নিজের কাজটিকে সবসময় প্রাধান্য দেন কোন কাজের শুরু থেকে। সেই থেকেই শোনালেন নিজের আফসোসহীন জীবনের কথা। পড়ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান বিভাগে। মনোবিজ্ঞানী হওয়ার লালসা লালন করে যাচ্ছেন ভিতরে। এছাড়া জড়িত আছেন সাইকোলজি রিডিং ক্লাবে।

বিগত বছরগুলোর তুলনায় মানুষজন এখন মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অনেক সচেতন

লিখেছেন...admin...ফেব্রুয়ারী 28, 2016 , 5:38 পূর্বাহ্ন

sayad

খোশগল্প.কম: ছোটবেলা কোথায় কেটেছে?

সায়েদ: আমার ছোটবেলাটা বলতে গেলে ঘোরাঘুরির মধ্যেই কাটছে। আমার জন্ম দিনাজপুরে। সেখানে কিছুদিন ছিলাম। তারপর কিছুদিনের জন্য রংপুর, ঠাকুরগাও হয়ে ঢাকায়।ঢাকায় বলতে অনেকদিন থাকা হয়েছিল। আমার স্কুল লাইফের শুরু হয়েছিল এই শহরটাতেই।তারপর একদিন ঘরের ছেলে যেরকম ঘরে ফেরত আসে, তেমন একদিন আমার পরিবার আবার দিনাজপুরেই ফেরত আসে।

খোশগল্প.কম: বাহ। স্কুল লাইফটা কেমন ছিলো?

সায়েদ: সত্যি কথা বলতে কি, আমার স্কুল লাইফ কেমন ছিল? এইরকম প্রশ্ন করলে আমি একটু থতমত খেয়ে যাই!আসলে, স্কুলে যেতাম, ক্লাশ করতাম, টিফিন খেতাম…এইত…কিছু মানুষজন জুটে গিয়েছিল, যাদের সাথে একসাথে স্কুলে যাওয়া-আসার কাজটা হত।আর আমার এই পর্যন্ত স্কুলে পড়ছি, এমন স্কুলের সংখ্যা প্রায় ১০ টার মতন। যার অধিকাংশের নাম আমার মনে নাই। ছোটছিলাম তো। তবে ঢাকায় শেষ যে স্কুলটাতে পড়েছিলাম, সেটার নাম সম্ভবত মাতৃছায়া টাইপের কিছু একটা হবে।

খোশগল্প.কম: মনে নেই? ওকে তাহলে কলেজ নিয়ে বলেন কিছু। কেমন কাটছে?

সায়েদ: আমি যদি এখন পর্যন্ত আমার প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনাটাকে বিভিন্ন পর্যায়ে ফেলি, তাহলে বলব এর তিনটা ভাগ আছে। স্কুল, কলেজ আর ইউনিভার্সিটি।তবে মজার ব্যাপার হলো এই তিনটার মধ্যে কলেজের সময়টাতে আমার সবচেয়ে জঘন্য কেটেছে!আমার কলেজ ছিল দিনাজপুর সরকারী কলেজ। সরকারী কলেজ হওয়ার কারণে ক্লাশ খুব একটা হত না। সেজন্য কলেজে খুব বেশি মানুষের সাথে পরিচয়ও হয় নি!তবে কলেজ লাইফে একটা জিনিশ ভালো ছিল, ক্লাশ হত না বলে ঘুরে বেড়ানোর অফুরন্ত সময় পাওয়া যেত। এমনও দিন গেছে, সারাদিন অচেনা একটা জায়গা চষে বেড়িয়েছি। এইতো।

খোশগল্প.কম: ঘুরে বেড়ানো বলতে আশেপাশেই?

সায়েদ: দিনাজপুর শহরটা আসলে একটু বড়। আবার মফঃস্বল।সেজন্য হয়ত কাছে ঘুরে বেড়ানোর মতন জায়গা বলতে যেটা বোঝায় সেটা খুব বেশি ছিল না।আর আমার সেই জায়গাগুলোতে যেতেও ইচ্ছা করত না।আমার নিজের একটা সাইকেল ছিল। তো কি করতাম, সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়তাম। কোথায় যাচ্ছি, কিছুই জানি না! বেড়িয়ে পড়তাম।তারপর ক্লান্ত হয়ে পড়লে বাসায় ফেরত আসতাম।

খোশগল্প.কম: এখনো সাইক্লিং করা হয়?

সায়েদ: এখন আর করা হয়ে উঠে না।

খোশগল্প.কম: ভার্সিটির শুরুটা কেমন??বা এডমিশনের আগের সময়? ওই সময় একটা স্টুডেন্টের অনেক কঠিন একটা সময় যায়!

