চব্বিশ পরগনার রাজপুর গ্রামের ছেলে মহিম। রাজপুরের উত্তরপাড়ায় একটি মেটে-বাড়ি আছে। ভিতরে গুটি-তিনেক ঘর, বাইরে চণ্ডীমণ্ডপ—তাতে গ্রামের পাঠশালা বসে। জীবনের এমনতর অবস্থা থেকে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে একা একাই উচ্চশিক্ষার দিকে এগিয়ে চলা। স্কুলে মহিম ছিল ক্লাসের মধ্যে সকলের চেয়ে ভাল ছেলে। মহিম ছাত্রবৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তি পেয়ে, মাত্র চারটি টাকা সম্বল করে কলকাতায় আসে এবং স্বগ্রামস্থ একজন মুদীর দোকানে থেকে স্কুলে ভর্তি হয়। এখান থেকেই মহিম কোনদিন আধপেটা খেয়ে, কোনদিন উপবাস করে এন্ট্রান্স পাস করে। এরপর জীবনের সকল ঝড়কে হারিয়ে দিয়ে এম এ পাস করে।

 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘গৃহদাহ’ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র মহিম। উপন্যাসের শেষ দৃশ্যে জীবনের বেশ কিছু অসমাপ্ত প্রশ্নের ব্যথা নিয়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তিনি। তবে এই যাত্রাকে একবার পলায়ন হিসেবে অভিহিত করতে গিয়েও করেননি! আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম মহিমের. . .

 

‘পল্লীগ্রামের সহিত অচলার ছাপার অক্ষরের ভিতর দিয়াই পরিচয় ছিল’

লিখেছেন...admin...জুন 6, 2017 , 4:26 অপরাহ্ন

খোশগল্প.কম: উপন্যাসটা শুরু হয়েছিল আপনার এবং সুরেশের অদ্ভূত বন্ধুত্বের গল্প দিয়ে।  চাইলে সর্বসুখে থাকতে পারতেন, কিন্তু পুরোটা সময় নিজেকে অস্পষ্ট ঘেরাটোপে বন্দী করে রাখলেন।  বন্ধু সুরেশের ভালোবাসা থেকে নিজেকে সবসময়ই এভাবে বাঁচিয়ে রাখার যুক্তি কি ছিলো?

মহিম: জীবনের শুরু থেকেই সুরেশ আমার প্রাণের বন্ধু। এমন বন্ধু আমার আর কখনোই ছিলো না। সংসারে এমন আর কয়জন পেয়েছে, তাও জানি না। এ দুর্লভ বস্তু আমি একটুখানি দেহের আরামের জন্য খুইয়ে বসব, এমন ইচ্ছে করেনি কোনদিন।

 

খোশগল্প.কম: সত্যিই কি তাই! নাকি সবার ভালোবাসাকেই দয়া বলে মনে হতো? জগতের কারো স্নেহ যত্নকেই ভারমুক্ত লেনাদেনাহীন ভালবাসা মনে হয়নি?

মহিম: কারো আপনার জন হবার, কাউকে আপন করে নেবার প্রবৃত্তি হয়তো হৃদয়ে কোনদিনই ছিলো না– হয়তো একথাই সত্য।  মৃণাল, সুরেশ এরা আমার সেবা কিছু কম করেনি, কিন্তু কি জানি, যখনই জ্ঞান হতো তখনই কেমন একটা অস্বস্তি বোধ করতুম; কেবলি মনে হতো হয়ত এদের কত কষ্ট, কত অসুবিধে হচ্ছে—এদের দয়ার ঋণ আমি কেমন করে এ জীবনে শোধ দেব। কিন্তু  ভগবানের হাতে বাঁধা এমনি সম্বন্ধ যে, অচলার বিষয়ে কখনো মনে হয় না, এই সেবার দেনা একদিন আমাকে শুধতেই হবে।

 

খোশগল্প.কম: অচলাকে নিয়ে সুরেশের প্রথমদিককার অনুভূতি তো একেবারেই আলাদা ছিলো।  পুরো একটি মাস দেখা করার ব্যাপারে বিধি নিষেধও দিয়েছিলেন।

