হাসান মুহাম্মদ উসামা ,তার কাছে,”ভদ্রতা অনেক বড় একটা আর্ট। এটা মেইনটেইন করা উচিৎ। এই দ্যা সেইম টাইম ভদ্রতা মেইনটেইন করা, এট দ্যা সেইম টাইম নিজকে মেইনটেইন করা উচিৎ।” জীবনকে দেখেন ব্যলেন্সিং ওয়ে তে ।

জীবনে ব্যালেন্সটা বেশি জরুরী

লিখেছেন...admin...মে 8, 2016 , 1:37 অপরাহ্ন

usama sir
খোশগল্প.কম: স্যার আপনি কিছুদিন আগে বুয়েটে টিচার হিসাবে যোগদান করছেন, বুয়েটে ভর্তির প্রথম দিকেই কি টিচিং প্রফেশনের উপর মোহ ছিল?

উসামা: এটা ঠিক বলা যায় না যে প্রথম থেকেই ইচ্ছা ছিল। আমার বাবা ঢাকা ইউনিভার্সিটির টিচার ছিলেন। টিচার প্রফেশনের উপর সবসময় উনার একটা ভালো লাগা ছিল। উনি আমাদেরকেও এভাবে বলতেন, টিচার প্রফেশনে অনেক সম্মানজনক, অনেক সম্মান আছে এখানে। অনেক সুযোগ-সুবিধা আছে। যা হোক উনি চাইতেন আমি টিচার হই কিন্তু কোন জোরেজোরি কখনোই করেন নাই। বুয়েটে এম এম ই তে ভর্তির পর ফার্স্ট টার্মে আমি খুব এক্সট্রা সময় নিয়ে পড়ালেখা করিনি , স্বাভাবিক ভাবে পড়েছি, যা হোক সে বারে আমি ফার্স্ট হই। প্রথম যখন ভালো হয়, তখন আমি ভাবতে শুরু করলাম, আমি যদি এখন কন্টিনিউয়াসলি ভালো করি তাহলে টিচার হওয়ায় একটা সুযোগ পেতে পারি। ঐভাবে আর কি শুরুটা। প্রথম টার্ম থেকেই ঐভাবে টিচার হওয়ায় ইচ্ছা ছিল না। আল্লাহর রহমতে যখন ফাস্ট টার্মে ভালো করি তখন থেকেই আস্তে আস্তে রেজাল্টটা ধরে রাখতে রাখতে মাইন্ডটা ঐভাবেই সেট হইছে টিচার হব। যদি কোন কারণে না হতে পারতাম তাহলে একাডেমেকি রিসার্চ নিয়ে কাজ করতাম হয়তো।
খোশগল্প.কম: আপনি যখন বুয়েটে  ছিলেন তখন অনেক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন, যেমন আপনি গিটারিস্ট ছিলেন, ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন ছিলেন। এটা কিভাবে হল, কারণ আপনার তো পড়ালেখার প্রতি অনেক আগ্রহ ছিল। তো এ গুলো কি আপনার পড়ালেখায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করেনি?