সায়েদ: আসলে ভার্সিটিতে পড়ব কিংবা ভর্তি পরীক্ষা দিব, এটা আমি নিজেই শিওর ছিলাম না।একদিন হঠাৎ মনে হলো, আচ্ছা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা পরীক্ষা দিয়েই দেখি না, দেখা যাক কি হয়…তারপর পরীক্ষা দিলাম। যদি গল্প বলতাম, তাহলে দেখা যেত আমি ভর্তি পরীক্ষা অনেক ভালো করতাম।কিন্তু সেটা হয় নাই। আবার একেবারে খারাপও হয় নাই। মোট কথা আমার এক্সপেক্টেশন অনুযায়ী হয় নাই।

খোশগল্প.কম: এক্সপেক্টেশন কেমন ছিল?

সায়েদ: আসলে সেইরকম অর্থে কোন এক্সপেক্টেশন ছিল না। মানে হইল, আমার রেজাল্ট নিয়্যে আমি নিজেই সন্তুষ্ট ছিলাম না।এইত…অবশ্য, এটা কয়েকদিনের জন্য মাথার মধ্যে ছিল। তারপর সব আবার আগের মতন।

খোশগল্প.কম: এখন কিসে পড়ছেন?

সায়েদ: এখন সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টে পড়ছি।

খোশগল্প.কম: ব্যাপারটা মজার না?

সায়েদ: সাবজেক্ট?

খোশগল্প.কম: হুম।আর সবমিলিয়েও?

সায়েদ: সাবজেক্ট হিসাবে যদি বলি, তাহলে সাইকোলজি অসাধারণ একটা বিষয়। শুধুমাত্র পড়ার জন্য বা, বোঝার জন্যেও।আমাদের দেশের পারসপেক্টিভে যদি বলা হয় তাহলে বিষয়টা হলো, মনে করুন আপনি একজন কৃষক। আপনাকে একটা জমি চাষ করতে হবে। এখন আপনি মাঠে যেয়ে দেখলেন, সেখানে আর কেউ নেই! শুধু আপনি একাই। ব্যাপারটা যেমন আতংকের, ঠিক পাশাপাশি এই কথাটাও সত্য, আপনি যদি চাষ করতে চান, তাহলে আপনিই হবে এইক্ষেত্রে প্রথম!আমাদের দেশের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা অনেকটা এইরকম। কাজ করার মানুষ নেই।

খোশগল্প.কম: ব্যাপারটা কি এমন হতে পারেনা যে সেই কৃষককে আপনাদের ভাষায় মোটিভেট করা হচ্ছেনা?

সায়েদ: হ্যাঁ, হতে পারে। আসলে এর পিছনে কোন নির্দিষ্ট একটা কারণকে দায়ী করা উচিত হবে না। অনেকগুলো ফ্যাক্টর আছে এর পিছনে।

খোশগল্প.কম: ব্যাপারটা কি ডিটেইলস বলার মতো?

সায়েদ: অনেকটা অবকাঠামোগত সমস্যা বলা যায়। দুইদল মানুষ আছে যারা প্রত্যেকে নিজের যায়গা থেকে হয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছে, কিন্তু তাদের এই প্রচেষ্টাটা হয়ত সম্মিলিতভাবে হচ্ছে কাজ করার জায়গাটা জোর পাচ্ছে না।আবার অনেক সময় সামাজিক, পারিবারিক বিভিন্ন পারিপার্শিক চাপের কারণেই অনেকেই কাজ শুরু করার ঝুকি নিতে পারে না। সেটাও একটা কারণ হতে পারে।এভাবে বলতে গেলে অনেক কিছুই বলা যায়, তবে কথা হচ্ছে এই ছবিগুলোর পরিবর্তন হচ্ছে। বিগত বছরগুলোর তুলনায় মানুষজন এখন মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অনেক সচেতন। কাজেই আস্তে আস্তে হবে।একটু সময় দিতে হবে।

খোশগল্প.কম: হুম। তা ঠিক। মানুষ এখন সচেতন। তো প্রফেশন কি এই সাইডটাই ফিক্সড করছেন?

সায়েদ: হ্যাঁ, ইচ্ছে আছে

খোশগল্প.কম: ইচ্ছে অনুযায়ী কাজও তাহলে আগাচ্ছে বলা যায়?

সায়েদ: চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। দেখা যাক কতটুকু কি করা যায়…

খোশগল্প.কম: শুনেছি বই নিয়ে ভালোই সময় কাটে?

সায়েদ: সময় কাটানো হয় আরকি।

খোশগল্প.কম: কিরকম বই পড়া হয় বা ভালো লাগে?

সায়েদ: এটা আসলে নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। আমি হলাম বলা যায় সর্বভুক।সবকিছুই পড়ার চেষ্টা করে থাকি।

খোশগল্প.কম: আর কালেকশন?

