মারজিয়া প্রভা। কাজ করছেন নারীদের নিয়ে বহুমুখী কাজ। এইসব কাজ তাকে অনুপ্রানিত করে, সাথে শানিত। পড়াশোনা করেছেন মিলিটারি ইন্সটিটিউট থেকে এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ। তবে সেই আকাশ,মেঘের পালা চুকিয়ে করছেন সাংবাদিকতা। যা করতে তার ভালো লাগে ঠিক সেটাই। নিজেকে দাবী করেছেন অস্থির হিসেবে এবং ভবিষ্যত নিয়েও নেই কোন মাথা ব্যাথা। ইচ্ছে ছিলো সিনেমা বানানোর। নারী নির্ভর সিনেমা, যেখানে নারী আইটেম গার্ল বা প্রেমিকা হিসেবে নয়, থাকবে মানুষ হিসেবে।

ভালোবাসার কাজে কোন ক্লান্তি আসে না

লিখেছেন...admin...মে 18, 2016 , 9:16 পূর্বাহ্ন

pr

খোশগল্প.কম: MIST তে কোন ডিপার্টমেন্ট থেকে পড়াশুনা শুরু শেষ করলেন?

প্রভা: এরনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে এই ইয়ার পাশ করলাম।

খোশগল্প.কম: জব করছেন সম্ভবত!!

প্রভা: হ্যাঁ আপু। Bdyouth.com এ আছি। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছি, কিন্তু প্রফেশন হিসেবে জার্নালিজম বেছে নিয়েছে।

খোশগল্প.কম: বেছে নেয়া কি ইচ্ছাকৃত না অপরচুনিটি?

প্রভা: ইচ্ছাকৃত। আমার বন্ধুরা দল বেঁধে এয়ারলাইন্সে জয়েন করেছে। আমার ইন্টারভিউ কল এসেছিল। বাট আমি যাই নি। গ্র্যাজুয়েশন হবার আগেই আমি চাকরিতে ঢুকে যাই। এটাও প্লাস পয়েন্ট ছিল। আমি লিখতে ভালোবাসি। সারাজীবন চাইতাম এটাকেই প্রফেশন হিসেবে নিব। সেটাই পেরেছি। আমি লাকি। ভালোবাসার কাজে কোন ক্লান্তি আসে না। তাই রাত দশটা ১১টা অব্দিও অফিস করেছি।

খোশগল্প.কম: অফিসের কাজ সেভাবে বলতে গেলে কেমন?

প্রভা: বিডিইয়ুথ হচ্ছে ইয়াংদের জন্য কাজ করার একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। এটাকে নিয়ে অনেক দূর যাবার ইচ্ছা আছে আমাদের। যে তরুণ ভালো গান গায়, রিকগনেজিশনের সুযোগ নেই তার। তাকে সেই জায়গাটা করে দিব। আমাদের কদিন পর জব সাইট হবে। জব সাইটে তরুণরা তাদের নিজের কাজ তুলে ধরবে। ধরেন কোন তরুণ দারুণ কার্টুন বানায়, কোন অফিসের লোকদের কোন একটা উৎসবের জন্য কার্টুন আঁকানোর প্রয়োজন পড়ল। সে তখন আমাদের সাইট থেকে সেই তরুণকে খুঁজে পাবে, তাকে দিয়ে কাজ করাবে। এভাবে আমাদের তরুণরা আর পিছিয়ে পড়বে না। তাদের কাজের রিকগনেজিশন পাবে। আপাতত নিউজ পোর্টাল ওপেন আছে। আমরা ইয়াং ট্যালেন্ট খুঁজে তাদের গল্প লিখি, তাদের জন্য বিনোদন, লাইফস্টাইল নিয়ে লিখি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইভেন্ট নিয়ে লিখি, পাশ করে জব ক্যারিয়ার কোন কোন ক্ষেত্রে গড়তে পারে তা নিয়ে লিখি। এইতো…….