উসামা: একসাথে যদি ২/৩ টা কাজ করতে গেলে তো সময় দিতেই হবে।  আমি যদি ঐকাজ গুলো না করতাম তাহলে হয়তো অন্য কাজগুলো আরও সহজ হত। কিছুকিছু ক্ষেত্রে আমার কষ্টও হত, কেননা আমি রেজাল্টটাও ধরে রাখতে চেয়েছি। আমি একটা সিটি, কুইজ ইগনোর করতে পারতেছি, আমার ক্ষেত্রে সবগুলোকেই মেইনটেইন করতে হয়েছে। গিটার বাজানো আর ফুটবল খেলা যেটাই বল সেটা আমার ভালো লাগা থেকেই করেছি। আমি ক্লাস ৮ থেকেই ফুটবল খেলা প্রাকটিস করতাম। তখন বাসার সামনে একটা মাঠ ছিল, একা একাই মাঠে প্রাকটিস করতাম। তার পর বুয়েটে এসে ডিপার্টমেন্ট এ ফ্রেন্ডদের সাথে খেলতে ভালো লাগত। প্রথম দিকে অতটা সিরিয়াস ছিলাম না, থার্ড ইয়ারের দিকে এসে হল ফুটবলের সাথে জড়িত হই। আমি ভালো বা খারাপ খেলতাম সেটা বলব না, আমার ভালো লাগত তাই খেলতাম। এট দ্যা সেইম টাইম আমি পড়ালেখাটাও বজায় রাখতে পারতেছি এবং এগুলো করতে পারতেছি। টার্ম ফাইনাল পরীক্ষার মধ্যে যেদিন পরীক্ষা দিছি সে দিন হয়তো গিয়ে ব্যাডমিন্টন খেললাম। নেক্সট পরীক্ষাটার জন্য ৫ দিন বন্ধ থাকায় আর খেলিনি, পড়ালেখা করেছি বাকি সময়টা। আমার ফ্যামিলিতে একটা মিউজিক্যালি ইনফ্লুয়েন্স আছে, যেমন আমার মা ক্লাসিক্যাল গান করেন। আমার বড় ভাই ০০ ব্যাচ, ও বুয়েটে গিটার বাজাত গান করত। ২০০২/৩ এ ইলেকট্রিক্যাল ডে তে ভাইয়া পারফর্ম করত আমি তখন ভাইয়ার পারফর্ম দেখতে আসতাম। আমি তখন হয়তো ক্লাস ৬/৭ তে পড়ি। বুয়েটে আসার পর একটা ফ্রেন্ড ছিল নাফিস। যখন এম এম ই ডে আসে তার আগেই আমরা একটা প্লান করি। ও বাজাতে পারত, আমি খুব একটা পারতাম না, যদিও বাসায় গিটার ছিল। এক সিনিয়র ভাই ছিল ০৫ ব্যাচের, ওনার একটা ব্যান্ড ছিল শুধু এম এম ইর স্টুডেন্টদের নিয়ে। আমি সেখানে বেইজিস্ট হিসাবে ছিলাম। একোয়েস্টিক গিটার হাল্কা-পাতলা বাজাতাম। খুব বেশি সিরিয়াস ছিলাম না। ব্যান্ডটা যখন ছিল তখন ২/৩ টা প্রোগাম করেছিলাম। এখন এক্টিভিটি কমে গেছে। ফ্রেন্ডরা সবাই ব্যাস্ত হয়ে গেছে যে যার মত, তাই আমিও কিছুটা সরে গিয়েছি।
খোশগল্প.কম:  আঙ্কেল আন্টি শিক্ষক ছিলেন । বাবা-মা সবসময় তাদের প্রতিকৃতি সন্তানের মধ্যে দেখতে পান। তো কখনও এমন হয়েছে যে, আপনার সিদ্ধান্তের সাথে পরিবারের সিদ্ধান্তের সংঘর্ষ হয়েছে?
উসামা: এরকম কখনও করতে হয় নাই। আমরা ছোটবেলা থেকেই কোন ভাবে প্রেসারাইজ হই নাই। যেহেতু আমার বাবা টিচিং এ আছে, চাচা, মামা, খালু ফ্যামিলির মধ্যে একাডেমিক লাইনে মানুষজন বেশি দেখে বড় হয়েছি। কোন কোন ফ্যামিলিতে বিজনেস বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেশি থাকে, তারা হয়তো ঔ ধরনেরই হয়ে উঠে। আমার কলেজও কোন স্পষ্ট ইচ্ছা ছিল না ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে। তখন পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছিলাম, রেজাল্ট ভালো করা লাগবে এটাই ছিল। তবে আমার বায়োলজি ভালো লাগত না, তাই মেডিকেলে যাব না। আমার ফ্যামিলি এটা নিয়ে কোন প্রেশার দেয়নি। তাহলে বাকী ছিল ঢাকা ইউনিভার্সিটি আর বুয়েট। ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ক ইউনিটে চান্স পাই। কলেজ পড়ার সময় ডিসকভার করি ফিজিক্সের প্রতি আমার ভালো লাগা আছে। বুয়েট এ যখন চান্স, তখন চয়েজ এ অনেকগুলো সাবজেক্ট নিতে পারতাম। সিভিল, ন্যাম, এম এম ই ছিল। আমার এক মামা ছিল উনি মেইনলি আমাকে সাজেস্ট করলেন, তোমার যেহেতু ফিজিক্স ভালো লাগে তাহলে তুমি এম এম ই নিতে পার। এখানে অনেক ফিজিক্সের জিনিসপত্র আছে। তখন আমি এম এম ই কে পছন্দ করি অন্য ডিপার্টমেন্ট রেখে যেগুলো পেতাম তারমধ্যে। ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে আমি ফিজিক্স ই পেতাম। যে মামা বুয়েটের টিচার ছিলেন তিনি বললেন, বুয়েটে পড়তে। তারপর ভর্তি হয়ে গেলাম বুয়েটেই।
খোশগল্প.কম: আপনি কি পার্সোনালি ফিল করেন, শিক্ষকতা পেশায় যে সম্মান সেটা আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। শিক্ষকরা অনেক ক্ষেত্রেই অনেক নেতিবাচকতার স্বীকার হয়েছে, আপনি কি মনে করেন রাষ্ট্রীয় ভাবে বা সামাজিক ভাবে টিচারদের যে পরিমাণ স্বীকৃতি দেওয়া উচিৎ আমরা সে জায়গা থেকে পিছু হটছি?
উসামা: এ ক্ষেত্রে লার্জ স্কেলে কমেন্ট করার ক্যাপাবিলিটি আমার নেই। যেহেতু মাত্র ৫/৬ মাস হল আমি শিক্ষকতার সাথে আছে। যারা আর আগ থেকে শিক্ষকতায় আছে তারা ভালো জাজ করতে পারবে। এটা বোঝার জন্য শিক্ষক হওয়া লাগে না, এটা সমাজে সবাই বুঝতে পারে, একটু অসহিষ্ণুতা , একটু অসম্মান করার প্রবণতাটা বেড়ে যাচ্ছে। ইংয়া জেনারেশনে মধ্যে এটা একটু বেশিই দেখা যায়, এখন ইন্টারনেটের যুগ। নলেজ এত সহজলভ্য যে সবাই ভাবছে আমি আর একজন থেকে কম কেন জানব?  তবে আমি টিচার হিসাবে এখনও ওমন নেতিবাচক কিছু দেখিনি।
খোশগল্প.কম: বুয়েটে থাকা অবস্থায় একটা ছাএের কি শুধু সিজিপির দিকে ফোকাস রাখা উচিৎ?
উসামা: মেকানিক্যালের একটা উদাহরণ দেই, এখানে সবাই কিন্তু একাডেমীক লাইনে যাবে না। সিজিপিএ কিন্তু অনেক উঠানামা করে । এটা তারাই করবে যারা একাডেমীক কিংবা রিসার্চ বেইজড কাজ করতে চায়। সবাই এ লাইনে যাবে এটা আশা করাও বোকামি। তবে অবশ্যই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, বুয়েট হচ্ছে দেশের সবচেয়ে টপ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে সবাই মেধাবী এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। সরকারি প্রতিষ্ঠানে এত নগণ্য টাকায়, এত ভালো ল্যাব ফ্যাসিলিটি, টিচার নিয়ে জনগণের টাকায় এখান থেকে পড়ালেখা করে । সেখান থেকে চিন্তা করলে জনগণের উপর একটা দায়িত্ব থেকে যায়। এখানে আসায় প্রতিটা স্টুডেন্ট যে সুযোগ টা পেয়েছে, অন্য যে কেউ এ সুযোগটা পেতে চায়। সবারই এ সুযোগটাকে কাজে লাগানোর উচিৎ। যে ছেলেটার প্রোগামিং ভালো লাগে, রোবটিক্স এ ভালো কাজ পারে। তার সিজিপিএ কিন্তু ভালো না। সে কিন্তু তার জায়গায় ঠিক আছে, সে যা ভালো পারে তা করতেছে।  একটা প্রতিষ্ঠানে আছি, কোনরকম চার বছর কাটিয়ে গেলাম এমনটা যেন না হয়। যে একাডেমীক লাইনে যেতে  চায়, তার সিজির প্রতি ফোকাস হওয়া উচিৎ। নতুবা যে অন্যকিছু করতে ভালবাসুক তাই করুক, তবে যারা মনে করে যাদের সিজিপিএ হাই তাদের পারসোনাল লাইফ নাই। তবে আমি মনে করি একটুখানি টেকনিক নিয়ে পড়ালেখা করলেই যার সিজি যেখানে, সেখান থেকেই উপরে তোলা সম্ভব। এটা সত্যি কথা সিজিপিএ কম থাকলে যেখানে যাক কোন সমস্যা নাই ইন্ডাস্ট্রি থেকে শুরু করে সবখানে।
খোশগল্প.কম: বুয়েটের স্টুডেন্টরা অনেক টিউশনি করায়, অনেকক্ষেত্রেই এ কথা  শুনা যায়। এটা নিয়ে আপনার মন্তব্য কি?