সায়েদ: কালকেশনে আছে কিছু। চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, ছোটখাট একটা বইয়ের কালেকশন তৈরি করার।

খোশগল্প.কম: সর্বভূক বলছিলেন তো এই অভ্যাসটা কবে থেকে?

সায়েদ: আসলে বইপড়ার অভ্যাসটা ছোটবেলা থেকেই। তবে তখন যেটা হত, হাতের কাছে খুব বেশি কিছু না পাওয়ায় দেখা যেত একই বই বারবার পড়া হচ্ছে।তারপর আস্তে আস্তে যখন বইপত্র পাওয়া শুরু হলো, তখন থেকে চেষ্টা করি সবদিকে এক-আধটু ঢুঁ মারার।

খোশগল্প.কম: প্রথমে কোন বইটা দিয়ে শুরু হয়েছিলো?

সায়েদ: ঠিক স্পষ্ট করে বলতে পারব না, তবে মনে হয় ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ ছিল বোধ হয়।

খোশগল্প.কম: বই পড়াকে বাদ দিলে অবসর কি নিয়ে?

সায়েদ: ঘুমায়, মাঝেমধ্যে মুভি দেখে আর গান শুনে

খোশগল্প.কম: মুভি একটা ইন্টারেস্টিং বিষয়,কি বলেন?

সায়েদ: অবশ্যই, আপনার অবসর কাটানোর জন্য অনেক ভালো একটা মাধ্যম।

খোশগল্প.কম: হলে তো থাকছেন! হল লাইফ নিয়ে কিছু বলুন।

সায়েদ: আমার মনে হয় পৃথিবীতে যারা হলে থেকেছে, তাদের হয়ত অনেক কিছু নিয়েই অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। বাড়িঘর থেকে, মা-বাবাকে ছেড়ে, খাবার-দাবারের দুরাবস্থা সবকিছু মিলিয়ে এখানে থাকাটা আসলে বেশ কষ্টকর একটা পরিস্থিতি। তবে শেষপর্যন্ত এই কষ্টকর অবস্থাটা আর থাকে না। ইউনিভার্সিটি লাইফের কথা যদি বলি তবে সেটা ইউনিভার্সিটির এই হল লাইফ ছাড়া অসম্পূর্ণ।

খোশগল্প.কম: জীবনে এই পর্যন্ত আফসোসের জায়গা কোনগুলো?

সায়েদ: আফসোস নাই তো।সবকিছুই তো ঠিকঠাকমত চলছে। যা করতে চেয়েছি, সেটা করছি। যেটা পেতে চেয়ছিলাম, সেটা পেয়েছি বা পাচ্ছি কিংবা পাব।সবমিলিয়ে আফসোস করার জায়গা নাই।

খোশগল্প.কম: আফসোস ছাড়া মানুষ পাওয়া যায়?

সায়েদ: হয়ত ক্ষনিকের জন্য কিছুটা থাকে, ইস! কেন এইটা হইল কিংবা কেন ওটা হলো না!এই টাইপের কথাবার্তা মাথায় যে আসে না, তা না। মাঝেমধ্যে এইরকম মনে হয়। তবে সেটা ঐ মনে হওয়া পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। সেটা নিয়ে পড়ে থাকা আর হয়ে উঠে না।

খোশগল্প.কম: ভালো বলছেন। সাইকোলজি নিয়ে কিছু গতানুগতিক ব্যাপার চলে আসে….মনের সমস্যা,পাগলের ডাক্তার,পাগলদের সাথে থাকা,ব্যাপারগুলো ফেস করেছেন কখনো?

সায়েদ: এইরকম প্রশ্নের সম্মুখীন আগে প্রায়ই হতাম। এখনো হই। তবে যেটা বলেছিলাম, ধীরে ধীরে এই সংখ্যাটা কমে আসছে।

খোশগল্প.কম: আপনি তো “পি আর সি” র সাথে জড়িত। কিছু বলুন এই সম্পর্কে..

