• খোশগল্প.কম: কনস্তান্তিন দিমিত্রিচ লেভিনের পরিচয় কি আসলে? মস্কো শহরের অধিবাসী না গ্রামের?

    লেভিন: লেভিন গ্রামে থাকে। কৃষি, শারীরিক শ্রমকে সে জীবিকার প্রধান জ্ঞান করে। পূজিবাদী কারেনিন, ভ্রনস্কির তুলনায় আমার দৃষ্টিভঙ্গি সামন্ততান্ত্রিক, আদর্শ জীবন যাপনে বিশ্বাসী। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কেটেছে মস্কোতে, তাই শহরকেও আমার ভাল লাগে। বিয়ের আগে পাত্রী খুঁজতেও মস্কোতেই আসি।…

    18 বার পঠিত
  • আন্না একজন অসুখী নারী, যার স্বামী কারেনিন মন্ত্রীদপ্তরের কর্মকর্তা,  সন্তান সেরিওজা। মস্কো শহরের এক অনুষ্ঠানে আন্নার সাথে পরিচয় হয় তরুণ সামরিক কর্মকর্তা ভ্রনস্কির সাথে। ভ্রনস্কির ভালোবাসার তীব্রতায় আন্না স্বামীকে ছেড়ে আসে প্রকাশ্যে। একসাথে থাকার বহুদিন পরও সমাজ তাকে স্বাভাবিকভাবে না নেওয়া এবং মা ও প্রেমিকা এই দুই সত্তার দ্বন্দ্ব আত্মসম্ভ্রমী আন্নাকে আত্মহত্যায় পরিণতি দেয়।  উপন্যাসটিতে আরো একটি দম্পতি আছে; কিটি ও লেভিন। আজ নেবো আন্না কারেনিনার সাক্ষাৎকার……

    23 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কম: কমলাকে বিয়ের আগে আপনার জীবন কেমন ছিল?

    রমেশ: উপন্যাসে যেমন দেখেছ। ঐ সময়ের আর দশটা তরুণের মত। হেমনলিনীর সাথে সম্পর্ক গাঢ় হচ্ছে, অক্ষয়বাবুর সাথে কাঁচা বয়সের তর্ক জমে ওঠা, হেমনলিনী কিংবা তার বাবার কাছে আরেকটু শ্রদ্ধা-স্নেহাষ্পদ হয়ে ওঠা এইতো…

     

    খোশগল্প.কম: আপনি  কমলাকে আগে কেন জানালেন না?

    রমেশ: বলে কি হত? তাকে বললে অনাবশ্যক চিন্তায় তাঁকে ফেলে দিতাম। তার মামী তাকে বিয়ে দিয়ে বেঁচে যেতে চেয়েছেন। …

    38 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কম: অল্প বয়সে বিধবা হয়েছিলেন, বৈধব্যকে কি ধারণ করতে পেরেছিলেন?

    বড়দিদি: কতকটা পেরেছিলাম। সুরেন্দ্রনাথকে আমি ভাইয়ের মতই দেখতাম, স্নেহ নিম্নগামী তাই প্রকাশে বাৎসলতা ছিল।…

    40 বার পঠিত
  • পাত্র অনুপমের মামা  বিয়ের দিন কনে পক্ষের দেওয়া সমস্ত অলংকার পরীক্ষা করে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে কনে কল্যাণী’র পিতা মেয়ে’র বিয়ে ভেঙে দেন।

     

    বহুবছর পর অনুপম ট্রেনে যখন সিট না পেয়ে  হন্যে তখন অন্ধকার থেকে কল্যাণী জানায় তাঁর কামরায় ‘জায়গা আছে’। কল্যাণী চলে যাবার পর অনুপম বুঝতে পারে এই সেই কল্যাণী। কল্যাণী মাতৃভূমির সেবায় নিজেকে ব্রতী করে; আর অনুপম? -“কেবল সেই একরাত্রির অজানা কণ্ঠের ভরসা — জায়গা আছে।

    নিশ্চয়ই আছে। নইলে দাঁড়াব কোথায়? ” …

    95 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কম:  পরিচয় দিয়ে শুরু করি।