খোশগল্প.কম: অনেক ভালো উদ্যোগ অবশ্যই। তো আপনারা সাড়া পাচ্ছেন কেমন এখান থেকে?

প্রভা: সাড়া ভালই আসছে, বিশাল একটা টিম আছি আমরা। আমার পার্সোনাল একটা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে,Feminismbangla.com ; ওয়েবসাইট বানানো হচ্ছে ওটার। এই তো….

খোশগল্প.কম: তো ভবিষ্যত পরিকল্পনাও কি এই কেন্দ্রিক নাকি সেই বিমান এখনো টানে? আর অনলাইন প্লাটফর্ম টি নিয়ে যদি আরেকটু ডিটেইলসে বলতেন……

প্রভা: আমার নিজের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ফেমিনিজমবাংলার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ওমেন ইন্টারপ্রিনারদের স্টোরি জানানো। তাছাড়া আমাদের দেশে মেয়েরা নানা নতুন ধরণের ইনেশিয়েটিভ সেগুলোর স্টোরি বলা। নারী যে একটা শক্তি এটা তুলে ধরাই এই প্লাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য। আর বিমান আপাতত টানছে না ভবিষ্যৎ বলতে পারছি না।

খোশগল্প.কম: যে উদ্দেশ্য নিয়ে খুলেছিলেন সেটার রেজাল্ট কি সন্তোষজনক?

প্রভা: অনেক নারীশক্তির খোঁজ পেয়েছি। আরও পাচ্ছি। দেশে যে এত এত অফলাইন অনলাইন women entrepreneur আছে জানতামই না।

খোশগল্প.কম: তাদের খোজ পাওয়ার সোর্স কি আপনার এই ওয়েবসাইট টিই? তারাই বা এই ওয়েবসাইটের খবর জানছে কোথা থেকে?

প্রভা: না আমি তাদের খোঁজ করি, ফেসবুকে বিভিন্ন বন্ধুদের কাছে খোঁজ করে করে পাই। ফেসবুকেও তো অনেক অনলাইন শপের পেইজ আছে। অফলাইনগুলো বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে থেকেই পাই। আপনাকেই হয়ত একটু পর বলব কোন নারী নতুন কিছু করছে বা উদ্যোক্তা এমন কাউকে পেলে জানাবেন। হিহিহি

খোশগল্প.কম: জ্বি অবশ্যই। তবে উদ্দ্যোক্তা বলতে কি নির্দিষ্ট কিছু সেক্টর কে প্রায়োরিটি দেয়া হয়?

প্রভা: সাধারণ ভাষাতে উদ্দ্যোক্তা বলতে বুঝায়, যারা চাকরি করে না, দেয়। তবে আমার কাছে অফিসে ডেইলি লাঞ্চ দেওয়া বা চা বেচা মহিলাও উদ্যোক্তা।

খোশগল্প.কম: তাহলে তো বলা যায় অনেক রকম মহিলাদের সাথেই কাজ করতে হয়!!

প্রভা: হ্যা অনেক। আমি কিন্তু আরেকটা প্রজেক্টের সংগে যুক্ত। এটা আমার ড্রিম প্রজেক্ট। সেটা হচ্ছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারিদের কাছে স্যানিটারি প্যাড পৌছে দেওয়া। “donate a pad for hygiene bangladesh”; এছাড়াও রুট পিপলদের সংগে আমার চলা হয় বেশি।

খোশগল্প.কম:  এটা নিয়ে সোশ্যাল সাইটে ভালোই সাড়া ফেলেছে। তো সেটায় কতদুর এগুতে পারলেন?

