• খোশগল্প.কমঃ আপনার সন্তান প্রথম কবে মাদক নেওয়া শুরু করলো?

    তরিকুল ইসলামের মাঃ ২০০৭/২০০৮ দিকে হইবো।

    খোশগল্প.কমঃ কোন ধরনের মাদক সে নেয়?

    তরিকুল ইসলামের মাঃ আমি তো ওত নাম জানি না। তয় এক ধরনের বড়ি খায়তো।বাবানা কী কয়।

    53 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কমঃ অাপনার কাছে প্রথমেই জানতে চাইব মিশোপার অর্থ কী

    মিঞা শোভনঃ মিশোপার অর্থ মিঞা শোভনের পাঠশালা।

    খোশগল্প.কমঃ কাব্যিক কোনো নাম না দিয়ে এমন নাম দিলেন কেন?

    মিঞা শোভনঃ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ” সংগঠন ও বাঙালি” বইটা পড়ে একটা ব্যাপার বুঝেছিলাম সংগঠন চালাতে হলে সকল কাজ ব্যক্তিকে একাই করতে হয়। তাই অামি এমন একটি নাম নির্ধারণ করেছি যেন …

    95 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কমঃ এখন রাজনীতির প্রতি মানুষের নেতিবাচক ধারণা কাজ করে। এর মূল কারণ কী?

    মানিক সরকারঃ রাজনীতিতে কেউ আসে সেবার মানসিকতা নিয়ে আবার কেউ আসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের আখের গোছাতে। বর্তমান রাজনীতিতে দ্বিতীয় পর্যায়ের লোকের আবির্ভাব বেশি দেখা যাচ্ছে। রাজনীতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক ধারণার এটা একটা কারণ। এছাড়া রাজনীতিতে দাবি- দাওয়া  আদায়ে হরতাল, ধর্মঘটকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেখানে বর্তমানে সহিংসতাসহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। এ সকল দিক বিবেচনা করে রাজনীতির প্রতি সাধারণ মানুষের নেতিবাচক ধারণা চলে আসে।

     

    খোশগল্প.কমঃ অাপনি তৃণমূল পর্যায়ের রাজনীতি করছেন। এই তৃণমূল পর্যায়ের রাজনীতি মূল ধারার রাজনীতিতে কতটুকু অবদান রাখে বলে বিশ্বাস করেন।

    মানিক সরকারঃ বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ। গণতন্ত্রের মূলকথাই হচ্ছে জনগণ। তৃণমূল রাজনীতিতে যে দলের অবস্থান শক্ত মূলধারার রাজনীতিতে সে দল তত বেশি শক্তিশালী। ধরুন- আপনি ১০তলা ভবন নির্মাণ করবেন, এই ভবনটির ভিত্তি যদি মজবুত না হয় তাহলে ভবনটি টেকসই হবে না। বিভিন্ন দুর্যোগে সেটা সহজেই ভেঙ্গে পড়তে পারে। ঠিক তেমনি তৃণমূল রাজনীতিতে শক্তিশালী না হলে ওই দল টিকতে পারবে না। কাজেই মূলধারার রাজনীতির ক্ষেত্রে তৃণমূল রাজনীতি অসামান্য ভূমিকা পালন করে থাকে।

     

    খোশগল্প.কমঃ সাধারণ মানুষ বড় বড় রাজনৈতিক নেতাদের প্রয়োজনে পাশে পায় না। পাশে পায় অাপনাদের।এই দিকটা ভাবলে অাপনার ভেতর কতটুকু ভালোলাগা কাজ করে?

    মানিক সরকারঃ সকল বড় নেতাই যে সাধারণ মানুষের পাশে থাকে না তেমন কিন্তু না। যেমন- আমি যে নির্বাচনী এলাকায় থাকি আমাদের জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয় সরাসরি সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসেন। তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী পাশে দাঁড়ান। অন্যদিকে আমরা যারা তৃণমূল পর্যায়ের রাজনীতি করি আমাদের সাথে সাধারণ মানুষের সার্বক্ষনিক যোগাযোগ হয়। আমরাও তাদের প্রয়োজনের কথা শুনে সাধ্যমতো সেটা পূরণের চেষ্টা করি। সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে পাশে থেকে তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আনন্দে বুকটা ভরে ওঠে।

     

    খোশগল্প.কমঃ রাজনীতি করতে গিয়ে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন নিশ্চয়?

