তাবাসসুম সাদি ফারহানা প্রমি, পড়ছেন আর্কিটেকচার এ । যতটা না গাইতে তার থেকেও বেশি নাচতে পছন্দ করেন । সুখী মানুষ কিনা , এই প্রশ্নের উত্তর ছিল তার ভিন্নও রকম , “আমার হাজারটা কারণ আছে ভালো থাকার। আবার অনেক কারণও আছে আপসেট থাকার। আপসেট থাকার চেয়ে হ্যাপি হওয়ায় রিজন কিন্তু অনেক বেশি। আমার মনে হয় আপসেট হওয়ায় রিজনগুলো সুখী হওয়ায় রিজন গুলো কে ডমিনেট করে। আমি এটাই করি, আপসেট রিজন গুলো কে ডমিনেট করতে দেই না”।

কিপ স্মাইলিং

লিখেছেন...admin...মে 14, 2016 , 5:09 পূর্বাহ্ন

pr

খোশগল্প.কম: আপনি আর্কিটেকচার এ পড়ছেন, ছোটবেলা থেকেই কি ড্রয়িং এর প্রতি ভালো লাগা  ছিল বলেই ?

প্রমি: ছোটবেলা থেকেই আর্কিটেকচার নিয়ে একটু জানাশোনা ছিল, ইচ্ছা ছিল বুয়েটে পড়লে আর্কিটেকচার এই পড়ব। তারপর বুয়েটে পরীক্ষা দিলাম টিকে গেলাম।

খোশগল্প.কম: আপনি তো অনেককিছুর সাথে জড়িত, ইংলিশ গান গেয়ে নিজে নিজেই সে গুলো ফেসবুকে আপলোড দেন এবং যার অনেক ভিউ থাকে। তো এই গানের চর্চা কি ছোটবেলা থেকেই করতেন ?

প্রমি: এক সময় মনে হল আমি গান গাইতে পারব। গিটারের প্রতি ঝোঁক আমার আগে থেকেই ছিল। আব্বুকে বললাম একটা গিটার কিনে দেও, প্রাকটিস করব। তারপর আব্বু বললো, নিজের একটা পজিশন ক্রিয়েট কর, তারপর যা ইচ্ছা করতে পার। আমি বলেছিলাম, বুয়েটে চান্স পাওয়ার পর আমাকে গিটার কিনে দিবা ? তবে এটা কোন শর্ত ছিল না। তারপর বুয়েটে চান্স পাওয়ার পর বাবা গিটার কিনে দেয়। আমি কোথাও গিটার শিখিনি। ইউটিউব এ ভিডিও দেখে প্রাকটিস করেই শিখেছে।

খোশগল্প.কম: তবে আপনি নাচের সাথেই মেইনলি ইনভলভড?

প্রমি: হ্যাঁ। আমি ছোটবেলা থেকেই নাচতাম। আমি এ ক্ষেত্রেও কোন ট্রেনিং নেই নি, শিখিনি। ছোটবেলা থেকেই টিভি ও নানা রকম অনুষ্ঠান দেখে নিজে নিজেই শিখেছি। তবে আরও শিখার ইচ্ছা আছে।

খোশগল্প.কম: বুয়েট ড্যান্স ক্লাব কি, আপনি আসার আগে থেকেই একটিভ ছিল?

প্রমি: না, এটা তখন বুয়েট ড্যান্স গ্রুপ নামে ছিল। টি টুয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপের সময় মেবি এটা ফর্ম করা হয়। ডান্স গ্রুপটা পরে আস্তে আস্তে ক্লাবে পরিণত হয়। আমি এখন আসলে প্যানেলে আছি, দেখা যাক একটিভ মেম্বার হিসাবে কতটা করা যায়

খোশগল্প.কম: ড্যান্সিং এবং ফ্লাশমব, ইদানীং বুয়েটের কালচারাল প্রোগামে গুলোতে পার্টিসিপেশন বেড়ে যাচ্ছে, এটা নিয়ে আপনার মন্তব্য কি?