মহিম: ও চিরটাকাল অমন ছেলেমানুষ।  অচলার বিষয়ে আমার সমস্ত কিছুকে কেবল মোহ বলেই ভাবিয়া নিয়েছিলো।  ব্রাহ্মমেয়েদের ব্যাপারে তার প্রথমদিকে ধারণা ছিলো –শুকনো কাঠপানা চেহারা, বই মুখস্থ করে করে গায়ে কোথাও একফোঁটা রক্ত পর্যন্ত যেন নেই। ঠেলা দিলে আধখানা দেহ খসে পড়ছে বলে ভয় হয়—গলার স্বরটা পর্যন্ত এমনি চিঁ চিঁ করে যে শুনলে ঘৃণা হয়। এমনকি অচলাকে ত্যাগ করে কোন একজন হিন্দু মেয়েকে বিবাহ করিতে উৎসাহিত করার জন্য সে বলেছিলো- আমার যদি সেলাই আর পশমের কাজই এত দরকার, কলকাতা শহরে দরজির ত অভাব নেই। একখানা চিঠির ঠিকানা লেখবার জন্য ব্রাহ্মমেয়ের দ্বারস্থ হয়ে কাজ নেই। আমার অসময়ে সে বাটনা বেটে, কুটনো কুটে একমুঠো ভাতও রেঁধে দেবে না। হা হা হা!

 

খোশগল্প.কম: সুরেশবাবু তবে ব্রাহ্মদের বেশ ঘৃণাই করতেন বলাই যায়!

মহিম: একেবারেই না। ওর স্বভাবটাই ওরকম। একটা কিছু মনের মাঝে গেঁথে গেলে আর রক্ষে নেই—ও তাই চারিদিকে বলে বেড়াবে। কোনদিন ব্রহ্মদের সঙ্গে না মিশেই ও ভেবে নিলে, তাদের ও ভারী ঘৃণা করে। তাছাড়া সুরেশ ভগবান, ঠাকুর-দেবতা কিছুই মানতো না। তবুও ব্রাহ্মদের ঘৃণা করাকে কর্তব্য বলে মনে করতো কারণ সে সমাজকে শ্রদ্ধা করতো, মানুষকে পূজা করতো। যারা সমাজকে মন্দ বলে ফেলে গেছে, তাদের ভাল বলে সে কোনমতেই কাছে টানতে পারে না। তার ধারণা ছিলো মানুষের সেবা করাই মনুষ্যজন্মের চরম সার্থকতা। যখন হিন্দুর বংশে জন্মেছে, তখন হিন্দুসমাজ রক্ষা করাই তার কাজ। তাই আমাকে ব্রাহ্মঘরে বিবাহ করে ব্রাহ্মের দল-পুষ্টি করতে দিতে চায়নি।

 

খোশগল্প.কম: পরবর্তীতে জীবন প্রবাহ যেদিকেই টেনে নিয়ে যাক, অচলা কিন্তু বিবাহের পূর্বে ভয়ানক মানসিক শক্তি দেখিয়েছিলেন।

মহিম: যে যাই বলুক না কেন আমার ওপর অচলার একটা স্থির বিশ্বাস সবসময়েই ছিলো।  তাহার বিশ্বাস ছিলো, আমি কিছুই না বুঝে করি না। যখন সুরেশ এবং অচলার বিবাহ এক প্রকার স্থির, তখনও অচলার বিশ্বাস ছিলো আমি কোন এক অসন্দিগ্ধ বিশ্বাসে, কোন্ কর্তব্যের আকর্ষণে, নিশ্চিন্ত নিরুদ্বেগে বসিয়া আছি, সে জানিতো মহিম কোন অপরাধ করে নাই, অথচ, ‘যাও’ বলিতেই সে নিঃশব্দে বাহির হইয়া যাইবে। এ জীবনে, কোন সূত্র, কোন ছলেই আর তাহাদের পথে আসিবে না। অচলা সেই মুহূর্তেও স্পষ্ট দেখিয়াছিলো, সেই অভাবনীয় চির-বিদায়ের ক্ষণেও তাহার অটল গাম্ভীর্য এক তিল বিচলিত হইবে না, কাহাকেও দোষ দিবে না, হয়ত কারণ পর্যন্তও জানিতে চাহিবে না—নিগূঢ় বিস্ময় ও তীব্র বেদনার একটা অস্পষ্ট রেখা হয়ত বা মুখের উপর দেখা দিবে, কিন্তু সে ছাড়া আর কাহারো তাহা চোখেও পড়িবে না।

 

খোশগল্প.কম: এই প্রচণ্ড বিশ্বাস, ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ সবকিছুই গুড়িয়ে গেলো! 