    মানিক সরকারঃ হ্যাঁ।  অনেকগুলো ঘটনা বা অভিজ্ঞতা রয়েছে তার মধ্যে একটি ঘটনার কথা খুব মনে পড়ে। একবার ৩৫-৪০ বছর বয়সের একটা হার্টের রোগী আসল আমার কাছে, চিকিৎসা সংক্রান্ত সহযোগিতা নিতে। বলল চিকিৎসা নিতে নাকি ৩ লক্ষ টাকা লাগবে। লোকটা ছিল খুব গরীব। তখন আমি লোকটাকে নিয়ে গেলাম আমাদের জাতীয় সংসদ সদস্য প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাবিবে মিল্লাত স্যারের কাছে। উনি চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজগুলো দেখে বললেন হার্ট ফাউন্ডেশনে যোগাযোগ করে জানাবেন। ৭ দিন পর জানালেন টাকা লাগবে দেড় লাখ। কিন্তু সেই ব্যয়ভার বহন করাও তার কাছে অসম্ভব। তারপর আবার সুপারিশের জন্য বলা হলে উনি ১০ দিন সময় নিলেন। যথারীতি ১০ দিন পর তিনি জানালেন ৪০ হাজার টাকা তোমরা ব্যবস্থা করো বাদ বাকি আমি দেখছি। আমরা নিজেরা টাকা তুলে রোগীর হাতে দিলাম। সফল অপারেশন হলো। লোকটা কিছুটা সুস্থ হয়ে বাসায় এসে জড়িয়ে ধরে কাঁন্না করছিল, সেই সাথে আমিও কাঁন্না করছিলাম আনন্দে। সেদিনের সেই স্মৃতি কখনও ভুলবার নয়!

     

    খোশগল্প.কমঃ শৈশবে ছিল এখন নেই এমন কোন ঘটনার কথা অাপনার বেশি মনে পড়ে?

    মানিক সরকারঃ ছোটবেলায় প্রত্যেক ঈদের দিন ফজরের নামাজ পর গ্রামের সকল ছেলেমেয়ে মিলে মিছিল করতাম। গ্রামের প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি যেতাম। মিছিলের স্লোগান ছিল এমন “আজ আমাদের কিসের দিন? ঈদের দিন, ঈদের দিন। ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারক।” শেষে সবাই মিলে মিষ্টি, খেজুর খেতাম। যা এখন নেই। খুবই মনে পড়ে ওই দিনগুলোর কথা।

     

    খোশগল্প.কমঃ বন্ধুদের সঙ্গে অাড্ডা দিতে দিতে রাত পার করেছেন কখনো? কেমন ছিল সেই ভালোলাগা?

    মানিক সরকারঃ হুম করেছি। চাঁদ রাতে বন্ধুরা মিলে বিশেষ ভাবে বানানো কার্ড খেলি এখনো। খেলা আর পিকনিক খাওয়া। কখন রাত পেরিয়ে সকাল হত বুঝতামই না। তারপর ঘুম ঘুম চোখে বাসায় গিয়ে গোসল করে নতুন পোশাক পড়ে ঈদগাহ মাঠে আসা। যদিও ঘুম হত না তারপরও খুব ভাল লাগতো।

     

    খোশগল্প.কমঃ অনেকেই বলে- শৈশবের বন্ধুরাই প্রকৃত বন্ধু। অাপনি কী বলেন?

    মানিক সরকারঃ আমিও কথাটার সাথে একমত। শৈশবে যে বন্ধুত্বটা হয় তা একদম স্বার্থহীন। আমার ব্যক্তিগত অভিমত থেকে বলছি, মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত বন্ধুত্বগুলো বেশি টেকসই হয়। এর পরের পর্যায়ের বন্ধুত্বগুলোর মধ্যে কেমন যেন স্বার্থ চলে আসে।

     

    খোশগল্প.কমঃ কারও সঙ্গে মনোমালিন্য হলে সম্পর্ক ঠিক করে ফেলেন কী করে? মানিক সরকারঃ আমি একজন বন্ধু্প্রিয় মানুষ। তবে জীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় কাছের মানুষগুলোর সাথে মনোমালিন্য যে হয় না তা নয়। আর এমন কোনো পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে আমিই এগিয়ে গিয়ে কথা বলে সম্পর্কটা সহজ করার চেষ্টা করি। যদি দেখি এমন পরিস্থিতির জন্য আমি দায়ী তাহলে ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করি। আমার ভুল হোক আর না হোক আমি কারও ওপর রাগ করে বেশি সময় থাকতে পারি না।

    খোশগল্প.কমঃ জীবনে চলার পথে অাপনজনের ভালোবাসা মনে কতটুকু সাহস জোগায়?