প্রভা: আসলে আমাদের কাজটা গ্রামের মেয়েদের মধ্যে অভ্যাস গড়ে তুলা। আর সেটা শুরু করছি গ্রামের স্কুলের মেয়েদের মধ্যে । আপাতত নোয়াখালীরর একটা স্কুল কভার করেছি। তবে মেইন বাধা প্যাডের দাম। অভ্যাস করে দিলেও, দাম না কমালে আবার আগের জায়গায় ফিরে যাব। তাই বিভিন্ন কোম্পানির সংগে বসছি, বসব যেনো স্কুলের মেয়েদের জন্য প্যাডের মুল্য কম রাখে। অনেক অনেক কাজ বাকি। প্রাইভেট ডোনারও লাগবে প্রচুর। কারন প্রথমবার আমরা ফ্রি তে ব্যবহার শিখিয়ে অভ্যাস করাই। প্যাডের নামগন্ধ না জানা মেয়েদের হাতে হাতে ধরে, কমিক্সের মাধ্যমে কথা বলিয়ে প্যাড ব্যবহার শিখাই।

খোশগল্প.কম: আপনাদের এই প্রজেক্টের আওতায় কি সাড়া দেশ?

প্রভা: হ্যা আপু। আপাতত নোয়াখালী তে শুরু।

খোশগল্প.কম: একা পুরো কাজটা করা হয়ে ওঠা কঠিন নয়?

প্রভা: একা টাফ। কিন্তু আমি খুব লাকি, আমার পাশে সেচ্ছাসেবী সংগঠন “গড়বো বাংলাদেশ” কে পেয়েছি। সবচেয়ে ভালো হয়েছে কি আপু জানেন? মাসিক তো আমাদের সমাজে একটি ট্যাবু। কিন্তু এই সংগঠনের সংগে থাকার ফলে বহু ছেলে আমাদের সংগে এই কাজ করছে। এবং বুঝতে পারছে তাদের মায়েরা প্রতি মাসে কি নিদারুণ কস্টের মধ্য দিয়ে যায়।

খোশগল্প.কম: জি ব্যাপারটি ট্যাবু বলছিলেন তো যাদের জন্য কাজ করছেন তাদের আগ্রহ বা পার্টিসিপেশন কেমন? এছাড়াও যেহেতু রিমোট অঞ্চল গুলো বেছে নিয়েছেন!

প্রভা: নোয়াখালিতে অসম্ভব ভালো রেস্পন্স। সেমিনার করেছিলাম আমরা। আশা করেছিলাম ১০০ মেয়ে হলেও ভাল। আমাদের আশার চাইতেও বেশি মেয়ে এসেছে। ৩০০ র উপরে। হল রুম ভরে গিয়েছে।

খোশগল্প.কম: এভাবে কাজ করার ইচ্ছা কি অনেক আগে থেকেই ছিলো যার প্রতিফলন আমরা এখন পাচ্ছি?

প্রভা: ছিল। তবে স্টুডেন্ট ছিলাম বলে অনেক কাজ চাইলেও সম্ভব ছিল না।এখন সেটা পূরন করতে পারছি।

খোশগল্প.কম: স্টুডেন্টের পাশাপাশি মেয়ে হওয়াটা কি কাজ গুলো করতে কিছুটা হলেও বাধা দেয়নি?

প্রভা: হু। আসলে কি আপু, একটা মেয়ে অর্থনৈতিক ভাবে সাবলম্বী না হলে, তার পক্ষে অনেক কাজ কঠিন হয়ে যায়। মেয়েদের অর্থনৈতিক ভাবে দাঁড়ানো খুব জরুরি।

খোশগল্প.কম: জি তা অবশ্যই। এবং এটি এখন খুব বেশি দরকার। আপনার সোশ্যাল সাইট এক্টিভিটি কিন্তু এমন অনেক মহিলা,মেয়েদের অনুপ্রানিত করে জানেন নিশ্চয়!

প্রভা: অনেকে অনেক কষ্ট লিখে পাঠায়। বেশি পাই সাইবার হয়রানি নিয়ে মেয়েদের অভিজ্ঞতা। আমি যতটুকু পারি পথ দেখাই। কিন্তু লড়াইটা তো মেয়েদের নিজেকেই করতে হবে। অনেক মেয়েই সাহস খুঁজে পায় না। আমার এক্টিভিটি ওদের অনুপ্রেরণা দিয়ে সাহসী করে তোলা। এটা করতে পারলেই আমি সার্থক মনে করব নিজেকে।

খোশগল্প.কম: সাইবার হ্যারেস্মেন্ট বা বুলিং নিয়ে আপনার পরামর্শ গুলো কিরকম থাকে?

