাদের জেনারেশন এর পর বেশ একটা গ্যাপ । এই গ্যাপ টা যত কমানো যায় । এই সেক্টরটা একটু পিছানো এখনও। খাটা খাটনি বেশী বলে, পড়াশোনা বেশী করা লাগে বলে খুব কম আসছে এই পেশায় । আমি কোন একটা ঝামেলায় পড়লে সিনিয়রদের কাছে যাই, আবার জুনিয়ররা আমাদের কাছে আসে কিছু জানতে, সমস্যায় পড়লে দেখাতে আসে । আমি চাই এই গ্যাপটা কিছু কমানোর ।ইঞ্জিনিয়ারিংটা একটু ছড়াক, সবাই একটু সচেতন হোক । ভালো কিছু করার ইচ্ছা আছে, ২/১ টা ল্যান্ডমার্ক প্রোজেক্ট করার ইচ্ছা আছে । শান্তা হোল্ডিংস এর সিইও কামাল স্যার  স্মৃতি সৌধ, ইনডোর স্টেডিয়াম, আই ডি বি ভবনের কাজ করছেন । এমন কিছু করতে চাই যেন কাজের মধ্যে অনেক দিন থাকি । যেমন স্মৃতি সৌধটা স্যার করছেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন এটা থাকবে মানুষের মধ্যে । এ সব কাজ করতে ভালো লাগে, দেখতেও ভালো লাগে । এমন একটা কাজ করতে চাই যেন মানুষ অনেক দিন মনে রাখে । এমন কাজ করার পর কিন্তু আত্মতৃপ্তি লাগে নিজের কাছে যে ভালো কিছু করছি । আমাদের কাজ কিন্তু দেখা যায়, একটা বিল্ডিং দাঁড়াইয়া গেলে দেখা যায় ঐটা টা আমি করছি । আমি নিজেও ছোটখাট  কিছু করেছি যেমন, বিটিভি ভবনের একটা অংশ আর পি জি হাসপাতালের কিছু অংশ, যে গুলো ভাবলে ভালো লাগে ।

খোশগল্প.কম: ধন্যবাদ আপনাকে ।

 

 

 

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

মতামত