    মানিক সরকারঃ জীবনে চলার পথে আপনজনের ভালোবাসা খুব প্রয়োজন। জীবন সবসময় সহজ হবে এমন নয়। কিছু কিছু সময় কন্টকাকীর্ণ পথও পাড়ি দিতে হয়। এই সময়টাতে মানুষ হতাশ থাকে, অসহায় বোধ করে। জীবনে যখন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তখন আপনজনের ভালবাসা মানুষকে মনের সাহস যোগায়, প্রতিকূল পরিবেশকে পাশ কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।

    খোশগল্প.কমঃ পরিবারের মানুষগুলো অাপনাকে কতটুকু অাগলে রাখে? মানিক সরকারঃ পরিবার মানুষের সর্বপ্রথম শিক্ষাক্ষেত্র। পরিবার থেকেই মানুষ প্রথম আদব-কায়দা, নীতি নৈতিকতা শিখে থাকে। আমার সকল ভাল কাজে পরিবার আমাকে দারুণ সহযোগিতা করে থাকে। পরিবারের মানুষগুলো যেমন আমার ভাল কাজের প্রশংসা করে ঠিক তেমনি কোন ভুল করলে সংশোধনও করে দেয়। ভবিষ্যতে যেন এমন ভুল না হয় সে ব্যাপারে সর্তক করে দেয়।

     

    খোশগল্প.কমঃ পরিবারের মানুষগুলোর সুখের জন্য যখন অনেক বড় ত্যাগ স্বীকার করতে হয় তখন কেমন অনুভূতি কাজ করে?

    মানিক সরকারঃ আমাদের সবার জীবনে পরিবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মানুষ কখনো পারিবারিক বন্ধনকে উপেক্ষা করতে পারে না। পরিবারের মানুষগুলোর সুখের জন্য অনেক বড় ত্যাগ স্বীকার করতে আমার যত সমস্যাই সামনে আসুক সেটা আমি হাসি মুখে মেনে নেই। পরিবারের মানুষগুলোর হাসিমুখ দেখতে পারাটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় সফলতা মনে হয়।

     

    খোশগল্প.কমঃ জনকল্যানমূলক কাজে প্রায়ই অাপনার অংশগ্রহণ দেখা যায়। ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা কোথা থেকে পান?

    মানিক সরকারঃ আমি ছোটবেলা থেকেই জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে পছন্দ করতাম। আমি সবসময় চেষ্টা করি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী গ্রাম, সমাজ তথা দেশকে যেন কিছু দিতে পারি। ভাল কাজ করার অনুপ্রেরণা আসলে ভেতর থেকেই আসে। তারপরও বঙ্গবন্ধুসহ বিভিন্ন মনীষীদের জীবনী পড়লে তাদের মত জনসংশ্লিষ্ট কাজে নিজেকে বিলিয়ে দিতে ইচ্ছে করে। 

    244 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কম: লেখক কুমার দীপকে কম-বেশি অনেকেই জানি। আজ গল্পে-গল্পে ভিন্ন এক কুমার দীপকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করবো। আপত্তি নেই তো?

    কুমার দীপ: আপত্তি থাকার কি আছে ! তো অন্যরকমের একটি ব্যাপার লেখককে তো শুধু লেখাতেই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও খুঁজতে হয় এজন্যেই তো আমরা বড় বড় লেখক এবং অন্যান্য মনীষীদের জীবনী পাঠ করি অবশ্য আমার মতো যৎসামান্য মানুষের নিকট থেকে আদৌ কিছু জানবার দরকার আছে কিনা সেটাই আসল প্রশ্ন

     

    খোশগল্প.কম:  সুন্দরবনের পাশেই আপনার জন্মস্থান। ঘুরে দেখেছেন সুন্দরবন?

    কুমার দীপ: বাড়ি আমার দক্ষিণ বাংলাদেশের দক্ষিণপশ্চিম প্রান্তের সাতক্ষীরা জেলার ভুরুলিয়া গ্রামে ১৫ কিলোমিটারের ভেতরেই সুন্দরবন

    124 বার পঠিত
  • লিখেছেন...admin..., 2:59 অপরাহ্ন

     

    খোশগল্প.কমঃ আপনি তো হিসাবরক্ষক পদে কর্মরত আছেন। জীবনের হিসাব কষতে কেমন পারদর্শী?

    শরীফুল ইসলামঃ জীবন খাতার হিসাব বড় কঠিন, সহজে মেলানো যায় নাকর্মক্ষেত্রে যতটা সফল হতে পেরেছি, জীবনের হিসাব কষতে গিয়ে তার চেয়েও বেশি ব্যর্থ হয়েছি

     

    খোশগল্প.কমঃ তাহলে?