প্রভা: ঠিক পরামর্শ না । আমি নিজেও সাইবার বুলিং এর বিরুদ্ধে জিডি করেছি। কিন্তু সত্যি কথা, অনেকের অভিজ্ঞতা শুনে মনে হয় আমার অত ভয়ংকর কিছু হয় নি। তাও মামলা করেছি, ডিবির কাছেও গিয়েছি। যা হেল্প পেয়েছি। আইডি অফ হয়ে গেছে। আর মেসেজ আসে না। এটা আপনাআপনি না আইনি লড়াইয়ে হয়েছে তা অবশ্য সিউর না। মেয়েদের পরিস্থিতি এর চাইতেও খারাপ থাকে। আমি অনেক মেয়েকে জাস্টিস ফর ওমেনের কুঞ্জ আপুর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছি। আমার কিছু উকিল ভাইয়া আছে তাদের সঙ্গে লিংক করে দিয়েছি। বাকি পরামর্শ তারাই দেয়। আর সব চেয়ে যেটা করেছি জিডি বা মামলা লড়ার জন্য পুশ দিয়েছি। জিডি করা যে খুব সহজ, যে কেউ করতে পারে! তুমি মেয়ে বলে ভয় পাবে বা একা থানায় যাবে না, এইগুলা বুঝানর চেষ্টা ছিল। আমি জাস্ট যারা কাজ করে এইসব নিয়ে তাদের সঙ্গে লিংক আপের কাজ করেছি বা করিও।

খোশগল্প.কম: আইনী সহায়তার কথা বলছিলেন! এটার প্রসিডিউর কি খানিকটা দীর্ঘ পক্রিয়ার হয়ে যায় না?

প্রভা: সাইবার ক্রাইমে পাঁচ দিনের মধ্যেই আসলে সহায়তা দেওয়ার কথা। এখন সিভিয়ার কেসে তাই দেয় জানি, তবুও কিছু কিছু কেসে খুবই দীর্ঘ হয় তখন কেস তাঁর অর্থ হারায়। এটা তো সব মামলার ক্ষেত্রেই, সিস্টেম শুড বি চেঞ্জড।

খোশগল্প.কম: আর সর্বোপরি মেয়েদের অবস্থান?

প্রভা: কিছু কিছু কেস বাদে পজিটিভই দেখি। তবে সব মেয়েদের নিজের লাইফস্টাইল ( সাজগোজ, রান্নাবান্না) নিয়ে যতটা সচেতনতা, সমাজ বা দেশ বদলে ভূমিকা রাখা উচিত। আমি সাজব, আমি লড়ব, আমি জয় করব। আমাকে সব করতে হবে। আর সবচেয়ে বড় কথা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে। ডমেস্টিক ভায়লেন্সের শিকার হয়ে তথাকথিত লক্ষ্মী বউ হওয়া যেতে পারলেও (!) সার্থক মানুষ হওয়া সম্ভব না।

খোশগল্প.কম: ডমেস্টিক ভায়োলেন্স!! ব্যাপারটি সেই আদি যুগ থেকেই। তবে কখনো প্রকাশ পায় কখনো হয়তো পায় না!

প্রভা: এই চক্রটাকেই আমাদের মেয়েদের ধরতে হবে। কেউ শরীরে মেরে ভায়লেন্স করে, কেউ মানসিক অত্যাচার করে।

