সাবরিনা রশিদ সেওন্তী, অনেক কাজের ভিড়ে ভালো ভালো রেজাল্ট করার সিক্রেট কি তার কাছে জানতে চাইলে ,”ব্যালেন্স। লাইফে যে যতবেশি সুন্দর ভাবে ব্যালেন্স করতে পারে সে ততবেশি সফল হতে পারে। তুমি কিভাবে টাইম ম্যানেজ করতেছে, নিজের প্রেয়টি কিভাবে সেট করছ, তোমার টাইমটাকে কিভাবে ইউটিলাইজ করতেছে এটা ইম্পরট্যান্ট ব্যাপার”।

ডু ইট নাউ অর নেভার

লিখেছেন...admin...জুন 12, 2016 , 4:42 পূর্বাহ্ন

sy

খোশগল্প.কম: তোমাকে যদি একটা স্ট্রেঞ্জারের পরিবেশে সবার সামনে নিজেকে  পরিচিত করতে বলা হয় কী পরিচয় দিবে?

সেওন্তী: আমি কোন নতুন পরিবেশে গেলে সবার আগে সবাইকে জাজ করা শুরু করি তারপর সেই অনুযায়ী কথা বলার চেষ্টা করি।

খোশগল্প.কম: তুমি বুয়েটে পড়ছ, তোমার কি আগে থেকেই বুয়েটে পড়ার ইচ্ছা ছিল?

সেওন্তী: আমার এই ইচ্ছা গ্রো করে আসলে ম্যাথ অলিম্পিয়াড থেকে। দেখলাম ম্যাথের অন্য রকম একটা মজা আছে। সেখানে একটা ফ্রেন্ড সার্কেল হল। যারা প্রব্লেমও সলভ করতে পারে একসাথে লাইফের মজাটাও নিতে পারে । তাদের এই ব্যাপারগুলো আমার বেশ ভালো লাগল। তখন দেখলাম তারা বুয়েট ডাইমেনশান। ঠিক সেখান থেকেই।

খোশগল্প.কম: তুমি এখন ম্যাথ অলিম্পিয়াড এর ট্রেইনার, অনেকদিন যুক্ত আছ ম্যাথ অলিম্পিয়াডের সাথে। সেখানকার অভিজ্ঞতাটা একটু বর্ণনা কর।

সেওন্তী: এটা আমার লাইফের ওয়ান অফ দ্যা সুইটেস্ট মেমরি। আমি ২০০৫ এ থেকে অংশগ্রহণ শুরু করি। একটা জিনিস দেখা যেত আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেখানে মুখস্থ বিদ্যাটাকে প্রধান্য দেওয়া হয়। কিন্তু এইখানে ছিল তুমি কত ডিফারেন্ট ওয়েতে চিন্তা করে এটা সলভ করতে পার। সবচেয়ে ডিফারেন্ট ওয়েতে চিন্তা করে সলভ করতে পারলে তার জন্য ১০০০০ হাজার টাকা পুরস্কার থাকত। এই যে একটা জিনিস শিখার প্রতি আগ্রহ তৈরী করা এটাই আমার ভালো লাগে। আর এখানের ফ্রেন্ডদের সাথে পরিচিত হতে পেরে আমার নিজেকে ভাগ্যবতী মনে হয়। এদের সাথে এখনও নিয়মিত যোগাযোগ হয়। আমার কখনো মনে হয় নাই এরা আমার অপরিচিত। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এদের সাথে আমার দেখা হত বছরে একবার। এরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে আছে।

খোশগল্প.কম: তুমি অনেক কো কারিকুলাম একটিভিতে জড়িত আছ, তারমধ্যে একটা হচ্ছে বিতর্ক। বিতর্কতে জড়িত হওয়ায় গল্পটা কি ছিল?