প্রমি: আমি মনে করি বুয়েটে অনেক অস্থির অস্থির ড্যান্সার আছে, পারফর্মার আছে। তাদের একটা প্লাটফর্ম তৈরী করে দেওয়ার জন্য বুয়েট ড্যান্স ক্লাব একটা সুযোগ। তারা যেন একটা সুযোগ পায় তার জন্য এটা একটা ভালো প্লাটফর্ম। তোমাকে যে ভালো ড্যান্স শিখে এখানে আসতে হবে এমনটাই না, ইফ ইউ হ্যাভ প্রেস ফর ড্যান্স, কাম এন্ড জয়েন উইথ আস!

খোশগল্প.কম: ড্যান্স ক্লাবের সদস্যদের কি ট্রেনিং বা ওয়ার্কশপের কোন ব্যবস্থা আছে?

প্রমি: আপাতত নেই। আমাদের সামনে প্রোগাম এরেন্জ করা হবে ” ড্যান্স ফেস্ট”। গতবার এটা কোন ক্লাবের আন্ডারে ছিল না, এবারই হবে ক্লাবের আন্ডারে।  আমাদের  প্রেসিডেন্ট মুহিত ভাইয়া বলছেন, ওয়ার্কশপ হবে। কে কোন পার্টিকুলার স্টেপ নিয়ে কাজ করতে চায় আমরা সেটা নিয়ে হবে হয়তো।

খোশগল্প.কম: এত ভ্যারাইটি কাজের সাথে আপনি যুক্ত, এতে ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাথে কোন কনফ্লিক্ট হয় না?

প্রমি: আমার মনে হয় না। তোমার যদি ইচ্ছা থাকে, ইউ ক্যান হ্যান্ডেল। আমি অনেক সময় দেখা যায় কোন জায়গাটাতে পার্টিসিপেট করতে গেলে, অন্য জায়গায় প্রেসার থাকলে পারি না। আমি আগেই বলে দেই। তবে ইচ্ছা থাকলে সম্ভব।

খোশগল্প.কম: মানুষ হিসাবে আপনি নিজেকে কিভাবে মূল্যায়ন করেন?

প্রমি: আমি নিজেকে জাজ করতে চাই না। আই জাস্ট বি মাই সেল্ফ। আই জাস্ট ট্রাই টু হ্যাপি আদার পিপল এন্ড কিপ স্মাইলিং ।

খোশগল্প.কম: আপনার এক্সপেকটেশন কম বলে কি  আপনি সুখী?

প্রমি: আমার হাজারটা কারণ আছে ভালো থাকার। আবার অনেক কারণও আছে আপসেট থাকার। আপসেট থাকার চেয়ে হ্যাপি হওয়ায় রিজন কিন্তু অনেক বেশি। আমার মনে হয় আপসেট হওয়ায় রিজনগুলো সুখী হওয়ায় রিজন গুলো কে ডমিনেট করে। আমি এটাই করি, আপসেট রিজন গুলো কে ডমিনেট করতে দেই না।

খোশগল্প.কম: পরিবারের প্রতি আপনি কি রকম দায়িত্ববোধ ফিল করেন?

প্রমি: এইটা আমি সবাইকে বলে বেড়াই। যা ইচ্ছা যা কিছু কর, কিন্তু এমন কিছু করনা যা তোমার পরিবারের উপর এফেক্ট ফেলবে। যা কর, সবকিছুতে ই যেন সাপোর্ট থাকে। যা করতেছ ফ্যামিলির সাথে শেয়ার কর। আমি আমার পরিবারের কাছে সবকিছু বলে বেড়াই। সবকিছুই কর যাতে কোন এফেক্ট পরিবারের উপর না পরে। পরিবার আমার কাছে অনেক ইম্পরট্যান্ট। তারা আমার জন্য অনেককিছু করেছে। আমি এখন তাদের জন্য কিছু করতে চাই। দেখা যাক কি হয়?