উসামা: বুয়েটের স্টুডেন্ট জন্য এটা কমন একটা জব বা হবি। আমার প্রথম দিকে ইচ্ছা ছিল না, কিন্তু পরবর্তীতে আমার ক্লাসমেটের ছোটভাই ও আহসানউল্লাতে পড়ত ওর মেকানিক্যাল নিয়ে কিছু হেল্প দরকার ছিল তখন এক মাস ওকে পড়িয়েছি। একটা ছেলে যখন গ্রাম থেকে আসে বা অতটা সচ্ছল না তখন তার একটা সেকেন্ডারি একটা ইনকাম সোর্স অবশ্যই লাগে। তাদের জন্য কিন্তু দরকার, আবার অনেকেরই কিন্তু দরকার নেই। আবার আমাদের ক্লাসের এমনও ছিল ৫/৭ টা টিউশনি করত । দরকার হলে করা উচিৎ কিন্তু দরকার না হলে করে ফোকাস নষ্ট করা উচিৎ না। দরকার হলে করা ভালো, এতে একটা ছাএের ও উপকার হয় কারণ আমাদের দেশের সব স্কুল- কলেজের শিক্ষকরা তো সমান না। আমি ও স্কুল- কলেজে থাকার সময় বুয়েটের ভাইয়াদের কাছে পড়েছি। তারা আমাকে যেভাবে কনসেপ্টটা যেভাবে গড়ে তুলেছে সেটা এখনও  টিকে আছে।
খোশগল্প.কম: শৈশব আপনি কেমন ছিলেন?  একজন আলালের ঘরে দুলাল ছিলেন নাকি স্বাধীনচেতা ছিলেন?
উসামা: নিজেকে তো নিজে জাজ করা উচিৎ না,আমার ভাই-বোন বা বন্ধুরা ভালো বলতে পারবে তবে মনে হয় আমি প্রথম শ্রেণীতে পড়ে যাই। আমি শৈশবে কেমন ছিলাম জানি না, তবে কৈশোরে কিছুটা দুরন্তপনা থাকলেও তা পরে কমে গিয়েছে। তবে খুব বেশি দুরন্তপনা ছিলাম না একটু ঠাণ্ডা প্রকৃতির ছিলাম। কোথাও ঘুরে বেড়ানো এইসব আমার নেচারে ছিল না। আমি একটু ভদ্র আর শান্তশিষ্টই ছিলাম কৈশোরে।
খোশগল্প.কম: সরলতা কি মানুষের ব্যক্তিত্বের দুর্বলতা?
উসামা: হতে পারে, তবে পারসেপশনের এর উপর নির্ভর করে। করো পারসেপশনের হচ্ছে নিজকে জাহির করা। এখানে একটা ফাইন লাইন আছে, একদিকে ভদ্রতা আর অন্যদিকে হচ্ছে সবাই আমাকে কন্ট্রোল করতে পারবে, আমি কারো কথা ফেলতে পারব না। এখানেও একটা ফাইন লাইন আছে, ভদ্রতা অনেক বড় একটা আর্ট। এটা মেইনটেইন করা উচিৎ। এই দ্যা সেইম টাইম ভদ্রতা মেইনটেইন করা, এট দ্যা সেইম টাইম নিজকে মেইনটেইন করা উচিৎ।
খোশগল্প.কম: আপনি কি বুয়েটে Rag খেয়েছেন বা দিয়েছেন?