মহিম: এক্ষেত্রে অচলার উপরেই সম্পূর্ণ দোষ চাপাতে ইচ্ছে করে না। বিবাহের পূর্বকার নানাবিধ জটিলতা তাহার মনকে এক প্রকার বিষাইয়া দিয়াছিলো। এরপরে গণ্ডগোল বাঁধিলো আমার গাঁয়ের সাথে। পল্লীগ্রামের সহিত অচলার ছাপার অক্ষরের ভিতর দিয়াই পরিচয় ছিল। সে পরিচয়ে দুঃখ-দারিদ্র্যের সহস্র ইঙ্গিতের মধ্যেও ছত্রে ছত্রে কবিতা ছিল, কল্পনার সৌরভ ছিল। বিবাহের পরে গাঁয়ে পৌঁছাইয়া, পালকি হইতে নামিয়া সে বাড়ির ভিতরে আসিয়া একবার চারিদিকে চাহিয়া দেখিল—কোথাও কোন দিক হইতে কবিত্বের এতটুকু তাহার হৃদয়ে আঘাত করিল না। তাহার কল্পনার পল্লীগ্রাম সাক্ষাৎ-দৃষ্টিতে যে এমনি নিরানন্দ, নির্জন—মেটেবাড়ির ঘরগুলা যে এরূপ স্যাঁতসেঁতে, অন্ধকার জানালা-দরজা যে এতই সঙ্কীর্ণ ক্ষুদ্র—উপরে বাঁশের আড়া ও মাচা এত কদাকার—ইহা সে স্বপ্নেও ভাবিতে পারিত না। এই কদর্য গৃহে জীবন-যাপন করিতে হইবে—উপলব্ধি করিয়া তাহার বুক যেন ভাঙ্গিয়া পড়িতে চাহিল। স্বামিসুখ, বিবাহের আনন্দ সমস্তই একমুহূর্তে মায়ামরীচিকার মত তাহার হৃদয় হইতে বিলীন হইয়া গেল।

 

খোশগল্প.কম: বিবাহের প্রথম দিন থেকে রুদ্ধশ্বাস বিরোধের শুরু।  দায় কি শুধু অচলার একারই?

মহিম: না।  দায় বেশিরভাগটাই আমার।  অচলা কলিকাতা ফিরিয়া যাইবার আগের রাত্রে বুঝিলাম, কেমন করিয়া তাহার হৃদয় ধীরে ধীরে সরিয়া গিয়াছে, কেমন করিয়া স্বামীর সঙ্গ দিনের পর দিন বিষাক্ত হইয়াছে, কেমন করিয়া স্বামীর আশ্রয় প্রতিমুহূর্তে কারাগার হইয়া উঠিয়াছে—সমস্তই স্পষ্ট হইয়া উঠিলো। এই প্রাণান্তকর অবরোধের মধ্যে হইতে পরিত্রাণ পাইবার সেই যে আকুল প্রার্থনা সুরেশের কাছে তখন উচ্ছ্বসিত হইয়া উঠিয়াছিল—সে যে তাহার অন্তরের কোন্ অন্তরতম দেশ হইতে উত্থিত হইয়াছিল, তাহাও সেদিন আমার মনশ্চক্ষের সম্মুখে প্রচ্ছন্ন রহিল না। অচলাকে আমি যথার্থই সমস্ত হৃদয় দিয়া ভালবাসিয়াছিলাম। সেই অচলার এতদিন এত কাছে থাকিয়াও, তাহার এত বড় মনোবেদনার প্রতি চোখ বুজিয়া থাকাটাকে গভীর অপরাধ হইয়াছিল। কিন্তু স্ত্রীর হৃদয় ফিরিয়া পাইবার উপায় আছে কি না, তাহা কোথায় কত দূরে সরিয়া গিয়াছে, অনুমান করাও ছিলোসেদিন দুঃসাধ্য । অনেক প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিয়াও স্বামী বলিয়া যাহাকে সে একদিন আশ্রয় করিয়াছিল, তাহারই কাছে অপমান এবং লাঞ্ছনা পাইয়া যে আজ তাহাকে ফিরিতে হইতেছে, এত বড় ভুল তাহাকে জানাইবার কোন অবকাশ খুঁজিয়া পাই নি।

 

খোশগল্প.কম: ভুল তো আপনিও বুঝেছিলেন! কলকাতায় ফেরবার আগে একবার অচলাকে আটকাতে চেয়েছিলেন ঠিকই, তবে পরবর্তীতে তার রাগের মাথায় বলে ফেলা একটি কথাকে চিরসত্য ধরে নিয়ে অচলাকে আর ধরে রাখতে চাননি।

মহিম: বড় ভুল হয়েছিলো সেদিন।  সেই কথাটিকে সত্য বলে মেনে নিয়ে কহিয়াছিলাম, ”যাকে ভালবাস না, তারই ঘর করতে হবে, এত বড় অন্যায় উপদ্রব আমি স্বামী হলেও তোমার ওপর করতে পারব না। কিন্তু তোমার ওপর আমার অন্য নালিশ আছে। আমার স্বভাব ত জানো। শুধু বিয়ের পর থেকেই ত নয়, অনেক আগেই ত আমাকে জানতে যে, আমি সুখ-দুঃখ যাই হোক, নিজের প্রাপ্য ছাড়া একবিন্দু উপরি পাওনা কখনো প্রত্যাশা করিনে—পেলেও নিইনে। ভালবাসার ওপর ত জোর খাটে না অচলা। না পারলে হয়ত তা দুঃখের কথা, কিন্তু লজ্জার কথা ত নয়। কেন তবে এতদিন কষ্ট পাচ্ছিলে? কেন আমাকে না জানিয়ে ভেবে নিয়েছিলে, আমি জোর করে তোমাকে আটক রাখবো? কোনদিন কোন বিষয়েই ত আমি জোর খাটাই নি। তাঁরা তোমাকে উদ্ধার করে নিয়ে গেলে, তবে তোমার প্রাণ বাঁচবে—আর আমাকে জানালে কি কোন উপায় হতো না? তোমার প্রাণের দামটা কি শুধু তাঁরাই বোঝেন?”