খোশগল্প.কম: মেয়েদের ব্যাপারে আগে যে রকম সীমাবদ্ধতা ছিল, তা কি প্রত্যাশিত হারে কমতেছে বলে আপনার মনে হয়?

প্রমি: না আমার মনে হয় বাড়তেছে ইনফ্যাক্ট। এটা এখনও অনেক ক্ষেএে চিন্তা করা হয়। মেয়েদের ক্ষেত্রে আসলে অনেককিছু সহজ না। কিন্তু পারিপার্শ্বিকতা যদি সাপোর্ট করে তাহলে মেয়েরা অনেক দূর যেতে পারবে বলে আমার ধারনা।

খোশগল্প.কম: বুয়েটে আর্কিটেকচার এ মেয়েদের অনেক বেশি প্রাধান্য থাকে, প্রায়ই অর্ধেকের বেশি থাকে মেয়েদের পার্সেন্টেজ, কিন্তু অন্য ডিপার্টমেন্ট মেয়েদের হার অনেক কম। এটাকে কিভাবে দেখেন?

প্রমি: আমার মনে হয় আর্কিটেকচার মেয়েদের জন্য একটা সুইটেবল প্রফেশন হতে পারে। তবে আই নো ইটস ভারি টাফ। আমাদের এই সিচুয়েশন টা আমাদের সাপোর্ট করে আমরা পারব। আদারওয়াইজ অন্য কোন পার্টিকুলার রিজন নাই বলে আমার মনে হয়।

খোশগল্প.কম: মেয়েদের জন্য কোন কোটা সিস্টেম থাকা উচিৎ বলে আপনার মনে হয়?

প্রমি: নো। মেয়েরা ইকুয়্যাল। নিজের যোগ্যতায় যতদূর যেতে পারে, যদি তাদেরকে সে রকম সাপোর্ট দেওয়া হয়।

খোশগল্প.কম: বুয়েটে কোন মেয়েকে Rag দেওয়া বা Rag  খাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে?

প্রমি: না।  এইসব এখানে হয় না। এটাকে Rag বলা হয় না। একটু হালকা মজা নিতে পারে আপুরা। এখন অনেক দিন পর এসে মনে হয় ব্যাপারগুলো বেশ মজার ছিল। কিন্তু প্রথম এসে Rag মনে হতে পারে। ভাইয়া আপুরা অনেক ফান করছে, এটা অনেকেরই খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু আমার লাগে নাই।

খোশগল্প.কম: আপনার অবসর সময়ে কি করেন?

প্রমি: আমি অবসর সময়ে টোটালি ঘুমাই। ড্যান্স, গান এইসব কিছু রানিং সময়ে করি। অবসর সময়ে আমি তো বাসায় থাকি। তখন আমি এই পুরো সময়টা বাসাতেই দিব। টুকটাক হয়তো গান নিয়ে থাকি। এটা তো আর ডেইলি করি না।

খোশগল্প.কম: এক্সটা কারিকুলাম একটিভিটি কি বাধ্যতামূলক করা উচিৎ?

প্রমি: না, আমার যেটা মনে হয়, তোমার যা ভালো লাগে কর। এটা তোমার এক্সটা কারিকুলাম একটিভিতে পড়ে বা ডেইলি একটিভিতে পড়ে কিনা সেটা ফ্যাক্ট না। তবে তোমার যা ভালো লাগে কর।  এটা মাথায় রাখতে হবে যে, তোমার ভালো লাগা তোমার অন্য কারোর জন্য হার্মফুল না হয়।

খোশগল্প.কম: আপনি তো মেয়েদের হলে থাকেন?  আপনার কি মনে হয়েছে, ছাএী হলে কোন সুযোগ-সুবিধা  বাড়ানো দরকার? যেমন ধরেন, মেয়েদের হলে ফিরতে হয় ১০ টার মধ্যে,  এমন কোন ধরনের সুযোগ?