    শরীফুল ইসলামঃ কিছু ভুল আছে যা সংশোধন করা যায় নাসেরকম কোন ভুল হয়ে গেলে তা থেকে শিক্ষা নিতে চেষ্টা করি, যে এরকম ভুল আর না হয়যেসব ভুল সংশোধন করার সুযোগ থাকে, সেগুলো সাধ্যের সবটুকু দিয়ে সংশোধন করার চেষ্টা করিএক্ষেত্রে আমার পরিবারের সবাই আমাকে খুব সহায়তা করে

    109 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কম: আপনি নিজেও যেহেতু একসময় ইন্টারভিউ নিয়েছেন, ইন্টারভিউ এর বিষয় হিসেবে কি শুধু একাডেমিক বিষয়গুলো  মুখ্য ছিল? না কি আপনার ভাল লাগার বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে?

    ফারহানা মান্নান: ভাল লাগা বলবো না, ইন্টারভিউ নেয়ার কিছু না কিছু কারণ ছিল। প্রথম কারণটা হচ্ছে তথ্য সংগ্রহ। যেমন আমি বয়ঃসন্ধিকাল শিক্ষা নিয়ে কাজ করি,  আমি বয়ঃসন্ধিকাল শিক্ষার কিছু টপিক চলে আসে। সেক্স এডুকেশন, জেন্ডার, টেকনোলজি, সায়েন্স এই ব্যাপারগুলো চলে আসে। আমার কাছে মনে হল যে আমার নিজস্ব কিছু যুক্তি থাকতে পারে কিন্তু আরেকজন কি বলছে সেই ভাবনাটাও  বইতে  থাকা উচিৎ। তাহলে আমি কি করতে পারি?  গ্রাফ করব নাকি নরমাল ডাটা হিসেবে সংখ্যা বসিয়ে  বইয়ে দেব। তখন মনে হল এটাতো হয়েছে, নতুন কি করা যায়? তখন আমার কাছে মনে হল যে ইন্টারভিউ একটা মাধ্যম হতে পারে। কথায় কথায় তো অনেক কথা বের হয়ে আসতে পারে। তাহলে আমি সেই মানুষটার সাথে কথা বলে ডাটা কালেকশন করতে পারি। তখন আমি চিন্তা ভাবনা করে তথ্য সংগ্রহ করব সেই ধরনের মাইন্ড সেট আপ নিয়েই আমি ইন্টারভিউ নেয়া শুরু করি।

    1510 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কম:  এই কাজে কীভাবে আসলেন? মানে আপনার আব্বাও এই কাজ করতো নাকি আপনিই শুরু করছেন?

    হাকিম: না, আমার আব্বার পানের দুকান আছিল। আর তার বাপেও ব্যবসা করতো। তার বাপে কি করতো কয়া পারুম না। অহন আমি লেস-ফিতা বেচিঁ।…

    40 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কমঃ  হঠাৎ প্রকাশক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন কেন?

    আহসান আল আজাদঃ প্রথাগত চাকুরি আমাকে দিয়ে হবে না এই বিষয়টা বুঝতে পেরেছি ছাত্রাবস্থাতেই। তবুও বেশ কিছুদিন চাকুরি করার পর যখন একটু একটু করে এই জগতে প্রবেশ করছি তখনই বুঝতে পারলাম, হয়তো কাঙ্ক্ষিত পেশা পেয়ে গেছি। একটা সময় ঠিক করলাম বইয়ের প্রকাশকই হবো।…

    423 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কম: এই হোস্টেল তো খুব বেশীদিন হয় নাই, এইখানে কি শুরু থেকেই কাজ করেন? এর আগে কিছু করতেন?

    রফিক হোসেন:  হ্যাঁ, এইখানে শুরু থেকেই আমি আছি। এর আগে আনসারে ছিলাম। ঐ খান থেকে তারপর এইখানে আসছি।

     

    খোশগল্প.কম: আনসার তো স্থায়ী চাকরি…

    রফিক হোসেন:  স্থায়ীও আছে কিছু, আবার অস্থায়ীও আছে। অস্থায়ী যেইগুলা সেইগুলা ১ বছর কইরা।…

    96 বার পঠিত
  • খোশগল্প.কম: রাইচরণ নিজের সন্তানকে আপন ভাবতে পারলো না-এটা কি অদ্ভুত না?
    রাইচরণ: আমার জীবনের বেশী সময় কাটিয়েছি বিশ্বস্ত ভৃত্যের আদলে। দীর্ঘদিনের আগাগোড়া প্রভু-ভৃত্য সম্পর্ক আমার জীবন-ধারণে মিশে গিয়েছে। আর দাদাবাবুর আকস্মিক পদ্মায় হারিয়ে যাওয়া? এও কি মেনে নেয়া যায়? এত অস্বাভাবিক নিশ্চল মৃত্যু কী কখনো হয়?…

    34 বার পঠিত