সেওন্তী: আমি বুয়েটে আসার পর বিতর্কতে যোগ দেই।আগে ইচ্ছা ছিল, কিন্তু করা হয় নাই । এখানে আসার পর দেখলাম এত ভালো সুযোগ আছে তারপর থেকেই যুক্ত হলাম। বুয়েট ডিবেটিং ক্লাবে এসে দেখলাম যারা একেবারে নবীন বিতর্কে তাদেরও অনেক কিছু করার আছে, এই ইন্সপিরেশনে টা বুয়েট ডিবেটিং ক্লাব থেকে পাওয়া। বিতর্কে কতটা ভালো হব জানি না। একটু ভিন্ন রেশিও তে চিন্তা করা এবং মানুষের সামনে কথা বলার যোগ্যতা টা এখান থেকেই এসেছে। বুয়েটে আমার এখন পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে আপনার পরিবার হচ্ছে বুয়েট ডিবেটিং ক্লাব। এটা আমাকে শুধু বিতর্কের দিক থেকেই না, পরিবারের বন্ধন, কনফিডেন্ট এগুলোও আমি বিতর্ক থেকে পেয়েছি। এগুলো আমার পথচলাতে অনেক সাহায্য করছে এখন।

খোশগল্প.কম: তুমি তো ক্যারিয়ার ক্লাবের সাথে ও যুক্ত?

সেওন্তী: হ্যাঁ, এটা আমার বুয়েটের ফার্স্ট ক্লাব। বুয়েটে আসার আগে আমাদের ৭ মাস গ্যাপ ছিল, তখন আমার ক্যারিয়ার ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ভাইয়ার সাথে পরিচয় হয়। তখন ভাইয়াকে জিজ্ঞেস করলাম, ভাইয়া এখানে কাজ কি?  ভাইয়া তখন বলল, বুয়েট থেকে পাশ করে বের হবার পর এখান থেকে দিকনির্দেশনার দেওয়া হয়। আর একটা কাজ হচ্ছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। তোমাকে কিভাবে ইভেন্ট ম্যানেজ করতে হবে, লিডারশীপ এইসব বিষয়গুলোকে শিখানো হয়। তোমাকে যে শুধু জবই করতে হবে এমনই না এখানে উদ্যোক্তা হওয়ার ডেভেলপমেন্ট শিখানো হয় এবং বাইরে স্কলারশিপ পেতে কী করতে হয় এসব ব্যাপারেও আমি ক্যারিয়ার ক্লাব থেকে শিখেছি।

খোশগল্প.কম: খোশগল্প.কম: বুয়েটের তুমি ড্যান্স ক্লাবের সাথে যুক্ত, ড্যান্স কি তুমি ছোটবেলা থেকেই শিখতে?

সেওন্তী: না একদমই না। বুয়েটে আসার পর  আমার অনেক সুপ্ত স্বপ্ন পূর্ণ হয়েছে। এখানে সেই স্কোপগুলো ছিল। তুমি যখন স্টেজে থাকবে সেখানে তোমাকে রিপ্রেজেন্ট কর, তখন সবাই তোমাকে দেখবে। তুমি সবাইকে তোমার দিকে দৃষ্টিতে  রাখ। তখন তুমি ঐ মূহুর্তটা লিড দিচ্ছ।

খোশগল্প.কম: ভার্সিটিতে এসে তোমার চিন্তা ভাবনা অনেক প্রসারিত হয়েছে নিশ্চয়ই। তোমার চিন্তা ভাবনা স্কুল লাইফে এত প্রসারিত ছিল না, হঠাৎ এত বড় ধরনের পরিবর্তন কি প্যাশনেট হওয়ার কারণে?

সেওন্তী: আসলে আগে যখন স্কুল-কলেজে ছিলাম। তখন বাসা থেকে বের হওয়া হত না তেমন একটা। বাবা-মায়ের আদরের একমাত্র মেয়ে, বাবা-মা ই সবকিছু করে দিত। তারপর যখন তাদের রেখে আসলাম, তখন বুঝলাম বাবা-মায়ের ফেদারের বাইরেও একটা বড় জগৎ আছে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমি আমার গোল এচিভ করতে না পারব, ততক্ষণ আমি নিজকে পরিণত মানুষ হিসাবে পরিচয় দিতে পারব না। এখন  না করলে আর হয়তো চান্স আসবে না। ডু ইট নাউ অর নেভার। তাই আমি চাইতাম যাই করি না কেন, যেন আমার এক্সপিরিয়েন্স হয়। এগুলো যেন কাজে লাগাতে পারি, এর ইন্সপিরেশনে টাই আমার কাজে লাগছে।

খোশগল্প.কম: তোমার এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী চিন্তা ভাবনার পিছনে কারো প্রভাব আছে?