    শাইরিন: আমার নাম শাহনাজ ইয়াসমিন শাইরিন, আমার ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বেশী আনন্দ হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন স্টুডেন্ট হিসেবে পরিচয় দিতে, আর জীবনে পাওয়া না পাওয়া এসব কিছুর ভেতর পাওয়ার পরিচয় গুলো দিতে ভাল লাগে।…

    81 বার পঠিত
  • গল্পের গল্প: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের  শাহজাদপুর জমিদার বাড়িতে একটি কাচারি ঘর ছিল। কাচারি বাড়ির একতলাতে ছিল পোস্ট অফিস। কবিগুরু প্রায় প্রতিদিন দিনের বা রাতের কোন একটা সময় পোস্টমাস্টার সাহেবের সাথে কাটাতেন। মূলত এই পোস্টমাস্টার মহাশয়ের জীবনের নানা কাহিনী অবলম্বনেই তিনি এই গল্পটি লেখেন। …

    53 বার পঠিত
  •  

    খোশগল্প.কম:  ঘটনাটা শুরু হয়েছিলো কিভাবে? ধনরত্নের ব্যাপারটি তোমাদের বংশের কে প্রথম জানতে পেরেছিলেন?

    কুমার: আসাম থেকে ফেরার পথে আমার দাদু একবার এক সন্ন্যাসীর জীবন বাঁচিয়েছিলেন। সেই সন্ন্যাসী তাঁকে খাসিয়া পাহাড়ের রূপনাথ গুহার কথা বলেছিলেন। রূপনাথ গুহা থেকে পঁচিশ ক্রোশ পশ্চিমে গেলে, উপত্যকার মাঝখানে একটা সেকেলে মন্দির রয়েছে।…

    65 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কম:  বাবার অসুখ। টানাটানির সংসার। সব মিলিয়ে একেবারে বাধ্য হয়ে পাটকলে চাকরিটা করতে যাচ্ছিলেন।

    শঙ্কর:  পাটকলে চাকরি করতে হবে, এ কথা ভাবতে গেলেই  সারা দেহ মন বিদ্রোহী হয়ে উঠতো—রেসের ঘোড়া শেষ কালে ছ্যাকড়া গাড়ী টানতে যাবে? আমার মন উড়ে যেতে চাইতো পৃথিবীর দূর, দূর দেশে শত দুঃসাহসিক কাজের মাঝখানে। লিভিংষ্টোন, ষ্ট্যানলির মত, হ্যারি জনষ্টন্, মার্কো পোলো, রবিনসন ক্রুসোর মত। এর জন্যে ছেলেবেলা থেকে নিজেকে তৈরি করছিলাম—যদিও এ কথা ভেবে দেখিনি অন্য দেশের ছেলেদের পক্ষে যা ঘটতে পারে, বাঙালী ছেলেদের পক্ষে তা ঘটা এক রকম অসম্ভব। তারা তৈরি হয়েছে কেরানী, স্কুলমাষ্টার, ডাক্তার বা উকিল হবার জন্যে। অজ্ঞাত অঞ্চলের অজ্ঞাত পথে পাড়ি দেওয়ার আশা তাদের পক্ষে নিতান্তই দুরাশা।…

    55 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কম:  মনোজ, তোমাদের বাড়িতে কে কে আছেন?

    মনোজ: আমাদের বাড়িতে অনেক লোক। ঠাকুমা, বাবার এক বুড়ি পিসি, মা, বাবা, দুই কাকা, দিদি, দাদা, দুটো ডলপুতুলের মতো ছোট ভাইবোন। তা ছাড়া বিস্তর বাইরের লোকজনের রোজ আসা-যাওয়া তো আছেই। যেমন পুরুতমশাই সতীশ ভরদ্বাজ, মাস্টারমশাই দুঃখহরণবাবু, দিদির গানের মাস্টারমশাই গণেশ ঘোষাল, এমনি আরও কত কে!

     

    খোশগল্প.কম:  মাস্টারমশাই দুঃখহরণ তোমাদের সব বিষয়ই পড়ান?

    মনোজ: তা উনি সব বিষয়েই পাকা তবে একটা মাত্র মুশকিল উবু হয়ে না-বসলে দুঃখহরণবাবু পড়াতে পারেন না। যদি কেউ তাঁকে আসন-পিঁড়ি করে বসিয়ে দেয়…

    63 বার পঠিত