প্রমি: আমার মনে হয় ঠিক আছে, রাত ১০টার মধ্যে ফিরে আসা উচিৎ। আমাদের সোসাইটি এখনও এত ভালো হয়ে যায় নি। আর ও অনেক কিছু আছে , যা উল্লেখ্য করে বলা যাবে না।  এমন অনেক কিছু আছে যা আমাদের ছাএী হলে পাওয়া উচিৎ কিন্তু পাচ্ছি না। এটা হতাশাজনক।

খোশগল্প.কম: বুয়েটে আসার আগে আপনি বগুড়া ছিলেন,  সেখানে স্কুল-কলেজে পড়েছেন। বুয়েটে আসার পর আপনার যে চিন্তা-ভাবনার যে পরিবর্তন এসেছে, তা কোন কোন ক্ষেত্রে ছিল?

প্রমি: বগুড়ায় থাকতে আমরা শুধু পড়ালেখা করছি, আমাদের মুখে তুলে খাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব টোটাল কাজগুলো করেছে বাবা-মা। এখানে আসার পর অনেক চেঞ্জ হয়েছে ফিলোসফিক্যালি। আমি এখানে পুরোপুরি নিজের উপর নির্ভরশীল, আমি যা করব তার পুরোপুরি এফেক্ট আমার উপর পড়বে। এখানে আমাকে বাধা দেওয়ার ও কেউ নেই, আটকানোরও কেউ নেই। আমি যা করব তার জন্য আমাকে ভুগতে হবে।

খোশগল্প.কম: এই বড় হওয়াটা কি কষ্টের অনুভূতি দেয় না। হয়তো ছোটবেলায় আমার স্বাধীন ছিলাম না তারপর ও আমাদের কমপ্লেক্সিসিটি কম ছিল , কিন্তু বড় হয়ে আমাদের ফ্যান্টাসিগুলো এখন আস্তে আস্তে বুঝা যায়, এগুলো কিভাবে দেখেন?

প্রমি: সবকিছু মিলিয়ে এতটা কমপ্লেক্সিসিটি ছিল না, কিন্তু স্বাধীনতা ছিল না। এখন হয়তো অনেক স্বাধীন কিন্তু সেই মজাটা আর কোথা থেকে পাওয়া যায় না। তারপরও ঐ লাইফের ও কিছু প্লাস পয়েন্ট আছে নেগেটিভ পয়েন্ট আছে, আবার এই লাইফেরও কিছু প্লাস পয়েন্ট আছে নেগেটিভ পয়েন্টও আছে । তবে ২টা মিলিয়ে ঐ লাইফটা অনেক মজার ছিল।

খোশগল্প.কম: ছোটবেলার কিছু মজার স্মৃতি আছে?

প্রমি: ছোটবেলায় আমার অনেক মজার স্মৃতি আছে, কিন্তু এখন ইনস্ট্যান্ট মনে পড়ছে না। তবে ছোটবেলায় দাদাবাড়িতে ঘুরতে যেতাম, তখন ঈদের আগের দিন আমরা সব কাজিনরা মিলে ঘুম থেকে খুব সকালে উঠতাম। আমাদের কাছে তখন পটকা থাকত। তারপর দাদাবাড়ির সব ঘরের কোণায় গিয়ে পটকা-বাজি ফুটাতাম। তখন সবাই বেশ হৈচৈ করে জেগে উঠত। এখন এই মজাটা হয় না । আবার নানুবাড়িতে মামা,খালু সবাই মিলে ক্রিকেট খেলতাম, কিন্তু এখন আর হয় না খেলা।

খোশগল্প.কম: ক্রিকেট, ফুটবল খেলা এখন আর কি হয়?

প্রমি: না, এখন হয় না। এখন আমরা সব কাজিনরা একসাথে হই, কিন্তু খেলা আর হয় না। আসলে ঐ এনভায়রনমেন্ট আর নাই। সবাই খুব কমার্শিয়াল হয়ে গেছে।

খোশগল্প.কম: স্কুল-কলেজের এমন কোন ফিলসফি আপনি এখনও বয়ে বেড়ান?