সেওন্তী: আমার বাবা-মা। এই দুইটা মানুষ আমার জন্য তাদের লাইফটা স্যাক্রিফাইস করে দিছে। ছোটখাটো যে জিনিস চাইছি সবকিছুই আমাকে দিছে। আমি যখন ফাইভে বৃত্তি পরীক্ষায় ময়মনসিংহে ফার্স্ট হই, তখন আমি আমার মায়ের মুখে যে হ্যাভেনলি হাসি দেখেছিলাম। আমি তখন থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমি সবসময়ই এই হাসি দেখতে চাই। আমার শুধু এই স্মাইলটাই ইন্সপিরেশনে। আমি যখন বলি ডিপার্টমেন্টে সিজি ভালো এসেছে, কম্পিটিশনে জিতে  এসেছি তখনও দেখি মায়ের মুখে সেই  স্মাইলটা। আমি এই স্টাইলটা দেখার জন্যই সবকিছু করতে চাই।

খোশগল্প.কম: তুমি এত কিছু করার পরও নিজকে টিচার ফাইটিং রেসে ধরে রেখেছ, এর পেছনে কি কোন সিক্রেট আছে?

সেওন্তী: ওয়ান ওয়ার্ড, ব্যালেন্স। লাইফে যে যতবেশি সুন্দর ভাবে ব্যালেন্স করতে পারে সে ততবেশি সফল হতে পারে। তুমি কিভাবে টাইম ম্যানেজ করতেছ, নিজের প্রায়রিটি কিভাবে সেট করছ, তোমার টাইমটাকে কিভাবে ইউটিলাইজ করতেছে এটা ইম্পরট্যান্ট ব্যাপার। বুয়েটে রেজাল্ট ভালো করতে হলে দিনরাত ২৪ ঘন্টা  পড়াশোনা করা লাগে না। তুমি জিনিসগুলো বুঝে পড় তাহলে অনেক কাজে দিবে। আর কারিকুলাম একটিভিটি তোমাকে রিফ্রেশমেন্ট দিবে। দেখা যাবে তুমি ২ ঘন্টা ডিবেট করে গিয়ে পড়তে বসছ তখন জিনিস গুলো তোমাকে ভালো ভাবে চিন্তা করতে সাহায্য করছে। জিনিস গুলো একে অপরের সম্পূরক।

খোশগল্প.কম: তোমার কোন হতাশ চোখে পড়ছে না, যদি তুমি হতাশ হও তাহলে কিভাবে কাম ব্যাক কর?

সেওন্তী: আমি বোধহয় বুয়েটের সবচেয়ে হতাশ মানুষ, যদিও এটা কেউ বিশ্বাস করবে না। তুমি কতটা হতাশ হচ্ছ এটা ইম্পরট্যান্ট না, তুমি কতটা দ্রুত কাম ব্যাক করছ সেটা ইম্পরট্যান্ট। এমন সময় এসেছে আমি একটা জিনিস পারি না। এটা নিয়ে কখনও পিছিয়ে পড়া যাবে না। এটা নিয়ে ফাইট দিয়ে তোমাকে আগাতে হবে। আমি যতটা না আমার সাকসেস থেকে শিখেছি তার থেকে বেশি শিখেছি ব্যর্থতা থেকে।

খোশগল্প.কম: যে সব মানুষরা জীবন কে রেস ভাবে তারা একটু কম আবেগী হয়, তোমার কি আবেগ কম?