উসামা: না কখনও খাইনি বা দেইও নি।
খোশগল্প.কম: আপনি কি মনে করে Rag সম্পর্কের উন্নতি করে?
উসামা: ডিপেন্ডস। Rag দেওয়ার নামে সিনিয়ররা জুনিয়রদের সাথে যা করে সেটা একটা হেরেসমেন্ট। আমি মনে করি এই ধরণের Rag  উচিৎ না, থামানো উচিৎ। তবে আমি মনে করি সাধারণ ভাবে সিনিয়র জুনিয়রদের সাথে যদি একটা সম্পর্ক তৈরি করার প্রয়াস করা যায়, তাহলে ঠিক আছে। এই জায়গাটাতে নিজকে প্লেসমেন্ট দেওয়া। তাহলে নিজের কাছে জিজ্ঞেস করা উচিৎ এটা করা কি উচিৎ নাকি?
খোশগল্প.কম: রিসেন্টলি কালচারাল প্রোগামের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, এদিকে কি বুয়েটের টেকনিক্যাল দক্ষতার কি অবনতি হচ্ছে বলে আপনি মনে করেন?
উসামা: এখানে আসলে ব্যালেন্সের একটা কথা চলে আসে। সবাই মজা পাচ্ছে, এই জিনিসটাতে কোন বাঁধা নেই। কিছু কিছু বিষয়ের টেকনিক্যাল ক্লাব নেই আমাদের। আমাদের কিন্তু বিভিন্ন ক্লাব আছে, আমি বলব না দরকার নেই। যেগুলো কোর সাবজেক্টের সাথে আরও বেশি রিলেটেড ( এ মূহুর্তে নাম মনে আসছে না) কিছু নেই।  আমার মনে হয় কালচারাল প্রোগামের সাথে এই টেকনোলজির সো কেস, প্রোগ্রামিং কনটেস্ট সহ আরও অনেক কিছু যদি গ্রো করা যায়। তাহলে একটা ব্যালেন্স তৈরি হবে।  কোনকিছুই একদিকে খুব একটা বেশি ভালো না। জীবনে ব্যালেন্সটা বেশি জরুরী।
খোশগল্প.কম: আপনার ব্যক্তিগত জীবনে কোন অপূর্ণতা আছে?
উসামা: না এমন কোন অপূর্ণতা নেই আল্লাহর রহমতে। সেকেন্ড ইয়ারের দিকে এসে ইচ্ছা ছিল টিচার হওয়ার, সেটা তো এখন পূণ হলই।  এমন কোন অপূর্ণতা এখন পর্যন্ত নেই।
খোশগল্প.কম: আপনাকে নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ প্লান কি?
উসামা:  আমি এখন যেহেতু টিচার প্রফেশনে আছি, সুতরাং আমার পিএইচডি করাই লাগবে। পিএইচডির জন্য আমরা দেশের বাইরে যাওয়া লাগবে, পিএইচডি শেষ করে আমি আবার চলে আসব। সবাই  দেশের বাইরে গেলে চিন্তাভাবনা পাল্টে যায়। আমি এখন ম্যারিড, দেশের বাইরে গেলে যদি আল্লাহ চায় তাহলে বাচ্চা-কাচ্চা থাকতে পারে সেখানে। তবে তখন সেখানে মেন্টালি সিচুয়েশন কি হবে বলা যায় না। এখন আমার ডেফিনিটলি ইচ্ছা আছে যে পিএইচডি শেষ করে দেশে ফেরা। বুয়েটের প্রতি আমার ডিপার্টমেন্টের প্রতি আমার ভালো লাগা আছে, ফিলিংস আছে। বুয়েটের সব স্টুডেন্টরা হচ্ছে দেশের সবচেয়ে টপ স্টুডেন্ট, তারা যদি সব দেশের বাইরে চলে যায় তাহলে দেশের সেবা করবে কারা? তাই আমি ফিরে আসব।
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

মতামত