খোশগল্প.কম: জি তা অবশ্যই। এবার আপনার ছোটবেলার কথা শুনি কিছু।

প্রভা: ছোটবেলা খুব কালারফুল ছিল তা না। বড় একটা ভাই আছে আমার। ভাইয়া বুয়েট থেকে ইইই তে পাশ করে কানাডায় বর্তমানে পিএইচডি রত। তো ওকে নিয়েই আম্মু কোচিং যেত। আমি স্কুল থেকে ফিরে একলা হয়ে যেতাম। ফিতার ক্যাসেট ছিল না আগের আমলের!!ঐগুলা প্রায় হাজার খানেক আমাদের বাসায় আছে। এখনও আছে। শুনা হয়না অবশ্য। তো তখন ঐ পুরানো দিনের গান, কত ভাষায় গান, ওগুলো শুনতাম। ডিডি বাংলায় রবিবার চারটায়, বিটিভিতে শুক্রবার ৩টায় পুরানো দিনের বাংলা ছবি দেখতাম। অন্যান্য দিন হাবিজাবি প্রচুর মুভি দেখেছি। ঋত্বিক, সত্যজিৎ আমার ক্লাস সেভেনের আগেই দেখা শেষ। তো এই নিয়ে ছোটবেলা কাটত। আর হ্যাঁ প্রচুর প্রচুর বই পড়তাম। বিশ্বসাহিত্যে সদস্য ছিলাম। নীলখেতে মা মাঝে মাঝে নিয়ে যেত, পোটলা ভরে বই আনতাম। তবে দুঃখের বিষয় একটা আছে ছোটবেলাতে। আজও তাড়া করে, চাইল্ড অ্যাবিউজের শিকার হয়েছিলাম আমি। গাব্দাগুব্দা ছিলাম তো, অনেক সময় অনেক পারভার্ট পুরুষের মধ্যে আজও সেই ছেলেবেলার লম্পটকে খুঁজে পাই।

খোশগল্প.কম: নিজের ছোটবেলার এমন এবিউজের কথা এভাবে বলা অনেক সাহসের ব্যাপার আপু। আমরা হয়তো সবাই কোথাও না কোথাও এসবের স্বীকার হই।কিন্তু এভাবে কি বলতে পারি?

প্রভা: আমি কি সাহসি? হা হা….

খোশগল্প.কম: নি:সন্দেহে! ভয়েস রেইজ করাও আমরা মেয়েরা শিখতে পারি না।এক্ষেত্রে কি করনীয় বলে আপনি মনে করেন?

প্রভা: আত্মবিশ্বাস। নিজেকে ভালোবাসতে হবে সবার আগে।

খোশগল্প.কম: স্কুল কলেজ কোথায় ছিলো আপনার?

প্রভা: স্কুল দুটো ছিল। পিচ্চিকালে ডিজনিল্যান্ড কিন্ডারগার্ডেনে পড়তাম। এসএসসি পাশ করেছি মোঃপুর প্রিপারেটরি হায়ার সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল থেকে। আর কলেজ ছিল হলিক্রস।

খোশগল্প.কম: নিজের অপূর্ণতারর জায়গা কোনটি আপনার কাছে?

প্রভা: অপুর্নতা যদি বলি ফিল্ম বানানোর ইচ্ছা ছিল। নারীকে হিরো বানিয়ে ফিল্ম, ট্যাবু ভাংগার ফিল্ম। কোন একটা কারনে হয়ে উঠছে না। আর ব্যক্তিগত অপুর্নতা আছে। প্রেম ট্রেম ভেংগে যায় কেন জানি, অনেকসময় ভালোলাগা গুলা ধুম করে হারিয়ে যায়।

খোশগল্প.কম: সিনেমা বানানোর এমন কোন প্রজেক্ট কি হাতে নেয়া হয়েছিলো?

প্রভা: স্ক্রিপ্ট লিখে রেখেছি। ওই পর্যন্তই। আর কিছু না।

খোশগল্প.কম: ভবিষ্যতে কোন জায়গায় নিজেকে দেখলে নিজে তৃপ্ত হবেন?

প্রভা: আসলে কি যে হতে পারে ভবিষ্যৎ আমি তো জানি না। আর আমার মধ্যে অদ্ভুত অস্থিরতা কাজ করে। তাই কিসে যে তৃপ্তি হব নিজেই জানি না। ওটা ভবিষ্যৎ এলেই বুঝব। হা হা………

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

মতামত