সেওন্তী: সেটি মোটেও না । এটা সবসময়ই এক্সপ্রেস করা হয় না। ক্যাম্পাসে সবাই আমাকে এক্সট্রোভার্ট হিসাবে চিনে, কিন্তু ক্লোজরা জানে আমি একটু ইন্ট্রোভাট। যেগুলো প্রকাশ করার দরকার পরে তা প্রকাশ করি। কারো জন্য কিছু করার দরকার হলে করি। তবে কিছু আত্মমূলক কথা নিজের মধ্যে রাখি।

খোশগল্প.কম: তোমার এমন কোন অপূর্ণতা যা তুমি দূর করতে চাও?

সেওন্তী: একজীবনে মানুষ আসলে সব করতে পারে না। সবাই বলে আমি সবকিছু করি। আমি আসলে সবকিছু করি না। আমি ক্যারাটে শিখতে গেলাম, সেখানে একটু পেইন পেয়ে আর শিখা হল না। আমার ইচ্ছা আছে এখনও। কখনও সময় হলে ক্যারাটে বেল্ট নেওয়া। স্পোর্টসে কিছু করতে চাই। একটা হতাশার ব্যাপার হচ্ছে বুয়েটে যেমন ছেলেদের জন্য খেলার টুর্নামেন্ট থাকে, মেয়েদের জন্য কোন অপশন নাই। কখনও যদি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট হয় তাহলে আমি সেখানে একটা কিছু করে দেখাতে চাই।

খোশগল্প.কম: বুয়েটের ছাএী হলে সুযোগ সুবিধার সীমাবদ্ধতা কোথায় বা আর কোন সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা যায় তোমার মতে?

সেওন্তী: হলের ক্ষেত্রে কিছুটা মিসম্যানেজমেন্ট হয়ে যায়। আমাদের খাবার গুলো হয়তো দেশের বেস্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি হিসাবে হওয়া উচিৎ ছিল সেই মানের না। আবাসিক হলগুলো এখনও উন্নত হয়নি। টেকনিক্যাল সুবিধা এখন দেওয়া হয়নি। আমরা যারা বাসা থেকে দূরে থাকছি তারা যেন একটু হলেও মানসম্মতভাবে জীবনযাপন করতে পারি। তাদের পড়াশোনার যেন ভালো একটা পরিবেশ থাকএ জরুরী।

খোশগল্প.কম: তোমার হল জীবন কেমন কাটছে?

সেওন্তী: মোটামুটি ভালোই কাটছে। জীবনে তো কিছু সুবিধা অসুবিধা থাকবেই। এখন অনেক টা এডাপ্ট করে ফেলেছি। আগে তো কখনও বাসার বাইরে বাবা-মা ছাড়া থাকা হয়নি।, তাই ১/১ খুব সমস্যায় কাটাইছি। বাবা-মা ছাড়া একটু কষ্ট হত। খাবার দাবার আগে মা নিজেই খাইয়ে দিত , এখন নিজেরটা নিজেই খাই।  সবকিছুরই ভালো দিক থাকে। অনেক ভালো একটা ফ্রেন্ড সার্কেল পেয়েছি হলে। আমার রুমমেটরাও খুব ভালো। এখন এরাই আমার খুব কাছের জন হয়ে গেছে। একসাথে মুভি দেখা, একসাথে কোন খাবার শেয়ার করে খাওয়া, লেট নাইট চ্যাটিং। হল এখন আমার কাছে সেকেন্ড হোম।

খোশগল্প.কম: পরিবারের সন্তান হিসেবে তুমি কতটা দায়িত্বশীল?

সেওন্তী: আমার ২ ভাই। বড় ভাইয়া ডাক্তার হয়ে গেছে, ছোট ভাইয়া ডাক্তারি পড়ছে। সেই হিসাবে আব্বু আম্মু আমাকে কখনও মেয়ে হিসাবে ট্রিট করে নাই। বাসায় ২ ভাইয়ের থেকে আমি প্রায়রিটি পেয়েছি। যেখানে ভাইয়েরা সবসময় প্রায়রিটি বেশি পায় সেখানে আমি অনেকটা বেশি পেয়েছি। আমাকে সবকিছু দেওয়া হয়েছে কিন্তু সেন্স অব রেসপনসিবিলিটি গ্রো হয় নাই। আমার বাবা-মা সবসময় বলত আমাদের কাছে সবকিছু আছে, তোমাকে আমাদের কিছু দিতে হবে না। আগে তুমি নিজে ভালো থাক, ইনজয় কর, একটা কারেক্ট পথে চল, একজন ভালো মানুষ হও। তো আমার লক্ষ্য এটাই।

খোশগল্প.কম: মানুষ নিজে ভালো থাকার ওয়েটা কিভাবে খুঁজে নিতে পারে?