 

 

খোশগল্প.কম: ‘অচলা’ চরিত্রটি ঠিক সেই যুগের সঙ্গে যায় না।  এ বড়ই আধুনিক চরিত্র।  এতোটা স্বাধীনচেতা, দৃঢ় চরিত্র এখনকার সমাজের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।  বরং মৃণাল সে হিসেবে ঠিকঠাক।  তাই উপন্যাস জুড়ে মৃণালেরই জয়জয়কার।

মহিম: আমার জীবনে অচলা আর মৃণালের অবস্থান একেবারেই আলাদা রকমের।  কোন একটা ছুতোয় তাদের দু’জনের মধ্যে পার্থক্য করিতে বড়ই লজ্জাবোধ হয়।  মৃণালের জয়জয়কার হোক, জগত সংসারে ভালোবাসা সে কোন অংশে কম পায়নি।  কিন্তু অচলা, অচলার দৃঢ়তা- সে পুরোই অন্য বিষয়।  কোন একটা সুবিধার খাতিরে সে কিছুতেই মিথ্যা বলিতে পারিবে না; সে যে ব্রাহ্ম-পিতার কন্যা, সে যে নিজেও ছোঁয়াছুঁয়ি ঠাকুরদেবতা মানে না, ইহার কোনটাই গোপন করিবে না। তাতে যদি বিপ্লবও বাধিয়া যায় তাহাতেও অসুবিধে নেই। সুরেশের মৃত্যুর পরেও সে একইভাবে বিপ্লব ঘটাইয়াছে। অনেকের কাছেই তা বিচার বিবেচনাহীন কাজ মনে হইতে পারে।

 

খোশগল্প.কম: সুরেশের মৃত্যুর ব্যাপারে আপনার ধারণা কি?

মহিম: আর কেউ না জানুক সুরেশের কাছে জীবনের মমতা যে কত তুচ্ছ এবং কতই না সহজ, ইহাকে যে বিসর্জন দিতে প্রস্তুত হইতে পারে, তাহার একটিমাত্র সাক্ষী কেবল আমিই। তাহার মহাযাত্রায় আমিই কেবল মনে মনে বুঝিয়াছিলাম, সুরেশ লোভে নয়, ক্ষোভে নয়, ঘৃণায় নয়—ইহকাল-পরকাল কোন কিছুর আশাতে প্রাণ দেয় নাই, সে মরিয়াছে শুধু কেবল মরণটা আসিয়াছিল বলিয়াই।

 

খোশগল্প.কম: উপন্যাসের শেষ দৃশ্যে যে সিদ্ধান্ত নিলেন, তার বাস্তবতা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন আছে।  সে প্রশ্নে না গিয়ে সেই মুহূর্তের স্মৃতিটুকু জানতে চাই।

মহিম: অচলাকে তিল তিল করিয়া ভালবাসিবার প্রথম ইতিহাস আমার কাছে অস্পষ্ট, কিন্তু এই মেয়েটিকেই কেন্দ্র করিয়া জীবনের উপর দিয়া যাহা বহিয়া গিয়াছে, তাহা যেমন প্রলয়ের মত অসীম, তেমনি উপমাবিহীন। আবার নিঃশব্দ সহিষ্ণুতার শক্তিও বিধাতা আমাকে হিসাব করিয়া দেন নাই। গৃহ যখন বাহির এবং ভিতর হইতে জ্বলিয়া উঠিল, তখন ঐখানে দাঁড়াইয়াই ভস্মসাৎ হইলাম—এতটুকু অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সংসারে ছড়াইতে পাইল না। কিন্তু সেই মুহূর্তে আমার শক্তির ডাক কেবল সহিবার জন্য নয়—সামঞ্জস্য করিবার জন্য পড়িয়াছে। সেই মুহূর্তে একবার জমা-খরচের খাতাখানা না মিলাইয়া দেখিলে আর চলিতো না।

 

বইটি কিনতে চাইলে-

https://www.rokomari.com/book/80196

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

মতামত