সায়েদ: “পিআরসি” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টের কিছু ছেলেমেয়েদের দ্বারা পরিচালিত একটা সংগঠন বলা যায়। যার অভিভাবক হিসেবে রয়েছে সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক মো সেলিম হোসেন স্যার। বলতে কিছু মানুষজনকে তিনি তার বুকের পাঁজর দিয়ে আগলে রেখেছেন। “পিআরসি” হয়ত আসলে সংগঠন বললে ভূল হবে, কারণ এর মূল কথা হচ্ছে when you know better, you do betterআমি-আপনি সবার পক্ষে  সবকিছু জানা সম্ভব না। আবার আরেকজন যেটা জানে সেটা নিয়ে আমি কোনদিন চিন্তাও করিনি। যখন এইসব বিভিন্নদিক নিয়ে আলোচনা হবে তখন এক, আমি অন্যকে বিষয়টি জানাতে পারছি কিংবা তার গুরুত্ব বোঝাতে পারছি আর দুই, বিষয়টি আমি কতখানি ভালোমত বুঝছি সেটা বোঝা যায়। এইসব বিভিন্ন পারস্পেক্টটিভ থেকে কথা বলা কিংবা কথা বলার চেষ্টা করাই পিআরসি মূল উদ্দেশ্য।সেজন্য প্রতি সোমবার বিকেল ৩:১৫ তে পিআরসি একটি পাবলিক সেশন আয়োজন করে থাকে। যেখানে একজন বক্তা এসে শুধু সাইকোলজি না সাহিত্য, বিজ্ঞান, আর্ট, ইতিহাস, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান, বিবর্তন ইত্যাদি বিভিন্ন বিষইয় নিয়ে আলোচনা করে থাকেন।এছাড়া প্রায়ই পিআরসি তার সদস্যাদের নিয়ে পাঠচক্র আয়োজন করে থাকে। যেখানে প্রত্যেকে তার আগ্রহের জায়গাগুলো নিয়ে কথা বলে থাকে।এছাড়া মুভি দেখানো, সাইকোলজির বিভিন্ন  ব্যক্তিদের স্মরণে একটি দিন পালন করা ইত্যাদি এই কাজ “পিআরসি” করে থাকে।

খোশগল্প.কম: আপনাদের এই জায়গাটি তো ডিপার্টমেন্টের বাইরেও ভালোই সাড়া ফেলেছে….

সায়েদ: আসলে এটা ছিল একটা প্রচেষ্টা। এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল বিভিন স্কলারদের আড্ডস্থল। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেটা আজ লুপ্তপ্রায়।আমরা শুধু চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অন্যরা যেভাবে একে স্বাগত জানিয়েছে, পাশে থেকেছে, সেজন্য সবাইকে ধন্যবাদ। “পিআরসি”র পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হয় কোন বিষয়ে যিনি জ্ঞান রাখেন, কিংবা অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাকে নিয়ে বিভিন্ন পাবলিক সেশনগুলো আয়োজন করার। এর ফলে শ্রোতারা একদিকে যেমন তাদের বক্তব্যগুলো ভালোমত বুঝতে পারছে আবার একইসাথে তাদের প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর পাচ্ছে।পাবলিক সেশনগুলোতে এখন পর্যন্ত অনেকেই এসেছেন। তাদের মধ্যে যদি নাম নেওয়া হয়, তাহলে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যার, ড. মুহাম্মদ ইব্রাহীম স্যার, গোলাম মুর্সিদ স্যার, মাহবুব স্যার, আহসান হাবীব স্যার…

খোশগল্প.কম: অনেক নামী ব্যক্তিরা। প্রথম দিকে তাদের সাথে সরাসরি দেখা,কথা বলা এই ব্যাপারগুলো কেমন ছিলো?

সায়েদ: প্রথম দিকে মনে হত, এটা ছিল অনেকটা স্বপ্নের মতন। যাদের নাম শুনে, বই পড়ে বড় হয়েছি তারা আজ চোখের সামনে কথা বলছে। এ এক অসাধারণ অনুভুতি! তার চেয়ে পিআরসি একটা প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি মাত্র।

খোশগল্প.কম: ব্যবহারিক জীবনে সাইকোলজির ব্যবহার নিজের ক্ষেত্রে কতটুকু?

সায়েদ: সাইকোলজিকে আসলে আমরা নিদির্ষ্ট কোন গন্ডির মধ্যে আবদ্ধ করতে পারি না। প্রত্যেক মানুষ এক একজন আলাদা সত্তা, তাদের চিন্তা-ভাবনা ভিন্ন ভিন্ন। এবং প্রতিটা মানুষ একটি একক এটা মেনে নিয়েই সাইকোলজি কাজ করে থাকে।কাজেই স্পেসিফিক করে বলতে পারব না ব্যবহারিক ক্ষেত্রে সাইকোলজির ব্যবহার কতটুকু।

খোশগল্প.কম: সবশেষে, সবমিলিয়ে কিছু বলতে চান?

সায়েদ: প্লেটোর রিপাবলিক বইয়ে একটা কথা ছিল। বর্তমানে এটার পক্ষে-বিপক্ষে অনেক কথাই চলে আসতে পারে। তবে এটা আমার কাছে যথযথ বলে মনে হয়।সক্রেটিসকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, দেশপ্রেম কি?জবাবে সক্রেটিস বলেছিলেন, নিজের কাজ সর্বোত্তমভাবে করে যাওয়াটাই দেশপ্রেম।

 

 

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

মতামত