প্রমি: আই ট্রাইড টু বি হ্যাপি। জাস্ট বি হ্যাপি। আপসেট হওয়ায় দরকার নেই। বি হ্যাপি, ট্রাই টু মেক আদার পিপল হ্যাপি। কিপ স্মাইলিং। মাঝেমধ্যে আমি যদি মুখ স্মাইল ছাড়া বসে থাকি, মানুষজন এসে জিঙ্গেস করে, কিরে তোর মন খারাপ নাকি?

খোশগল্প.কম: মানুষের সঙ্গে এত উদার ভাবে মিশলে হয়তো বিশ্বাস ঘাতকতার সম্ভবনাও  থাকে। জীবনটা তো এত লিনিয়ার ও না, আপনি এই যে এত লিনিয়ারলি চিন্তা করছেন এর পিছনে কি কোন নির্দিষ্ট কারণ আছে?

প্রমি: আমি প্রচুর নেগেটিভ ঘটনা ফেইস করছি এগুলো থেকে অনেক শিখছি যদিও। আমি এগুলোকে ডমিনেট করতে দেই না। কোন কারণে যদি মুড খারাপ হয়ে যায়, তাহলে আমি মুহূর্তেই মুড চেঞ্জ করতে পারি। আমার সেই ক্ষমতা আছে। থ্যাংকস টু উপরওয়ালা আমাকে এই গুণটা দেওয়ার জন্য।

খোশগল্প.কম: আপনাকে বাইরে থেকে অনেক এক্সট্রোভার্ট মনে হয়, আপনি কি আসলে তা?

প্রমি: আমি আসলে “ইন্ট্রোভাট এস এক্সট্রোভার্ট  ওয়ে”। এখন এটা যে যে ভাবে নেয় ।  আমাকে বাইরে থেকে অনেক  এক্সট্রোভার্ট মনে হয়, কিন্তু আমি নিজেই অনেক গুলো লিমিটের ম্যানেজ  করি। এটা কেউ ম্যানেজ করে দেয়নি, এটা আমি নিজেই তৈরী করেছি।

খোশগল্প.কম: ১০ বছর পরের প্রমি আপুকে আপনি কিভাবে দেখেন?

প্রমি: আমি এখন যেমন আছি, ঐ সময়ই এরকম দেখতে চাই।

খোশগল্প.কম: আপনার দেশের বা সমাজের প্রতি কোন প্লান আছে?

প্রমি: আমার এখান থেকে এখন পাশ করে বের হতে হবে। এটা আমার জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ। যেহেতু আর্কিটেকচার হল একটা ওয়ার্ল্ডের একটা টাফেস্ট কোর্স। যেটা ২০০২ সালে গিনিস বুক রেকর্ড অনুসারে। তো এটা আসলেই আমার জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ। আমি যেন ঠিক ঠাকভাবেই পাশ করে বের হতে পারি। এরপর হয়তো আমি আর্কিটেকচার প্রাকটিস করব। পাশাপাশি আমার এই শখের জিনিস গুলো, আরও যদি কিছু শিখতে পারি আই উইল বি হ্যাপি।

খোশগল্প.কম: ড্যান্সিং কে প্রমোট করার জন্য আপনি বুয়েট থেকে বের হওয়ার পর ও কি কোন প্লান আছে প্রতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার?

প্রমি: না, আমার এ রকম কোন প্লান নেই। আমি কাউকে শিখাবো বা আমার কোন অর্গানাইজেশন থাকবে এমন না। আমি আরও শিখতে চাই। বাংলাদেশে এখনও অনেক ভালো ড্যান্সার আছে। আরও গ্রেট হত যদি আমি দেশের বাইরের কারো কাছ থেকে শিখতে পারতাম। এটা আমার জন্য ইন ফিউচারে অনেক বড় একটা ব্যাপার হবে।

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

মতামত