সেওন্তী: এটা তুমি শুধু একা না, তোমার বন্ধু, তোমার পরিবার সবাইকে নিয়ে ভালো থাকা। সবাই কে নিয়ে হ্যাপি থাকাটাই  প্রধান। তুমি চাইলে অনেক কিছু করতে পারবে, কিন্তু দিনশেষে যখন এসেও ঘরে তোমার পরিবার আছে তাদের দেখে তোমার ভালো লাগছে। তাদের সাথে তোমার সুখ-দুঃখ ভাগ করতে পারছ।  এটাই তোমার হ্যাপি থাকার জন্য এনাফ। যারা তোমাকে বোঝে তাদের ভালো রাখাই হ্যাপিনেস।

খোশগল্প.কম: তোমাকে যদি বলা হয় তুমি ১০ টা ৬০/৭০ বছরের জীবন নাকি একটা হাজার বছরের জীবন, কোনটা নিবে তুমি?

সেওন্তী: একটা এক হাজার বছরের জীবন। একটা জীবন ই সুন্দর ভাবে, ভালো মত থাক, ভালো ভাবে লাইফ লিড কর। ১০ টা জীবনের দরকার নাই।

খোশগল্প.কম: তুমি যে সাবজেক্টে পড়ছ, ওয়াটার রিসোর্স এ, এটা নিয়ে তোমার প্লান কি?

সেওন্তী: বাংলাদেশের বড়  একটা সমস্যা পানি সমস্যা। দেখা যাচ্ছে ইন্ডিয়ার সাথে পানি নিয়ে সমস্যা। আমরা যখন ঢুকসি তখনও প্রতিবছর ৩০ জন করে ইঞ্জিনিয়ার বের হত। আমাদের দেশের যে পানি সমস্যায় পড়ে তার জন্য অনেক ইঞ্জিনিয়ার দরকার। আমি চাই ইন্টারন্যাশনাল লেভেলে নেগোশিয়েশনে করে যে দরকারী পানি সেটা নিয়ে আসা। এর জন্য বাংলাদেশ সরকারের যেখানে থাকা দরকার আমি সেখানে থাকতে চাই। আল্লাহ তায়লা যদি সহায় থাকেন।

খোশগল্প.কম: তাহলে কি তোমার ডিপ্লোম্যাট হওয়ার ইচ্ছা?

সেওন্তী: হ্যাঁ, আমি যেন সেই ক্ষেত্রে কাজ করতে পারি । এই ব্যাপারে যারা কাজ করে। তারা  নেগোশিয়েশনে করে এই কাজটা করতে পারব। আমি যদি সেই জায়গায় যেতে পারি। দেশের জন্য এটা করে নিয়ে আসব। এটা দেশের জন্য অনেকভালো হবে। যেহেতু আমরা নদীমাতৃক দেশ এটা আমাদের একটা বড় অর্থনৈতিক পরিবর্তন ও এনে  দিবে।

খোশগল্প.কম: তোমার কাছে কি মনে হয় নারীদের অগ্রগতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে আসছে?

সেওন্তী: না, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এখনও চেঞ্জ হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন না হবে ততদিনে এটা পরিবর্তন হবে না। তবে দিনদিন পরিবর্তন হচ্ছে, নিউ জেনারেশন মনে করছে নারীদের হাতে হাতে রেখে কাজ করা সম্ভব। তারা নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যখন তোমাকে একটা মেয়ে হিসাবে ট্রিট করা হবে না , তারাও মানুষ এটা ভাবা হবে তখন আমরা আসলে একটা ভালো বাংলাদেশ পাব।

 

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn107Pin on Pinterest0

মতামত